1. admin@dailyajkerdurnity.com : admin :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:১৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
মোহাম্মদ হারুন অর রশীদকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে মেট্রোরেলে অ”সু”স্থ হয়ে একটু বসার জায়গা চেয়েছিলেন একজন অধ্যাপক। কেউ দেয়নি। দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় স্ট্রোক করে মারা গেলেন। আইজিপির বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন সাংবাদিক সমাজ আশুলিয়ায় কোটি টাকা চাঁদা দাবী-ফ্যাক্টরী ও জমি দখল-সন্ত্রাসী হামলায় সাংবাদিকসহ আহত-২ মিঠামইনে দূর্গা পূজা উপলক্ষে নাটক মঞ্জস্ত ফ্যাক্টরি দখল নিতে গিয়ে আশুলিয়ায় সাংবাদিকের ওপর সন্ত্রাসী হামলা, তীব্র নিন্দা গাজীপুরের কাশিমপুরে বকেয়া বেতনের দাবিতে মেঘা ইয়ার্ন ডাইং মিলস লিমিটেডের শ্রমিকদের আন্দোলন ও ভাঙচুর। কাপাসিয়া সিংহশ্রীতে শারদীয় দুর্গোৎসব: ২টি পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শফিকুল ইসলাম বাহাদূর ও অ্যাড. জাকির হোসেন দেবীদ্বারে এমপি হাসনাত আব্দুল্লাহ: ‘পদত্যাগ সরকারের শর্ট-টার্ম প্যারাসিটামল থেরাপি’ সিংহশ্রী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী শফিকুল ইসলাম বাহাদুর সকলের সমর্থন ও দোয়া প্রত্যাশী

আগেই ঠিক ছিল লগ্ন, হাতে-পায়ে ব্যান্ডেজ নিয়ে হাসপাতালেই বিয়ে

আজকের দুর্নীতি ডেস্ক:
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৪৯ বার পঠিত

কনা আক্তার

মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত হয়েছে হাসপাতালের বিছানায় জায়গা হয়েছে আনন্দ সাহার। তার হাত-পা ব্যান্ডেজে মোড়া। ওদিকে বিয়ের লগ্ন যে আগেই নির্ধারণ ছিল। তাই হাসপাতালেই হিন্দু ধর্মের নিয়ম মেনে সারলেন বিয়ের অনুষ্ঠানিকতা।

 

বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে শহরের ‘আফরোজা বেগম জেনারেল হাসপাতাল’ এর একটি খালি জায়গায় আনন্দ সাহা এবং অনিতা সরকারের পরিবার এ আয়োজন করে বলে জানান হাসপাতালের অপারেশন ম্যানেজার দিলীপ কুমার মণ্ডল।

 

বর আনন্দ মানিগঞ্জ শহরের পূর্ব দাশরা এলাকার বাসিন্দা অরবিন্দ সাহার ছেলে। আর কনে অনিতা ঘিওর উপজেলার বানিয়াজুরি এলাকার সুবোধ সরকারের মেয়ে।

 

দিলীপ কুমার বলেন, “আনন্দ সাহা ৩০-৪০ দিন আগে বাইক অ্যাক্সিডেন্ট করেন। তার হাত ও পায়ের কয়েক জায়গা ভেঙে যায়। পরে ঢাকার একটি হাসপাতালে তার অপারেশন হয়। আমাদের এখানে বেশ কিছু দিন হল তিনি ভর্তি রয়েছেন।

 

“পরিবারের অনুরোধে এবং আগের চেয়ে রোগী সুস্থ থাকায় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অনুমতিতে হাসপাতালের গ্রাউন্ড ফ্লোরে তার বিয়ে হয়। রাত ১০ টার মধ্যে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়।”

 

আনন্দ সাহার চাচাত ভাই অর্ণব সাহা বলেন,“মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় হাত-পায়ের কয়েক জায়গায় ভেঙে যাওয়ায় আনন্দকে হাসপাতালের বিছানায়ই থাকতে হচ্ছে। কিন্তু বৃহস্পতিবার তার বিয়ের লগ্ন ঠিক করা ছিল আগেই। সেটা মিস করা যেত না।

 

“আর তার শারীরিক অবস্থা আগের চাইতে অনেকটা স্বাভাবিকও রয়েছে। তাই চিকিৎসকদের পরামর্শ নিয়েই বিয়ের আয়োজন করা হয়।”

 

আফরোজা বেগম জেনারেল হাসপাতালের ইউনিট হেড সিরাজুল ইসলাম বলেন, “আনন্দ বাইক দুর্ঘটনায় দুই হাত ও এক পায়ে গুরুতর আঘাত পান। তার বিয়ের লগ্ন থাকায় তার পরিবার আমাদের বিষয়টি জানায়। পরে আমরা গুরুত্ব সহকারে কনসালটেন্টদের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা করি।”

 

রোগীর শারীরিক অবস্থাও আগের তুলনায় স্থিতিশীল ছিল। তাই বিয়ের অনুষ্ঠান কেবিনে না করে হাসপাতালের অব্যবহৃত একটি অংশে করার অনুমতি দেওয়া হয় বলে জানান তিনি।

 

বরের বাবা অরবিন্দ সাহা বলেন, “বিয়ের লগ্ন ধরতেই হাসপাতালে বিয়ের আয়োজন করা হয়। হাসপাতালে এমন আনন্দ হবে আমরা ভাবতেই পারিনি।

 

“অনেক আগে থেকেই বিয়ের দিন আর সময় ঠিক থাকায় তারিখ পরিবর্তন করিনি। নির্ধারিত তারিখেই বিয়ের আয়োজন সেরে নিয়েছি।”

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর