স্টাফ রিপোর্টার:
বিএনপির অনেক প্রোগ্রামে দেখা যাচ্ছে শীর্ষ সন্ত্রাসী কামাল মোল্লাকে ,কে এই কামাল মোল্লা ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের প্রেসিডিয়াম সদস্য
পানি, মৎস ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রী আব্দুর রহমানের সেক্রেটারি ।
রেজাউল হক বকুর আপন মামাতো ভাই।
কামাল মোল্লা ব্রাহ্মণকান্দা বাজার সংলগ্ন বাড়ি। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকা কালীন সময়ে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড করে অনেকবার আলোচনায় এসেছে ।
এই কামাল মোল্লা ও ওর ভাতিজা কাদের মোল্লা।
স্বৈরাচার সরকার পতনের পর বিএনপি'র যুবদল স্বেচ্ছাসেবক দল ও বিএনপি'র বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের প্রত্যেকটা অনুষ্ঠানে কামাল মোল্লাকে আগে আগে দেখা যাচ্ছে ।
উদ্দেশ্য কি বিএনপি'র ভাবমূর্তি নষ্ট করার,
না নিজের অপরাধ ধামাচাপা দেওয়ার।
গত ০৭/০৩/২০২৩/ইংরেজি তারিখ মঙ্গলবার সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার সময় ।
সন্ত্রাসী কামাল মোল্লা ও কাদের মূল্যা সহ তার সন্ত্রাসী বাহিনী।
নাট্য নির্মাতা সংবাদ কর্মী জিসাস কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সাধারণ সম্পাদক মোঃ শফিকুল ইসলাম (শফিক সাগরের) উপর আতর্কিত হামলা চালায়। এতে স্থানীয়দের সহায়তায় সেদিন প্রাণে বেঁচে যান শফিক সাগর।
শফিক সাগরের উপর সন্ত্রাসী হামলা ও অভিনয় শিল্পীদের ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেন।
সেখানে শফিক সাগর একটা লিখিত অভিযোগ পড়ে শোনান ।
সেদিন শফিক সাগরের উপর হামলা হয়েছিল শফিক সাগর তার নিজ গ্রামে একটি শুটিং স্পট গড়ে তুলেছিলেন নিজের বাসভবন ও একটি ভাড়ার বাসা নিয়ে।
সেখানে বাংলাদেশ চলচ্চিত্রের অনেক নামিদামি অভিনয়শিল্পীরা অভিনয়ের জন্য ছুটে আসতেন মধুখালীর প্রাণকেন্দ্র মির্জাকান্দি গ্রামে।
কামাল মোল্লা ও কাদের মোল্লা মাঝে মাঝে শফিক সাগরকে কুপ্রস্তাব দিতেন।
নারী অভিনয় শিল্পীদের নিয়ে একান্ত সময় কাটাবে বলে।
মাঝে মাঝে টাকার অফার ও করতেন ।
শফিক সাগর এতে প্রতিবাদ করলে নারী শিল্পীদের সাথে শুটিং স্পটে গিয়ে।
অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি ও কুপ্রস্তাব দিতেন এর প্রতিবাদ করাই কাল হয়েছিল সঠিক সাগরের জীবনে।
শুরুটা হয়েছিল আরো এক বছর আগে ।
শফিক সাগরের ছোট ভাই আতিয়ার রহমান ব্রাহ্মণকান্দা বাজারে ব্যবসা করতেন।
ব্রাহ্মণ কান্দা বাজারের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে।
দোকান থেকে ধরে নিয়ে আতিয়ার রহমানের উপর অমানুষিক নির্যাতন করে এই সন্ত্রাসী কামাল ও কাদের বাহিনী।
সেদিন থানায় মামলা করতে গেলে বাধা হয়ে দাঁড়ান প্রেসিডিয়াম সদস্য আব্দুর রহমানের সেক্রেটারি রেজাউলক বকু ।
আশ্বাস দেন সালিশের মাধ্যমে মীমাংসা করে দেবে।
সালিসের দায়িত্ব দেওয়া হয় ।
স্থানীয় মেম্বার লাল মিয়া রায়পুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জাকির হোসেন ।
ও ব্রাহ্মণ কান্দা বাজারের সাবেক মেম্বার হাবিবুর রহমান তারার উপর।
সেদিন সালিশে আতিয়ার রহমানের পক্ষে উপস্থিত হয়েছিলেন ।
কামালদিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ওয়ালিদ হাসান।
ওয়ালিদ হাসান মামুন উপস্থিত হওয়াকে কেন্দ্র করে সেদিন সালিশের না বসে ।
আতিয়ার রহমান ও শফিক সাগরকে হুমকি ধামকি দিয়ে বাজার থেকে বের করে দেন।
ওই পূর্বের ঘটে যাওয়া ঘটনাকে কেন্দ্র করে ।
শফিক সাগরের শিল্পীদের উপর বিভিন্নভাবে অনৈতিক কর্মকান্ড চালিয়ে আসছিলেন ।
কামাল ও সন্ত্রাসী কাদের বাহিনী।
০৮/০৩/২০২৩/তারিখে থানায় উপস্থিত হয়ে মামলা করতে গেলে রেজাউল হক বকুর নির্দেশে মধুখালী থানায় কোন অভিযোগ নেয় না বাধ্য হয়ে শফিক সাগর অভিযোগ করেন ।
মধুখালী উপজেলা অফিসার ইনচার্জ বরাবর
অনুলিপি জমা দেন
০১/জেলা প্রশাসক ফরিদপুর।
০২/পুলিশ সুপার ফরিদপুর।
০৩/মধুখালী থানা।
০৪/মধুখালী প্রেসক্লাব।
০৫/বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিত।
সংবাদ সম্মেলনটি প্রচার হয়েছিলেন বাংলাদেশের অনেক স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেল আইপি টিভি ও প্রিন্ট পত্রিকা সহ অনলাইন পত্রিকায়।
মধুখালীতে নাট্য পরিচালক ও শিল্পীদের উপর সন্ত্রাসী হামলা ও ইভটিজিং হওয়ার পরও ।
নীরব ভূমিকা পালন করেছে মধুখালী থানা অফিসার ইনচার্জ ।
কোন তদন্ত করেন নাই কারণ শফিক সাগর একজন বিএনপি পরিবারের সন্তান ।
শফিক সাগরের পিতা মোঃ ফরমান সর্দার।
কামাল দিয়া ইউনিয়ন ১নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছিলেন।
শফিক সাগর জিসাস কেন্দ্রীয় কমিটির একজন সদস্য ।
এটাই ছিল বিচার না পাওয়ার মূল কারণ।
অনলাইনে যখন শিল্পীদের উপর হামলা ও ইভটিজিং খবরটা ভাইরাল হয়ে যায় ।
তখন রেজাউল হক বকু শফিক সাগরের বাড়িতে গিয়ে আর কোন নিউজ না করার জন্য অনুরোধ করেন ।
ও দুই পক্ষ এক জায়গায় করে মীমাংসা করে দেওয়ার অঙ্গীকার করেন ।
শফিক সাগরকে ডাকা হয় আব্দুর রহমান টেকনিক্যাল কলেজে সেখানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ শহিদুল ইসলাম, আব্দুর রহমান টেকনিক্যাল কলেজের প্রিন্সিপাল রায়পুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জাকির হোসেন ও সাবেক মেম্বার তারা মোল্লা ।
সকলের উপস্থিতিতে তারা মোল্লার উপর শফিক সাগর আর সন্ত্রাসী কামালকে ।এক জায়গা বসিয়ে সালিশের মাধ্যমে মীমাংসার দায়িত্ব দেওয়া হয়।
সেখানে তারা মোল্লা মীমাংসা না করে সবকিছু ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে ।
ও শফিক সাগর যেই বাসায় ভাড়া থেকে শুটিং পরিচালনা করতেন ।
ওই বাড়ির মালিক খলিল শেখ কে বাড়ি থেকে ডেকে এনে হুমকি ও ভয়ভীতি দেখানো হয় ।
শফিক সাগরকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার জন্য।
বিভিন্নভাবে শফিক সাগরকে হুমকি ধামকি দিতেই থাকে সন্ত্রাসী কামাল ও কাদের বাহিনী।
শফিক সাগর বাধ্য হয় এলাকা ছেড়ে ঢাকায় পাড়ি জমাই।
এখন দেশ স্বাধীন হয়েছে এখনও সেই হামলার বিচার পাননি শফিক সাগর সেই সন্ত্রাসী বাহিনী বিএনপি বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের মাঝে ঢুকে বিএনপির ভাবমূর্তি নষ্ট করছে তাই এই সকল সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় এনে সঠিক বিচারের জোড় দাবি জানাচ্ছি।
সম্পাদক : শেখ মোঃ শাহিনুর রহমান উজ্জ্বল
যোগাযোগ: ০১৭১১৭৫২৭১৭০ / ১৭১১৩৬৩৭৯৭