1. admin@dailyajkerdurnity.com : admin :
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৩৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
গাজীপুরের কালিয়াকৈরে সরকারি কলেজের নব-নির্মিত ভবণের উদ্বোধন মাদকবিরোধী অভিযানে গাঁজা উদ্ধার, নারী আসামি গ্রেফতার* বরগুনার অভিযানে আমতলী থানা এলাকা থেকে ০২ (দুই) কেজি অবৈধ মাদকদ্রব্য গাঁজা সহ ০১ (এক) জন আসামী গ্রেফতার মিঠামইনে জমজমাট মিনি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে বগুড়া সদরে ০৯ জনকে গ্রেফতার ও  ভ্রাম্যমাণ আদালতে সাজা প্রদান বিশেষ কৌশলে ৩ কেজি গাঁজা পাচারকালে ০২ জন গ্রেফতার–ডিএনসি_বগুড়া জন্মদিনে সবার কাছে দোয়া চাইলেন মো. হাবিবুর রহমান ভূঁইয়া জগন্নাথপুর ভূমি অফিসে অনিয়মের অভিযোগ সরকারি ফি’র বাইরে টাকা আদায়ের অভিযোগ, সাংবাদিকদের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগ নায়েবের বিরুদ্ধে আশুলিয়ায় স্ত্রী-সন্তানকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ, রামদাসহ স্বামী আটক সাভারে পুলিশ হত্যাকারীকে গ্রেফতার

বাবা ছেলের সিন্ডিকেটে ১০ বছর চলেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

আজকের দুর্নীতি ডেস্ক:
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬
  • ৪০ বার পঠিত

সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামাল, তার ছেলে শাফি মোদাচ্ছের খান, সাবেক পিএস অতিরিক্ত সচিব হারুন অর রশিদ বিশ্বাস, যুগ্মসচিব ধনঞ্জয় কুমার দাস, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোল্লা ইব্রাহিম হোসেন, সহকারী একান্ত সচিব মনির হোসেন এবং জনসংযোগ কর্মকর্তা শরীফ মাহমুদ অপুসহ ৮ জনের ব্যাংক হিসাবের সব লেনদেনের তথ্য তলব করে বাংলাদেশ ব্যাংকের গোয়েন্দা ইউনিট বিএফআইইউতে চিঠি দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

 

 

 

গতবছরের ২১ আগস্ট দুদকের প্রধান কার্যালয়ের অনুসন্ধান কর্মকর্তা উপপরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম সই করা চিঠির সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। দুদকের ঊর্ধ্বতন একটি সূত্র সংবাদমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।চিঠিতে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে থাকা লেনদেনের সব তথ্য চাওয়া হয়। তার আগে একই বছরের ১৫ আগস্ট প্রধান কার্যালয় থেকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান সংস্থাটির উপ-পরিচালক (জনসংযোগ) মো. আকতারুল ইসলাম।

 

 

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই ঘুষ হিসেবে বস্তা বস্তা টাকা নিতেন। পুলিশ, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও ফায়ার সার্ভিস থেকে এই টাকা আদায় করা হতো। এজন্য তৎকালীন অতিরিক্ত সচিব ড. হারুন অর রশীদ বিশ্বাসের নেতৃত্বে সিন্ডিকেট গড়ে তোলেন। এই সিন্ডিকেটের অন্য সদস্যরা হলেন- যুগ্মসচিব ধনঞ্জয় কুমার দাস, মন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) মনির হোসেন, জনসংযোগ কর্মকর্তা শরীফ মাহমুদ অপু, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোল্লা ইব্রাহিম হোসেন।

 

 

 

টাকা আদায় বা উত্তোলনে মূল ভূমিকা পালন করতেন ড. হারুন অর রশীদ বিশ্বাস। হাজার হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন এই কামাল-হারুন সিন্ডিকেট। একপর্যায়ে হারুন অর রশীদ অবসরে গেলেও এই মন্ত্রণালয়ের সব ঘুষ, দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ করতেন তিনি। ঝুঁকি এড়াতে টাকাগুলো পাঠানো হয়েছে দেশের বাইরে।

 

 

অভিযোগ রয়েছে- জেলায় পুলিশ সুপার নিয়োগে সর্বনিম্ন ৮০ লাখ থেকে দুই কোটি টাকা পর্যন্ত নিতো এই চক্র। এই সিন্ডিকেটের আশীর্বাদ ছাড়া পুলিশের কেউ কোনো জেলায় বা গুরুত্বপূর্ণ পদে পদায়ন পেতেন না। জেলা পুলিশ সুপার হিসেবে পদায়নের ক্ষেত্রে এক থেকে তিন কোটি টাকা নিতো এই সিন্ডিকেট। ২০২২ সালের ৩০ জুন গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) কমিশনার হিসেবে নিয়োগ পান ডিআইজি মোল্ল্যা নজরুল ইসলাম। পাঁচ কোটি টাকার বিনিময়ে মোল্ল্যা নজরুলকে গাজীপুরের কমিশনার হিসেবে পদায়ন করা হয়। এর মাসখানেক আগে হারুন অর রশীদ বিশ্বাসের কাছে পাঁচ কোটি টাকার একটি চেক দেন মোল্ল্যা নজরুল।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর