1. admin@dailyajkerdurnity.com : admin :
শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:০৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ডিবির বিরুদ্ধে স্বর্ণ চুরি ও ঘুষের মিথ্যা অভিযোগ; অনুসন্ধানে মিলল ভিন্ন চিত্র এক আলোকিত জনপ্রতিনিধি-গোপদীঘি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সফল চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট শরফুদ্দীন ভূঁইয়া সবুজ ফিরে পেলো আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের লাইসেন্স কিশোরগঞ্জে জমি-সংক্রান্ত বিরোধে হামলা, আহত ১ সংসদের সাউন্ড সিস্টেম প্রতিস্থাপনে উচ্চ পর্যায়ের সভায় প্রধানমন্ত্রী মায়ের দান করা স্কুলে সভাপতি নির্বাচিত ছেলে খায়রুল আলম খান,পিএসসি বৃত্তিতে উপজেলায় শ্রেষ্ঠ উত্তর গোপদীঘি সপ্রাবি গোপদিঘীর সেই সন্ধ্যা –কবি খাইরুল আলম খান উদ্ধার অভিযানে গিয়ে নিজের সন্তানের লাশ পেলেন পুলিশ সদস্য যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে তারেক রহমানের অভিনন্দন গুম ও বিচারবহির্ভূত খুনকে প্রশ্রয় দেবে না সরকার : ডা. জাহেদ

ঝিনাইদহ পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ 

আজকের দুর্নীতি ডেস্ক:
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৮২৮ বার পঠিত

জয়নাল আবেদীন যশোরী।

এল জি ই ডির ঝিনইদহ পৌরসভা নির্বাহী প্রকৌশলী কামাল উদ্দিন। এক যুগেরও বেশি সময় ধরে একই জায়গায় আছেন তিনি। যার সুবাদে নিজের ইচ্ছে খুশি মতো অনিয়ম দুর্নীতির মাধ্যমে। কোটি কোটি টাকা লুটপাট করে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। এদিকে নির্বাহী প্রকৌশলী কামাল উদ্দিন এর বিরুদ্ধে। গত ৫/১০/২৫ তারিখে ঝিনাইদহ পৌরসভার রাস্তা ও ড্রেনেজ নির্মাণ কাজের ট্রেন্ডার কারসাজির অভিযোগ দূর্নীতি দমন কমিশন দুদকে।

ঝিনাইদহ পৌরসভায় এলজিইডি-র আরইউটিডিপি প্রজেক্টের টেন্ডার যার আইডি নং: ১১৩৩৫৩৯,। ২০ কোটি টাকার টেন্ডার কারসাজি করে ১৩/১৪ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ কামাল উদ্দিন গংদের বিরুদ্ধে।

ঝিনাইদহ পৌরসভায় রাস্তা ও ড্রেনেজ নির্মাণ কাজে টেন্ডার কারসাজির সাথে জড়িত , নির্বাহী প্রকৌশলী কামাল উদ্দিন। নিজের খিয়াল খুশি মতো অনিয়ম, দূর্নীতি করে আখের ঘুছিয়েন তিনি।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের আরইউটিডিপি প্রকল্পের আওতায় গত পহেলা সেপ্টেম্বর।
প্রায় ২০ কোটি টাকার টেন্ডারে তিনটি পুরোনো পাকা রাস্তা যেখানে ৮ ইঞ্চি বালি, ৮ ইঞ্চি সাববেজ ও ৮ ইঞ্চি ম্যাকাডম অর্থাৎ ২৪ ইঞ্চি পাকা রাস্তা। রাস্তাগুলো তে কোটি কোটি টাকার স্যালভেজ রয়েছে অথচ সেই সব স্যালভ্যাজ টেন্ডার স্টিমেট থেকে মূল্য বাদ দেওয়া হয় নাই। ফলে রাষ্ট্রের কোটি কোটি টাকা তসরুফ হয়েছে। কাগজপত্রে নানাবিধ গড়মিল আইটেম দেখিয়ে টাকা আত্মসাতের নীলনকশা করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া যায় । পৌরসভার ভাষা সৈনিক মুসা মিয়া সড়ক, নতুন হাটখোলা সড়ক ও মহিলা কলেজ সংলগ্ন প্রিন্সিপ্যাল করিমুদ্দিন সড়ক। বহু বছর আগে নির্মিত পাকা রাস্তা, সেসব রাস্তায় রয়েছে কোটি কোটি টাকার ইট বালি ও খোয়া মিশ্রিত স্যালভেজ। যা উপেক্ষা করা হয়েছে টেন্ডারটিতে।

ভাষা সৈনিক মুসা মিয়া সড়ক টি টেন্ডারে ২৫৩৭ মিটার দৈর্ঘ্য দেখানো হয়েছে। কিন্তু অধিকাংশ রাস্তাতেই ২০ ইঞ্চির উপরে স্যালভ্যাজ রয়েছে। যার মূল্য টেন্ডার থেকে বাদ দেওয়া হয় নাই। সড়কটিতে দেখানো হয়েছে ৩৭টি বৈদ্যুতিক খুঁটি। যার প্রতিটি খুঁটি সরাতে ৪২ হাজার টাকা খরচ দেখানো হয়েছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় কোনো খুঁটিই সরানোর প্রয়োজন নাই। তবুও খুঁটি সরানো বাবদ প্রায় ১৫ লাখ টাকার ভুয়া খরচ যোগ করা হয়েছে। রিপিয়ারিং যোগ্য রাস্তাটি নির্মানে খরচ দেখানো হয়েছে ৩ কোটি ৭৩ লক্ষ টাকা।

নতুন হাটখোলা সড়কে আরসিসি রাস্তা করার কথা বলা হয়েছে, টেন্ডার স্টিমেটে। স্যান্ডফিলিং, সাববেজ এবং ম্যাকাডম করে তার উপরে আরসিসি ঢালাই দিতে হবে। অথচ সেখানে কয়েকদিন আগের নির্মিত ৮ ইঞ্চি বালি ৮ ইঞ্চি সাববেজ ও ৮ ইঞ্চি মেকাডম মোট ২৪ ইঞ্চির রাস্তা দেখা যায়। কিন্তু স্যালভেজ হিসেবে মূল্য ধরে টেন্ডার থেকে বাদ না দিয়ে। দুর্নীতির মাধ্যমে সরকারি টাকা আত্মসাৎ করার পরিকল্পিত পরিকল্পনা করে টেন্ডার করেছেন নির্বাহী কামাল উদ্দিন ও তার সহযোগীরা। শুধু তাই নয় মাত্র ৯৫১ মিটার রাস্তাটি করতে খরচ দেখানো হয়েছে ৩ কোটি ৯২ লাখ টাকা। এই রাস্তা থেকে একটিও কারেন্টের খুঁটি সরানোর প্রয়োজন নেই তবুও সেখানে ২৫ টি বিদ্যুৎ পোল সরানো বাবদ ভুয়া খরচ দেখানো হয়েছে প্রায় ১১ লাখ টাকা।

প্রিন্সিপ্যাল করিমুদ্দিন সড়কেও একই কৌশলে কোটি কোটি টাকা গায়েব করা হয়েছে। ২৭টি খুঁটি সরানোর নামে ভুয়া বিল ধরা হয়েছে ১৬ লাখ টাকার মতন, ১২৭০ মিটার পুরাতন রাস্তা সংস্কার কাজে টাকা ধরা হয়েছে ৩ কোটি ৭৩ লাখ টাকা। যেখানে লক্ষ লক্ষ টাকার সেলভেজ গায়েব করে রাস্ট্রের টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে।
এদিকে করিমুদ্দিন রাস্তার পাশ দিয়ে মাত্র ১২৭০ মিটার ড্রেন করতে খরচ দেখানো হয়েছে ৪ চার থেকে ৫ কোটি টাকার কিছু বেশি। যদিও রাস্তার পাশে বহু পুরাতন ড্রেন রয়েছে ।

ঝিনাইদহ পৌরসভা থেকে নবগংগা নদী পর্যন্ত ১৩০০ মিটার ড্রেন দেখানো হয়েছে। সরেজমিনে অনুসন্ধান করে দেখা যায় পুরোনো ড্রেন। রাস্তার দুপাশেই রয়েছে যা অনেকটায় ভাল আছে। কিছু কিছু জায়গাতে সংস্কার করলেই হয়, টেন্ডারে উল্লেখ করা হয়েছে ইফেক্টিভ ওয়ার্ক। অর্থাৎ প্রযোজনীয় সংস্করণ, মানে ড্রেনগুলো শুধু জায়গায় জায়গায় সংস্কার করলেই হবে।তবে এই ১৩০০ মিটার পুরাতন ড্রেন সংস্থার বা নির্মান খরচ দেখানো হয়েছে ৫ কোটি টাকার মতন।

এদিকে রাস্তায় কিছু লাইটিং এর কাজ দেখিয়ে কোটি কোটি টাকার বিল ধরা হযেছে যা অতিমাত্রায় ।

এতো ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে স্টিমেট করেছেন যে পুরোটাই দূর্নীতির মাধ্যে লোপাট করে নিজের পকেট ভরা। এই দূর্নীতিবাজ কামাল উদ্দিন এর খুঁটির জোর কোথায়?।
এই টেন্ডারে অংশগ্রহণ করেছেন মোট ১৯ জন ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। আর এরই মধ্যে রয়েছে নির্বাহী প্রকৌশলী কামাল উদ্দিন এর পছন্দের বা কাছের মানুষ। যাকে দিয়ে সরকারি টাকা সহজে নিজের পকেট ভরা যায়। তবে তিনটি সড়কে বিদ্যমান সম্ভাব্য ৫ কোট টাকার স্যালভেজ রয়েছে,কাজের বিবরণ হলো। ড্রেনেজ ২৫৩৭ মিটার এবং রাস্তা ৪৬০৮ মিটার মোট ৭১৪৫ মিটার কাজ। এই কাজ করতে ১৯ কোটি ৫০ লাখ টাকার স্টিমেট করা হয়েছে। সাথে রাস্তার স্যালভেজের টাকা যোগ হলে প্রায় ২৪/২৫ কোটি টাকার স্টিমেট হবে। তবে স্টিমেট থেকে রাস্তার স্যালভেজের টাকা বাদ দেওয়া হয় নাই। এই কাজে অংশ গ্রহণ কারী
এস এম শহিদুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন বর্তমান ইজিবি সিস্টেম ট্রেন্ডার। সেখানেও কারসাজি করে নির্বাহী প্রকৌশলী কালাম উদ্দিন। দূর্নীতির মাধ্যমে নিজের পছন্দের ঠিকাদারের সাথে যোগসাজশে ঝিনাইদহ পৌরসভা এল, জি,ই ডি দূর্নীতির স্বর্গরাজ্য গড়ে তুলেছে । মুঠো ফোনে এ বিষয়ে জানতে চাইলে নির্বাহী প্রকৌশলী কামাল উদ্দিন বলেন। আমি অসুস্থ পরে কথা বলেন। তার একটু পরেই একটা ম্যাসেজ দেন sick.।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর