মোঃ এনামুল হক আবির প্রতিনিধিঃ
ঢাকার সাভার উপজেলার বিরুলিয়া এলাকার বনবিভাগের বাড়ইপাড়া রেঞ্জের সংরক্ষিত জমি উদ্ধার অভিযানে হামলার যে অভিযোগ উঠেছে, সেটিকে মিথ্যা ও পূর্বপরিকল্পিত সাজানো মামলা বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় এলাকাবাসী জানান, মামলা দায়েরকারী বন কর্মকর্তা মোহিদুর রহমান একজন বিতর্কিত ব্যক্তি। তিনি বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে বন বিভাগের আওতায় থাকা জমির ছাড়পত্রের নাম করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। এর ফলে অনেকেই তার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ভিক্তিহীন মামলা মোকাবেলা করছেন। মোহিদুরের এসব মিথ্যা ূমামলার শিকার হিসেবে বহু স্থানীয় বাসিন্দা দাবি করেছেন।
এছাড়াও তারা অভিযোগ করেন, মোহিদুর ও তার সহযোগী শহিদুল্লাহ কায়সার রং কারখানার মালিক লোকমান হোসেনের কাছ থেকে প্রায় কয়েক লাখ টাকা নিয়েছিলেন। জমির ছাড়পত্র না দেওয়ায় তাদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে মোহিদুর মোতাবেক লোকমান হোসেন ও তার লোকজনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়।
এলাকাবাসী গণমাধ্যমকে প্রশ্ন তুলেছেন, গতো ১৬ই মে শুক্রবার ২০২৫ তারিখে পুর্ব বিরোধপূর্ণ জমিতে মাত্র চারজন বনকর্মী নিয়ে প্রশাসনের কোনো সহযোগিতা বা নোটিশ ছাড়াই উচ্ছেদ অভিযান করা কতটুকু সচ্ছল ও আইনগত? তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন, এটি পূর্বপরিকল্পিত ও মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অপ চেষ্টা।
অন্যদিকে, কালিয়াকৈর বনবিভাগে মোহিদুর রহমানের বিষয়ে অনুসন্ধান করলে জানা গেছে, তার বিরুদ্ধে নারী কেলেংকারি, ঘুষ গ্রহণ ও হামলার মতো বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে, যা বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় ইতোমধ্যে প্রচারিত হয়েছে।
অভিযুক্ত বন কর্মকর্তা মোহিদুর রহমান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এসব অভিযোগ মিথ্যা ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তবে পূর্বে তার বিরুদ্ধে ওঠা নানা অভিযোগের বিষয়ে তিনি সঠিক ও স্পষ্ট কোনো জবাব দিতে পারেননি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মোহিদুরের কিছু সহকর্মী গনমাধ্যমকে জানান মোহিদুরের নিয়োগ প্রক্রিয়া হয়েছে সম্পুর্ন অবৈধ উপায়ে, কারন তার বর্তমান বয়স ৫০ হলেও তিনি নিয়োগ পেয়েছেন ৪৫ বছর বয়সে যা কিনা সরকারি চাকুরীতে সাংঘর্ষিক তবে সুধু মাত্র গোপালগঞ্জে তার শশুড় বাড়ির প্রভাব খাটিয়ে দুর্নীতির চরম সিমা অতিক্রম করছে, যা ইতিমধ্যে প্রমানিত হয়েছে।
এলাকাবাসী দৃঢ়ভাবে দাবি করছেন, দুর্নীতি ও অন্যায় কর্মকাণ্ডে জড়িত এই বন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিচার বিভাগীয় তদন্ত শুরু করে তার চাকরি থেকে অব্যাহতি দিতে হবে।
সম্পাদক : শেখ মোঃ শাহিনুর রহমান উজ্জ্বল
যোগাযোগ: ০১৭১১৭৫২৭১৭০ / ১৭১১৩৬৩৭৯৭