শাহাদাৎ হোসেন সরকারঃ
আশুলিয়া থানায় মোঃ সোহাগ মুন্সী হত্যা মামলায় সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবিতে শনিবার সকালে নিজ বাড়িতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সন্তানহারা মা ফাতেমা ও পরিবারের সদস্যরা উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনে তদন্তে গাফিলতি, মেডিকেল ডকুমেন্ট উপস্থাপনে অবহেলা ও আসামিদের জামিনে অবৈধ সুযোগ প্রদানের অভিযোগ তোলা হয়।
গত ২৪ জুন ২০২৪ রাতে সোহাগ মুন্সী, সিদ্দিক ও সাগরের ওপর আলম ভুইয়া, রাশেদ ভুইয়া, আব্দুল্লাহ, আফজাল, সোহাগ, সেলিম ভুইয়া ও কয়েকজন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি চাপতি, রামদা ও চাইনিজ কুড়াল নিয়ে হামলা চালায় বলে উল্লেখ করা হয়।
এ হামলায় সোহাগ মুন্সীসহ তিনজন গুরুতর আহত হন এবং নগদ ৮ লাখ ২৫ হাজার ৭৭৫ টাকা লুট হওয়ার দাবি করা হয়।
২৬ জুন ২০২৪ মামলা দায়ের হলেও গতকালীন তদন্ত কর্মকর্তারা এস আই মোতালেব মিয়া প্রয়োজনীয় মেডিকেল ডকুমেন্ট ও প্রমাণ আদালতে জমা না দেওয়ায় অভিযুক্তরা দ্রুত জামিন লাভ করে।
পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, আলম ভূইয়া সহ কয়েকজন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র হত্যা মামলার আসামি হওয়া সত্ত্বেও তাদেরকে গ্রেফতার না করে একসাথে নাস্তা করার বিষয়ে জানান তারা।
এবং সোহাগ মুন্সী হত্যা মামলার বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মোতালেব ও পরে দায়িত্বপ্রাপ্ত এসআই রবিউল যথাযথ তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করেননি এবং আসামিদের সঙ্গে অস্বাভাবিক যোগাযোগ রাখার অভিযোগ তোলা হয়।
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ইং আহত অবস্থায় সোহাগ মুন্সীর মৃত্যু হয়। তবে মৃত্যুর কারণ ডেঙ্গু বলে উল্লেখ করে মেডিকেল প্রতিবেদন জটিলতায় প্রশ্ন তোলে পরিবার।
চার্জশীটে কয়েকজন প্রধান আসামিকে বাদ দেওয়া এবং ঘটনার অস্ত্র উদ্ধার না করাসহ নানা অনিয়মের কথাও উল্লেখ করা হয় সংবাদ সম্মেলনে।
মামলার বাদী ফাতেমা ও পরিবারের সদস্যরা একটি স্বতন্ত্র ও নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন এবং দোষীদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনার আহ্বান জানান।
এবিষয়ে আশুলিয়া থানার উপকারীদর্শক রবিউল ইসলাম বলেন মেডিকেল সার্টিফিকেট ও তদন্তে যা পেয়েছি সেটাই দেয়া হয়েছে, আপনাদের আরো কিছু জানার থাকলে আমার উপরোক্ত কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলতে পারেন বলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান।
সম্পাদক : শেখ মোঃ শাহিনুর রহমান উজ্জ্বল
যোগাযোগ: ০১৭১১৭৫২৭১৭০ / ১৭১১৩৬৩৭৯৭