
বিশেষ প্রতিনিধিঃকেরানীগঞ্জ
হিরাচান সিকদার নামে এক সহজ সরল লোক তার নগদ টাকা দরকার হলে পৈত্রিক সম্পত্তি থেকে ২৭ শতাংশ জমি বন্দক দিতে চাইলে প্রতিবেশী নুরুল ইসলাম বন্দক নিতে ইচ্ছা প্রকাশ করে, হিরাচান সিকদার ২৭ শতাংশ জমি বন্দক দিয়ে বিশ হাজার টাকা গ্রহণ করে, হিরাচান সিকদার মৃত্যুর পূরবেই বিশ হাজার টাকা শোধ করে। কয়েক বছর পড় হিরাচান সিকদার এবং নুরুল ইসলাম মাদবর মারা যান। তাঁরা মারা যাওয়ার পড়,নুরুল ইশলামের ওয়ারিশ জালাল উদ্দীন গং (৩৪) নিজেদের জমি বলে দাবি করেন, মমতাজ গং জানান নাজির সিকদার খুব চালাক প্রকৃতির লোক, তাই তাদের কাছ থেকে অল্প দামে জমিটি ক্রয় করে নেন। এবং বৈধতা পাওয়ার জন্য একাধিক জাল দলিল তৈরি করে আসছেন। নাজির সিকদার নিজেও জানতো,এই জমির কোন বৈধ দলিল কাগজ পত্র নাই তিনি রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে তিনটি জাল দলিল তৈরি করেন,যার কোন বৈধতা নাই, তারপরও জমি দখল করার পায়তারা করে আসছেন। হিরাচান সিকদার এর মেয়ে মমতাজ গং অভিযোগ করেন, আমাদের কে বোকা বানিয়ে আইনের চোখকে ফাঁকি দিয়ে একে একে তিনটি জাল দলিল তৈরি করে, এগুলো প্রমাণ করতে আমাদের অনেক আর্থিক ক্ষতি হয়।মমতাজ বেগম গং কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, নাজির সিকদার আমার আত্মীয় বটে তবুও তার কবল থাবা থেকে রেহাই পাইনি, নাজির সিকদার যে তিনটি জাল দলিল তৈরি করেছে, তার প্রমাণ আমার কাছে বিদ্যমান, যেমন, (১) দলিল নম্বর ৫৪৭৪, তারিখ ২৬/২/১৯৭৪ ই,(২) নম্বর দলিল ১১৮৮৮, তারিখ ১৫/৯/১৯৬৯ ইং,(৩) নম্বর দলিল ২০৫৩৫, তারিখ ২৩/১৯/৭৫ং, আফসোস করে মমতাজ বেগম গং কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, মানুষ মানুষের এভাবে হয়রানি করে,শুধু হয়রানি নয় তার ভয়ে এলাকায় থাকতে পারিনা,তার আছে বিশাল বাহিনী, একসময়ে নাজির সিকদার আওয়ামী লীগের ছায়া তলে থেকে অনেকের বিটা বাড়ি ছাড়া করেছে। সমাজতার জন পারিবারিক ভাবে বসতে চাইলে নাজির সিকদার পঞ্চাশ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে, মমতাজ বেগম গং টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে নাজির সিকদার মমতাজ গং দের উপর চড়াও হয়,এবং জমিতে গেলে মেরে পুঁতে ফেলার হুমকি দেয়। সিনিয়র আইন জীবি এডভোকেট সাইদুল হক সাইদ বলেন, বাংলাদেশ ( Penal Code) 1860) অনুযায়ী ধারা ৪২০, প্রতারণা করে, আত্মসাৎ শাস্তিযোগ্য অপরাধ,ধারা ৫০৬, হুমকি প্রদান ভয়ভীতি প্রদানের জন্য দন্ডনীয় Guardian and WardAct, 1860, অসুস্থ বা বৃদ্ধা ব্যক্তির অভিভাকত্ব ও সম্পত্তি আইন গত বিধান। বাবার সম্পত্তি থেকে থেকে প্রতারিত হতে দেখা অত্যন্ত মর্মান্তিক। গত ৮/৮/২০২৫,ইং রোজ শুক্রবার সাইনবোর্ড ভেঙে ফেলার কারণ জানতে চাইলে বৃদ্ধা মমতাজ কে ধাক্কা মেরে পানিতে ফেলে দেয়, এবিষয়ে কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় আইনী প্রক্রিয়া চলমান।
সম্পাদক : শেখ মোঃ শাহিনুর রহমান উজ্জ্বল
যোগাযোগ: ০১৭১১৭৫২৭১৭০ / ১৭১১৩৬৩৭৯৭