1. admin@dailyajkerdurnity.com : admin :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:০৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
মোহাম্মদ হারুন অর রশীদকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে মেট্রোরেলে অ”সু”স্থ হয়ে একটু বসার জায়গা চেয়েছিলেন একজন অধ্যাপক। কেউ দেয়নি। দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় স্ট্রোক করে মারা গেলেন। আইজিপির বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন সাংবাদিক সমাজ আশুলিয়ায় কোটি টাকা চাঁদা দাবী-ফ্যাক্টরী ও জমি দখল-সন্ত্রাসী হামলায় সাংবাদিকসহ আহত-২ মিঠামইনে দূর্গা পূজা উপলক্ষে নাটক মঞ্জস্ত ফ্যাক্টরি দখল নিতে গিয়ে আশুলিয়ায় সাংবাদিকের ওপর সন্ত্রাসী হামলা, তীব্র নিন্দা গাজীপুরের কাশিমপুরে বকেয়া বেতনের দাবিতে মেঘা ইয়ার্ন ডাইং মিলস লিমিটেডের শ্রমিকদের আন্দোলন ও ভাঙচুর। কাপাসিয়া সিংহশ্রীতে শারদীয় দুর্গোৎসব: ২টি পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শফিকুল ইসলাম বাহাদূর ও অ্যাড. জাকির হোসেন দেবীদ্বারে এমপি হাসনাত আব্দুল্লাহ: ‘পদত্যাগ সরকারের শর্ট-টার্ম প্যারাসিটামল থেরাপি’ সিংহশ্রী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী শফিকুল ইসলাম বাহাদুর সকলের সমর্থন ও দোয়া প্রত্যাশী

সাভার হাইওয়ে থানায় আটক অটোরিকশা মামলা ছাড়াই টাকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ এসআই হাসেমের বিরুদ্ধে

আজকের দুর্নীতি ডেস্ক:
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ১৪১ বার পঠিত

সাভার প্রতিনিধিঃ

ঢাকার সাভার হাইওয়ে থানার এসআই হাসেমের বিরুদ্ধে গুরুতর দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে জানা গেছে, নিয়মিত অভিযানে আটক করা অটোরিকশাগুলো মামলা না করেই টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। এ কাজে এসআই হাসেমের সহযোগী হিসেবে কাজ করছে রতন নামে একজন ব্যক্তি।

আজ সোমবার (২২/০৯/২৫) সাভার হাইওয়ে পুলিশের একটি অভিযানে বেশ কয়েকটি অবৈধ অটোরিকশা আটক করা হয়। কিন্তু আটককৃত গাড়িগুলোর বিরুদ্ধে আইনানুগ কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে অভিযোগ রয়েছে, এসআই হাসেমের নির্দেশে রতনের মাধ্যমে টাকা নিয়ে গাড়ি ছাড়িয়ে দেওয়া হয়।

মো. মসসিন নামের এক অটোরিকশা চালক বলেন, “এসআই হাসেম আমাকে বলেন মামলা দিলে ২ হাজার ৬০০ টাকা জরিমানা দিতে হবে, আর মামলা না নিলে রতনের কাছে ১ হাজার টাকা দিয়ে গাড়ি নিয়ে যেতে পারি। পরে আমি রতনের কাছে নগদ ৫০০ টাকা ও বিকাশ নম্বরে ৫০০ টাকা পাঠিয়ে গাড়ি ছাড়িয়ে আনি।”

এ বিষয়ে এসআই হাসেম বা সাভার হাইওয়ে থানার কোনো কর্মকর্তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয় পরিবহন শ্রমিকরা জানান, এর আগেও একই ধরনের অভিযোগ বহুবার উঠেছে।

আইনজীবীরা বলছেন, আটককৃত যানবাহন মামলা ছাড়া টাকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া স্পষ্ট দুর্নীতি এবং দণ্ডনীয় অপরাধ। এ বিষয়ে দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

ঘটনাটি স্থানীয় পরিবহন চালক ও সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। এখন দেখার বিষয়, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই অভিযোগের বিষয়ে কী পদক্ষেপ গ্রহণ করে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর