1. admin@dailyajkerdurnity.com : admin :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:৫২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
মোহাম্মদ হারুন অর রশীদকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে মেট্রোরেলে অ”সু”স্থ হয়ে একটু বসার জায়গা চেয়েছিলেন একজন অধ্যাপক। কেউ দেয়নি। দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় স্ট্রোক করে মারা গেলেন। আইজিপির বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন সাংবাদিক সমাজ আশুলিয়ায় কোটি টাকা চাঁদা দাবী-ফ্যাক্টরী ও জমি দখল-সন্ত্রাসী হামলায় সাংবাদিকসহ আহত-২ মিঠামইনে দূর্গা পূজা উপলক্ষে নাটক মঞ্জস্ত ফ্যাক্টরি দখল নিতে গিয়ে আশুলিয়ায় সাংবাদিকের ওপর সন্ত্রাসী হামলা, তীব্র নিন্দা গাজীপুরের কাশিমপুরে বকেয়া বেতনের দাবিতে মেঘা ইয়ার্ন ডাইং মিলস লিমিটেডের শ্রমিকদের আন্দোলন ও ভাঙচুর। কাপাসিয়া সিংহশ্রীতে শারদীয় দুর্গোৎসব: ২টি পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শফিকুল ইসলাম বাহাদূর ও অ্যাড. জাকির হোসেন দেবীদ্বারে এমপি হাসনাত আব্দুল্লাহ: ‘পদত্যাগ সরকারের শর্ট-টার্ম প্যারাসিটামল থেরাপি’ সিংহশ্রী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী শফিকুল ইসলাম বাহাদুর সকলের সমর্থন ও দোয়া প্রত্যাশী

যুবক হত্যা মামলার আসামিরা অধরা, ন্যায়বিচার নিয়ে শঙ্কিত বাদী

আজকের দুর্নীতি ডেস্ক:
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৫
  • ২৩৯ বার পঠিত

​গাজীপুর প্রতিনিধি: শাহনাজ পারভীন

​গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের গাছা মেট্রো থানায় যুবক গাজী মাহদী হাসানকে (২৮) গলায় রশি পেঁচিয়ে মেরে ফ্যানের হুকের সাথে ঝুলিয়ে রাখে। ‘হত্যার’ ঘটনায় এক মাসেরও বেশি সময় পার হলেও প্রধান আসামিরা এখনও ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে। নিহতের বাবা মো. আরব আলীর দায়ের করা এজাহারে নাম থাকা মূল অভিযুক্তরা গ্রেপ্তার না হওয়ায়, বাদী পরিবার চরম উদ্বেগ ও হতাশার মধ্যে রয়েছে।

 

​গত ০৮/১০/২০২৫ তারিখে নিহতের বাবা মো. আরব আলী থানায় এজাহার দায়ের করেন, যেখানে নিহতের স্ত্রী নূর নাহার আক্তার নাদিয়া, শ্বাশুড়ি মোসাঃ পারভীন আক্তার-সহ মোট আটজন নামীয় ও অজ্ঞাত আরও ৬/৭ জনকে আসামি করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, পূর্ব-পরিকল্পিতভাবে গত ২০/০৯/২০২৫ ইং তারিখে যুবকটিকে হত্যা করে তার লাশ ফ্যানের হুকের সাথে ঝুলিয়ে রাখা হয়।

 

​নিহতের বাবা মো. আরব আলী জানান, এজাহারে নাম থাকা ১ নং আসামি বতর্মান স্ত্রী এবং ২ নং আসামি শ্বাশুড়ি প্রধান সন্দেহভাজন হওয়া সত্ত্বেও পুলিশ তাদের আটক করতে পারছে না। তিনি বলেন, “আমার একমাত্র ছেলেকে এমন নির্মমভাবে হত্যা করা হলো, অথচ এক মাস পরেও খুনিরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এতে করে আমরা ন্যায়বিচার পাওয়া নিয়ে শঙ্কিত।”

 

​তিনি আরও বলেন, আসামিরা প্রভাবশালী হওয়ায় তদন্ত কার্যক্রমে কোনো প্রকার প্রভাব খাটাচ্ছে কি না, সেই সন্দেহও তার মনে দানা বাঁধছে। দ্রুত আসামিদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার জন্য তিনি প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন।

 

​এ বিষয়ে গাছা মেট্রো থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানিয়েছেন, মামলাটির তদন্ত চলছে এবং আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য কোনো অগ্রগতি হয়নি। পুলিশ দ্রুততম সময়ের মধ্যে আসামিদের গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

 

​এদিকে, নিহতের পরিবার ও স্থানীয়রা দ্রুত এই চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার রহস্য উন্মোচন এবং জড়িতদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর