1. admin@dailyajkerdurnity.com : admin :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:৩০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
মোহাম্মদ হারুন অর রশীদকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে মেট্রোরেলে অ”সু”স্থ হয়ে একটু বসার জায়গা চেয়েছিলেন একজন অধ্যাপক। কেউ দেয়নি। দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় স্ট্রোক করে মারা গেলেন। আইজিপির বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন সাংবাদিক সমাজ আশুলিয়ায় কোটি টাকা চাঁদা দাবী-ফ্যাক্টরী ও জমি দখল-সন্ত্রাসী হামলায় সাংবাদিকসহ আহত-২ মিঠামইনে দূর্গা পূজা উপলক্ষে নাটক মঞ্জস্ত ফ্যাক্টরি দখল নিতে গিয়ে আশুলিয়ায় সাংবাদিকের ওপর সন্ত্রাসী হামলা, তীব্র নিন্দা গাজীপুরের কাশিমপুরে বকেয়া বেতনের দাবিতে মেঘা ইয়ার্ন ডাইং মিলস লিমিটেডের শ্রমিকদের আন্দোলন ও ভাঙচুর। কাপাসিয়া সিংহশ্রীতে শারদীয় দুর্গোৎসব: ২টি পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শফিকুল ইসলাম বাহাদূর ও অ্যাড. জাকির হোসেন দেবীদ্বারে এমপি হাসনাত আব্দুল্লাহ: ‘পদত্যাগ সরকারের শর্ট-টার্ম প্যারাসিটামল থেরাপি’ সিংহশ্রী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী শফিকুল ইসলাম বাহাদুর সকলের সমর্থন ও দোয়া প্রত্যাশী

অনুমোদন ছাড়াই শিশু খাদ্য উৎপাদনের অভিযোগ;বিশেষ ব্যক্তির অনুমতি ছাড়া সাংবাদিক প্রবেশ নিষেধ,

আজকের দুর্নীতি ডেস্ক:
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬
  • ৭১ বার পঠিত

 

ইমরান খাঁন ঢাকা জেলা:
ঢাকার আশুলিয়ার কাঠগড়া। উত্তরপাড়া এলাকায় ‘কাউ বয় ফুডস কোম্পানী লিমিটেড’ নামে একটি প্রতিষ্ঠানে প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও কাগজপত্র ছাড়াই শিশু খাদ্য উৎপাদন এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটিতে শিশু শ্রমিক দিয়ে কাজ করানোর অভিযোগও পাওয়া গেছে। এসব অভিযোগের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ ও কারখানার পরিবেশ সরেজমিনে দেখতে গেলে সাংবাদিকদের প্রবেশে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

 

 

এ সময় প্রতিষ্ঠানের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ আরিফুল ইসলাম সোহাগ জানান, আশুলিয়া প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব ও সাংবাদিক সোহেল রানার সঙ্গে যোগাযোগের পর কারখানায় প্রবেশের সুযোগ দেওয়া হবে। সাংবাদিকদের সঙ্গে কথোপকথনের সময় আরিফুল ইসলাম সোহাগ বলেন, এর আগে সোহেল রানা ওই প্রতিষ্ঠানে এসেছিলেন। তার সঙ্গে যোগাযোগ করার পরই কারখানায় প্রবেশের সুযোগ পাওয়া যাবে।এ ঘটনায় প্রশ্ন উঠেছে, একটি বেসরকারি খাদ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানে সাংবাদিকদের তথ্য সংগ্রহ ও সরেজমিনে যাওয়ার বিষয়টি কেন অন্য একজন পরিচয়ধারী সাংবাদিকের অনুমতির ওপর নির্ভর করবে। একই সঙ্গে সোহেল রানা আশুলিয়া প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব হিসেবে যে পরিচয় দেন। পরে খবর নিয়ে জানা যায় পরিচয়ধারী সাংবাদিক সোহেল সে আশুলিয়া প্রেস ক্লাবের সদস্য নয়।

 

 

স্থানীয় কয়েকজনের অভিযোগ, সোহেল রানা প্রতিষ্ঠানটির কর্তৃপক্ষকে বলে গেছেন—তার সঙ্গে যোগাযোগ ছাড়া অন্য কোনো সাংবাদিক যেন কারখানায় না আসেন। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে সোহেল রানার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।এদিকে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে শিশু খাদ্য উৎপাদনের বৈধতা, প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও কাগজপত্র এবং উৎপাদন পরিবেশ নিয়ে অভিযোগ উঠলেও এসব অভিযোগের বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির মালিকপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে এ ঘটনায় শুধু কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ আরিফুল ইসলাম সোহাগের বক্তব্য পাওয়া গেছে।

 

 

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ‘CowBoy Foods Co., Ltd.’-এ কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ হিসেবে আরিফুল ইসলাম সোহাগ দায়িত্ব পালন করছেন। তবে প্রতিষ্ঠানটির শিশু খাদ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় সরকারি অনুমোদন, লাইসেন্স ও সংশ্লিষ্ট সনদ রয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, বস ভালো বলতে পারবেন, তিনি অফিসে আসলে আপনাদের জানানো হবে। পরে এবিষয়ে জানতে তাকে বারবার ফোন করেও তাকে পাওয়া যায়নি।সরেজমিনে ধারণ করা ভিডিওচিত্রে প্রতিষ্ঠানটির নাম-সংবলিত সাইনবোর্ড ও কারখানার প্রবেশপথ দেখা যায়। একই ভিডিওতে সাংবাদিকের সঙ্গে আরিফুল ইসলাম সোহাগের কথোপকথনও রয়েছে, যেখানে তিনি সোহেল রানার সঙ্গে যোগাযোগের বিষয়টি উল্লেখ করেন।

 

 

অন্যদিকে স্থানীয় কয়েকজন দাবি করেন, সোহেল রানা কিছুদিন আগেও আশুলিয়ার জামগড়া ও নরসিংপুর এলাকায় প্রাইভেটকার চালানোর প্রশিক্ষক হিসেবে কাজ করতো। বর্তমানে সে আশুলিয়ার নরসিংহপুর এলাকায় থেকে সাংবাদিক পরিচয়ে বিভিন্ন স্থানে নানা অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে।শিশু খাদ্য উৎপাদনের মতো সংবেদনশীল বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন, উৎপাদন পরিবেশ, খাদ্য নিরাপত্তা এবং শ্রমিকদের বয়সসংক্রান্ত বিষয়গুলো যথাযথভাবে যাচাই করা জরুরি বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন তারা।

 

 

আশুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা শ্যাম সুন্দর মন্ডল বলেন, কাউ বয় লিমিটেড কোম্পানি নামে কোন ট্রেড লাইসেন্স ইস্যু করা হয়নি।পরে ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের সাহাজুর রহমান নামে এক কর্মকর্তা সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ইউনিয়ন পরিষদের ট্রেড লাইসেন্স ছাড়া কোন ফায়ার লাইসেন্সের ছাড়পত্র দেওয়া হয় না।এরপরে পরিবেশ অধিদপ্তরের ঢাকা জেলার সহকারী পরিচালক মো: নাজমুল হোসেনের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, সম্ভবত কাউ বয় নামে কোন পরিবেশ ছাড়পত্র দেওয়া হয়নি।

 

 

এ বিষয়ে সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, “এ খবর আমরা পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে সত্যতা পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

 

 

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর