1. admin@dailyajkerdurnity.com : admin :
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:০৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
গাজীপুরের কালিয়াকৈরে সরকারি কলেজের নব-নির্মিত ভবণের উদ্বোধন মাদকবিরোধী অভিযানে গাঁজা উদ্ধার, নারী আসামি গ্রেফতার* বরগুনার অভিযানে আমতলী থানা এলাকা থেকে ০২ (দুই) কেজি অবৈধ মাদকদ্রব্য গাঁজা সহ ০১ (এক) জন আসামী গ্রেফতার মিঠামইনে জমজমাট মিনি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে বগুড়া সদরে ০৯ জনকে গ্রেফতার ও  ভ্রাম্যমাণ আদালতে সাজা প্রদান বিশেষ কৌশলে ৩ কেজি গাঁজা পাচারকালে ০২ জন গ্রেফতার–ডিএনসি_বগুড়া জন্মদিনে সবার কাছে দোয়া চাইলেন মো. হাবিবুর রহমান ভূঁইয়া জগন্নাথপুর ভূমি অফিসে অনিয়মের অভিযোগ সরকারি ফি’র বাইরে টাকা আদায়ের অভিযোগ, সাংবাদিকদের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগ নায়েবের বিরুদ্ধে আশুলিয়ায় স্ত্রী-সন্তানকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ, রামদাসহ স্বামী আটক সাভারে পুলিশ হত্যাকারীকে গ্রেফতার

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক যুগ্মসচিবের মাত্র ৬৯ দিনে ছয় দেশ সফর 

আজকের দুর্নীতি ডেস্ক:
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬
  • ৫৩ বার পঠিত

 

অভিযোগের তীর বিসিএস (প্রশাসন) ২৪তম ব্যাচের কর্মকর্তা রেবেকা খানের দিকে। তিনি বর্তমানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক-১ অধিশাখা ও সীমান্ত শাখার দায়িত্বে রয়েছেন। বিভিন্ন সরকারি আদেশ (জিও) অনুযায়ী গত মে থেকে জুলাইয়ের মধ্যে তিনি ভারত, চীন, অস্ট্রিয়া, তুরস্ক, মালদ্বীপ ও থাইল্যান্ড সফরের অনুমোদন পান। এসব সফরের উদ্দেশ্য ছিল সীমান্ত নিরাপত্তা, মানবপাচার প্রতিরোধ, আন্তর্জাতিক আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সহযোগিতা, ডিজিটাল আলামত সংগ্রহ এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা বিষয়ক বৈঠকে অংশগ্রহণ।

 

 

তবে বিষয়টি নিয়ে বিতর্কের কারণ অন্য জায়গায়। দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, উচ্চ মূল্যস্ফীতি এবং সরকারি ব্যয় কমানোর নীতির কারণে কয়েক বছর ধরেই সরকারি কর্মকর্তাদের অপ্রয়োজনীয় বিদেশ সফরে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। এমন বাস্তবতায় অল্প সময়ের মধ্যে একাধিক বিদেশ সফর নিয়ে মন্ত্রণালয়ের ভেতরেও আলোচনা চলছে বলে একাধিক সূত্রের দাবি।অন্যদিকে রেবেকা খান অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তার ভাষ্য, সব সফরই যথাযথ অনুমোদন নিয়ে রাষ্ট্রীয় প্রয়োজনে হয়েছে। তিনি জানান, প্রকাশিত ছয়টি জিওর মধ্যে দুটি পরে বাতিল করে অন্য কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। তার দাবি, তিনি মূলত বিজিবির সঙ্গে ভারত সফর এবং বিমসটেক বৈঠকে থাইল্যান্ড সফর করেছেন, যেখানে বাংলাদেশের পক্ষে আনুষ্ঠানিক উপস্থাপনাও করেছেন।

 

 

সরকারি নথি অনুযায়ী যেসব সফরের তথ্য এসেছে, তার মধ্যে রয়েছে:চীন: বিজিবি প্রতিনিধি দলের সদস্য হিসেবে একটি আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী ও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ।ভারত: বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত সমন্বয় বিষয়ক মহাপরিচালক পর্যায়ের সম্মেলন।অস্ট্রিয়া: জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধ বিষয়ক দপ্তর (UNODC) আয়োজিত মানবপাচার প্রতিরোধ বিষয়ক বৈঠক।তুরস্ক: বুদাপেস্ট প্রক্রিয়ার অধীনে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সমন্বয় সভা।মালদ্বীপ: ডিজিটাল আলামত সংগ্রহ ও পারস্পরিক আইনি সহায়তা বিষয়ে আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ।থাইল্যান্ড: বিমসটেকের মানবপাচারবিষয়ক সাব-গ্রুপের চতুর্থ বৈঠক।এদিকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী এ বিষয়ে ফোনে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।এখন প্রশ্ন উঠছে, এসব সফরের প্রতিটি কি রাষ্ট্রীয় প্রয়োজনেই ছিল, নাকি এর মধ্যে কিছু সফর এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব ছিল? আবার অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা ও মানবপাচারবিরোধী সহযোগিতার মতো বিষয়গুলোতে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বও প্রয়োজনীয়।

 

 

এই বিতর্কের চূড়ান্ত উত্তর মিলবে কেবল সফরগুলোর ব্যয়, ফলাফল এবং সরকারি মূল্যায়ন প্রকাশের মাধ্যমে। স্বচ্ছতা থাকলে বিতর্কও অনেকটাই কমে আসবে। তথ্যসূত্র CZN24।আপনার মতে, সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ সফরের ক্ষেত্রে আরও কঠোর জবাবদিহি ও সফর-পরবর্তী প্রতিবেদন প্রকাশ বাধ্যতামূলক করা উচিত কি?

 

 

 

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর