1. admin@dailyajkerdurnity.com : admin :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:২০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
মোহাম্মদ হারুন অর রশীদকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে মেট্রোরেলে অ”সু”স্থ হয়ে একটু বসার জায়গা চেয়েছিলেন একজন অধ্যাপক। কেউ দেয়নি। দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় স্ট্রোক করে মারা গেলেন। আইজিপির বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন সাংবাদিক সমাজ আশুলিয়ায় কোটি টাকা চাঁদা দাবী-ফ্যাক্টরী ও জমি দখল-সন্ত্রাসী হামলায় সাংবাদিকসহ আহত-২ মিঠামইনে দূর্গা পূজা উপলক্ষে নাটক মঞ্জস্ত ফ্যাক্টরি দখল নিতে গিয়ে আশুলিয়ায় সাংবাদিকের ওপর সন্ত্রাসী হামলা, তীব্র নিন্দা গাজীপুরের কাশিমপুরে বকেয়া বেতনের দাবিতে মেঘা ইয়ার্ন ডাইং মিলস লিমিটেডের শ্রমিকদের আন্দোলন ও ভাঙচুর। কাপাসিয়া সিংহশ্রীতে শারদীয় দুর্গোৎসব: ২টি পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শফিকুল ইসলাম বাহাদূর ও অ্যাড. জাকির হোসেন দেবীদ্বারে এমপি হাসনাত আব্দুল্লাহ: ‘পদত্যাগ সরকারের শর্ট-টার্ম প্যারাসিটামল থেরাপি’ সিংহশ্রী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী শফিকুল ইসলাম বাহাদুর সকলের সমর্থন ও দোয়া প্রত্যাশী

ধনাইখালী নদীর ভাঙনে হুমকিতে দশ গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ

আজকের দুর্নীতি ডেস্ক:
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬
  • ১৯৭ বার পঠিত

 

বারহাট্টা (নেত্রকোণা) প্রতিনিধি: নদীর নাম ধনাইখালী।এই নদীর ভাঙনে অসহায় নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলার সাহতা ইউনিয়নের দশ গ্রামের মানুষ। সাহতা নয়াপাড়া জামে মসজিদের কাছে বিশাল ভাগনের সৃষ্টি হচ্ছে । খরস্রোতা ধনাইখালী নদীর তীব্র পানি প্রবাহের কারণে আতঙ্ক আরো বাড়ছে। ভাঙন রক্ষায় ব্যবস্থা না নিলে যে কোনো মুহূর্তে ঐ সব এলাকার ১০টি গ্রাম পানিতে তলিয়ে যেতে পারে বলে দাবি করেন স্থাণীয়রা।

মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,সাহতা,সাবানিয়া,মধুপুর,নল্লা,বোয়ালজানা,জয়ডহর,ঘোড়াডহর ও পার্শবর্তী আমতলা ইউনিয়নের সহ বেশ কয়েকটি গ্রামের লোকজন আতঙ্কিত হয়ে ভাঙনস্থলে নিজেরাই বাঁধ দেওয়ার চেষ্টা করছেন। ফসলি জমি, ভিটে-বাড়িসহ স্থাপনা রক্ষায় তাদের নিজেদের এই প্রচেষ্টা । ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থার মধ্যে নদী ভাঙন থেকে যারা নিজেদের টিকিয়ে রাখতে পারছেন দ্রুত সরকারি সহযোগিতা না আসলে তারাও হয়তো ভাঙনের কবলে বিলীন হয়ে যাবে।

ভাঙন আতঙ্কে ঐ এলাকার কয়েকজন কৃষক জানান পূর্বে কয়েক বার ভাঙনে তাদের ভিটে-বাড়ি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। তাই নতুন করে বড় ভাঙনের কবলে পরে তারা আর ভিটেমাটি হারাতে চান না।

সাহতা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান মাজু জানান, সাহতা নয়াপাড়া জামে মসজিদের সামনে যদি নদীটা ভেঙে যায় তাহলে ১০ টি গ্রাম তলিয়ে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।এমনকি ক্ষয়ক্ষতি পার্শ্ববর্তী নেত্রকোণা সদরের আমতলা ইউনিয়ন পর্যন্ত গিয়ে ঠেকবে।তিনি আরও বলেন, ১০ টি গ্রামের অনেক মানুষ বসতভিটা হারাবে। এজন্য সরকারারে কাছে দাবি করেন যাতে স্থায়ী ভাবে ভাঙন অংশে একটি বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হয়।

নেত্রকোণা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ধনাইখালী নদীর সাহতা অংশে বেশ কয়েকটা স্থানে বেশি ভাঙন হচ্ছে। আমরা এটা নিয়ে কাজ করছি। দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর