1. admin@dailyajkerdurnity.com : admin :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:২৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
মোহাম্মদ হারুন অর রশীদকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে মেট্রোরেলে অ”সু”স্থ হয়ে একটু বসার জায়গা চেয়েছিলেন একজন অধ্যাপক। কেউ দেয়নি। দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় স্ট্রোক করে মারা গেলেন। আইজিপির বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন সাংবাদিক সমাজ আশুলিয়ায় কোটি টাকা চাঁদা দাবী-ফ্যাক্টরী ও জমি দখল-সন্ত্রাসী হামলায় সাংবাদিকসহ আহত-২ মিঠামইনে দূর্গা পূজা উপলক্ষে নাটক মঞ্জস্ত ফ্যাক্টরি দখল নিতে গিয়ে আশুলিয়ায় সাংবাদিকের ওপর সন্ত্রাসী হামলা, তীব্র নিন্দা গাজীপুরের কাশিমপুরে বকেয়া বেতনের দাবিতে মেঘা ইয়ার্ন ডাইং মিলস লিমিটেডের শ্রমিকদের আন্দোলন ও ভাঙচুর। কাপাসিয়া সিংহশ্রীতে শারদীয় দুর্গোৎসব: ২টি পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শফিকুল ইসলাম বাহাদূর ও অ্যাড. জাকির হোসেন দেবীদ্বারে এমপি হাসনাত আব্দুল্লাহ: ‘পদত্যাগ সরকারের শর্ট-টার্ম প্যারাসিটামল থেরাপি’ সিংহশ্রী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী শফিকুল ইসলাম বাহাদুর সকলের সমর্থন ও দোয়া প্রত্যাশী

দেশকে অস্থিতিশীল করতে মাঠে নেমেছে ভয়ংকর অপরাধী চক্র

আজকের দুর্নীতি ডেস্ক:
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১১ জুন, ২০২৫
  • ২৭১ বার পঠিত

মোঃ এনামুল হক আবির  প্রতিনিধি 

২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে পতনের পর দেশের সাবেক স্বৈরশাসক শেখ হাসিনা ও তার মন্ত্রী পরিষদের অধিকাংশ সদস্য দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেলেও, তাদের অনুসারীদের একটি বড় অংশ আবারও সক্রিয় হয়ে উঠেছে। 

বিভিন্ন অনুসন্ধানী মুলক তথ্যের সূত্র অনুযায়ী, এই ভয়ংকর চক্র এখন দেশের আইন-শৃঙ্খলা ভেঙে অরাজকতা ছড়ানোর লক্ষ্যে সংঘবদ্ধভাবে মাঠে নেমেছে।

একটি বিশ্বস্ত সুত্র থেকে পাওয়া সংবাদের ভিত্তিতে জানা গেছে, বর্তমান শতকরা ৯০ শতাংশ সাবেক সরকারপন্থী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ছত্রছায়ায় ফিরে এসে দেশব্যাপী ছিনতাই, ডাকাতি, ধর্ষণ, গণধর্ষণ ও সহিংসতা চালাচ্ছে। 

বিভিন্ন গনমাধ্যমের তথ্য অনুসন্ধানী মুলক প্রতিবেদনে এমন কর্মকাণ্ডের ভয়াবহতা উঠে এসেছে,এমনকি তাদের শক্তির মুল উৎসই হলো তাদের হাতে থেকে যাওয়া বিপুল পরিমান অবৈধ অর্থ।

একটি বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, দলীয়ভাবে গঠিত একটি কেন্দ্রীয় কমান্ডের পক্ষ থেকে তৃণমূল পর্যায়ের সাবেক কর্মীদের স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, “যে করেই হোক ইউনুস সরকারের পতন নিশ্চিত করতে হবে।” এ লক্ষ্যে দেশব্যাপী একাধিক গোপন বৈঠক, অর্থায়ন এবং অস্ত্র সরবরাহের মতো কর্মকাণ্ড চালানো হচ্ছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই চক্রের মূল উদ্দেশ্য হলো দেশকে আন্তর্জাতিকভাবে অকার্যকর ও অপরাধপ্রবণ রাষ্ট্র হিসেবে উপস্থাপন করা, যাতে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

সচেতন নাগরিক সমাজ ও নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে না আনলে দেশের সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে পড়তে পারে। তারা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন যেন নিরপেক্ষ ও কড়া অবস্থানে থেকে এই ধরনের চক্রের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে এক সিনিয়র গোয়েন্দা কর্মকর্তা বলেন আমরা সব ধরনের তথ্য পর্যবেক্ষণ করছি। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না দেশকে অস্থিতিশীল করার যেকোনো অপচেষ্টা কঠোর হাতে দমন করা হবে।

বর্তমানে দেশের বিভিন্ন জেলায় ছিনতাই ডাকাতি ও সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে একাধিক চক্রকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব ও পুলিশ তবে সূত্র বলছে মূল্য পরিকল্পনাকারীরা এখনো অধরা।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর