চাপাইনবয়াবগঞ্জ প্রতিনিধি :
দীর্ঘ দিন যাবত প্রতিষ্ঠানটি সুনামের সাথে শিক্ষা কার্যক্রম চলে আসছিল। কিন্তু বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির অবকাঠামো উন্নয়ন এর অবাধ দূর্নীতি থেকে শিক্ষা কার্যক্রম এর বেহাল দশা। প্রতিষ্ঠান টির সভাপতি ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আনিসুর রহমান।বর্তমানে নিয়মিত কমিটি হয়েছে তারপরও প্রতিষ্ঠান টি বেহাল দশায় পরে রয়েছে। ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তিলে তিলে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে এতে দেখার কেউ নেই। প্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটি গঠন নিয়ে বর্তমানে চলছে নানা টালবাহানা। অভিভাবক সদস্য পদ নিয়ে চলেছে এখানে এক প্রকার সার্কাস। শিক্ষক দের টিউশন ফিস নিয়ে চলছে শুভংকরের ফাঁকি।এতো দিন সরকার কর্তৃক শিক্ষক দের যে টিউশন ফিস দেওয়ার হয় আজ পর্যন্ত কোন শিক্ষক দের মাঝে বিতরণ না করে অধ্যক্ষ মহোদয়ের নিজে টাকা তুলে নিজের পকেটে নিয়ে যায়। প্রতিষ্ঠানে কোন প্রকার বিল ভাউচার এর রশিদ নেই। এমনকি শিক্ষার্থীদের যে বিভিন্ন সময় পরিক্ষা ভর্তি রেজিস্ট্রেশন বাবদ যে সকল টাকা আদায় করা হয় তার কোন রশিদ প্রদান করা হয়না। এছাড়াও নানা ধরনের দূর্নীতি চলছে প্রতিষ্ঠানে।
বর্তমান এ প্রতিষ্ঠানে,,,৭,,,জন নতুন শিক্ষক NTRCA কর্তৃক নিয়োগ পেয়েছেন। এবং সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এর নির্দেশে নতুন শিক্ষক দের কাছ থেকে কোন প্রকার চাঁদা নেওয়া যাবেনা। কারন এর আগে কমিটির বা নতুন এনটিআরসিএ নিয়োগ শিক্ষক দের কাছ থেকে প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন এর কথা বলে মোটা অংকের অর্থ আদায় করেছেন অধ্যক্ষ এমন তথ্য সভাপতি অবগত ছিলেন। তাই নতুন শিক্ষক দের কোন প্রকার হয়রানি না করতে নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু অধ্যক্ষ মহোদয়ের কোন তোয়াক্কা না করে শিক্ষক দের উন্নয়ন মারফত এ মোটা অংকের অর্থের দাবি করেন।অথচ প্রতিষ্ঠান এর নিজস্ব জমি লিজ দিয়ে প্রায় প্রতিবছরই ১০ থেকে ১৫ লক্ষ্য টাকা আয় হয়। যা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন এর কাজে ব্যায় করার কথা ।অথচ এই টাকা কোথায় যায় আজ পর্যন্ত কেউ জানেনা। এমনকি চাঁদার টাকা প্রতি মাসে কিস্তি হিসেবে পরিশোধ এর পরামর্শ দেন। প্রভাষক পদে ৩০০০০ হাজার সহকারী শিক্ষক পদে ২০০০০ হাজার করে দাবি করেন।এতে করে নতুন শিক্ষক দের মাঝে একটা মিথস্ক্রিয়ার প্রভাব পরেছে।এমনিতেই শুরু তে ১২৫০০টাকা বেতন কাঠামো নিয়ে শিক্ষক রা বর্তমান ব্যস্ততায় হিমসিম খাচ্ছে।এ যেন তাদের মরার উপর খাঁড়ার ঘা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এদিকে এনটিআরসিএ থেকে নির্দেশনা আছে কোন শিক্ষক দের কাছ থেকে অর্থ দাবি করলে প্রধান দের এমপিও বন্ধ করে দেওয়ার।এ যেন কে শুনে কার কথা এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এই ৭,জন শিক্ষক এর বক্তব্য এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি করাতে চাকরি করা কতটা সুবিধা হবে এই নিয়ে দ্বিধা দ্বন্দ্বে আছেন। এতো অল্প টাকায় সংসার চালানো যেখানে কঠিন সেখানে এমন আবদার তাই হতাশা প্রকাশ করেছেন শিক্ষকতা পেশায় এসে।আজ উন্নয়ন বলেছেন কালকে বলবেন প্রতিষ্ঠান এমপিও বন্ধ হয়ে যাবে ১বা২মাসের বেতন চাইবেন তখন কি হবে। দূর দূরান্ত থেকে এসে চাকরি করে তাদের সংসার কিভাবে চলবে এমন পরিস্থিতিতে তাই তিনারা হতাশা প্রকাশ করছেন নতুন শিক্ষকরা।
সম্পাদক : শেখ মোঃ শাহিনুর রহমান উজ্জ্বল
যোগাযোগ: ০১৭১১৭৫২৭১৭০ / ১৭১১৩৬৩৭৯৭