আবেগ প্রকাশ করে সিমপ্যাথি পাওয়া যায়,ভালোবাসা না.!
চোখের জ্বলে কখনো সম্পর্ক বেধে রাখা যায় না বরং
সে সম্পর্ক আরো অবহেলায় জর্জরিত হয়ে যায়.!
তুমি কেঁদে কেঁদে তার মন নরম করতে চাইছ
তুমি তোমার দূর্বল জায়গা গুলো তাকে সুন্দর ভাবে বুঝিয়ে দিচ্ছো,
আত্মসম্মানবোধটাকে গলা টিপে মেরে ফেলছো শুধু তার কারনে.!
তুমি ভাবছো একদিন হয়তো সে তোমার এই বোকা বোকা অনুভুতি গুলো বুঝবে,
একদিন হয়তো সে আবার আগের মতো হয়ে যাবে
তাইতো এত এত অপমানের পরও তুমি তাকেই ফিরে পেতে চাইছো.!
তোমার এই ভালোবাসাময় ব্যাপারগুলো তার কাছে
নিতান্তই সস্তা আবেগ,তুমি যতোই না খেয়ে থাকো,
যতোই হাত কাটো,যতোই কেঁদে কেঁদে গাল লাল করে ফেলো
তাতে তার কিছু আসে যায় না.!
বিলিভ মি,সে কখনো তোমার এই অনুভুতিগুলো বুঝবে না
,কখনোই না.!চলে যাওয়া মানুষটা বেশিরভাগ সময়ই ফিরে আসে.
!তুমি হয়তো ভাবছো,সে তোমার ভালোবাসার টানে ফিরে এসেছে.!
না সে তোমার ভালোবাসার টানে ফিরে আসেনি.!
সে ফিরে এসেছে তোমাকে আগের থেকে আরো বেশি কষ্ট দিতে.!
হ্যাঁ, তোমার ভালোবাসাটা স্পেশাল.!
কিন্তু তুমি যাকে ভালোবাসো সেই মানুষটা তোমার
চারপাশে ঘটে যাওয়া প্রতারনার গল্পের প্রতারকগুলোর মতোই একজন.!
তুমি যতো দূর্বল হবে,যতো স্যাক্রিফাইজ করবে
সে ততো তোমাকে অবহেলা করবে.!
তার দেয়া প্রতিটা কষ্ট নিরবে মেনে নিয়ে তুমি তার সিমপ্যাথি পাবে,ভালোবাসা না.!
তাই তোমার এই অমূল্য ভালোবাসা,অমূল্য চোখের জল,
অমূল্য অনুভূতি গুলো সেখানেই প্রকাশ করো যেখানে তুমি গুরুত্ব পাও.!
যে মানুষটার জন্য তোমার আত্মসম্মান হারাতে হয়,
সেই মানুষটা আর যাই হোক তোমাকে ডির্জাব করে না.!
এটাই বাস্তবতা!
সম্পাদক : শেখ মোঃ শাহিনুর রহমান উজ্জ্বল
যোগাযোগ: ০১৭১১৭৫২৭১৭০ / ১৭১১৩৬৩৭৯৭