ফরিদপুর প্রতিনিধি: চাচা কামাল মোল্লা ও ভাতিজা কাদেরের নেতৃত্বে গড়ে উঠেছে ব্রাম্মনকান্দা বাজার কেন্দ্রিক একটি সন্ত্রাসী বাহিনী। এই বাহিনীর অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে বাজারের ব্যবসায়ী ও সাধারন জনগন।ফরিদপুর জেলার মধুখালী উপজেলার ব্রাম্মনকান্দা বাজারে চাচা-ভাতিজার বাহিনীর কাছে জিম্মি বাজারের ব্যবসায়ীরা। ব্রাম্মনকান্দা বাজারের সাথে বাড়ি হওয়ার কারনে বাজারের ব্যবসায়ী ও হাটে আগত লোকজনের সাথে খারাপ ব্যবহার ও কথায় কথায় গায়ে হাত তোলা এই বাহিনীর নিত্যদিনের কাজ। এই বাহিনীকে চাঁদা না দিয়ে ব্যবসা করার উপায় নেই বলে অভিযোগ করেছেন নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক ব্যবসায়ীরা।
অভিযোগ আছে বাহিনীর সদস্যরা মাদক সেবন ও বিক্রি, জুয়ার আসর,ছিনতাইয়ের সাথে জড়িত। এই বাহিনীর সদস্য আগে আওয়ামীলীগ করলেও পটপরিবতনের সাথে সাথে দলীয় লেবাস পরিবর্তন করেছে। আগে উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক রেজাউল হক বকুর প্রভাবে সমস্ত অপকর্ম করত এখন উপজেলা বিএনপির এক নেতার সেল্টারে চলে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ী বলেন জুয়ারবোর্ড চালানোর অভিযোগ হাতনাতে ১৩জন জুয়ারীকে আটক করেছিলো মধুখালী থানা পুলিশ। হাবিবুর রহমান তারা, কামাল,কাদের, রাহুল, জাহিদুল,ইব্রাহিম,রুহল ও বিএনপি নেতা তারা মেম্বার এই সমস্ত অপকর্ম করে। এসবের প্রতিবাদ করলেই নেমে আসে ব্যবসায়ীদের উপর অত্যাচার।
চাচা-ভাতিজার বাহিনীর হাতে নির্যাতিত হয়েছে আওয়ামীলীগ নেতা রেজাউল মেম্বার, বিএনপি নেতা সানোয়ার হোসেন চুন্নু, প্রবাসী আমিনুল ইসলাম, জুলাই যোদ্ধা আতিয়ার রহমান ও তার ভাই শফিক সাগর।
জুলাই যোদ্ধা আতিয়ার রহমান ও তার ভাই শফিক সাগর এই দুই ভাই এদের হুমকীতে এলাকা ছাড়া। চাচা-ভাতিজা বাহিনী এদেরকে এলাকায় আসলে মেরে ফেলার হুমকি দিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জুলাই যোদ্ধা আতিয়ার রহমান বলেন আমার বাবা কামালদিয়া ইউনিয়নের ১ নং ওর্য়াডের সাধারন সম্পাদক। আমরা বিএনপির সাথে রাজনীতি করি দীর্ঘদিন ধরে তার পরেও বিএনপি নেতা হাবিবুর রহমান তারা মেম্বারের ইন্ধনে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা আমাকে ব্যাপক মারধর করেছে। আমার পরিবারকে মেরে ফেলার হুমুক দিয়েছে। আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।
সম্পাদক : শেখ মোঃ শাহিনুর রহমান উজ্জ্বল
যোগাযোগ: ০১৭১১৭৫২৭১৭০ / ১৭১১৩৬৩৭৯৭