
সর্বশক্তিমান আল্লাহর প্রতি গভীর আস্থা ও বিশ্বাস এবং এদেশের দুস্থ,অসহায় ও শ্রমজীবী মানুষের প্রতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর যে অগাধ ভালোবাসা ও সহানুভূতি,তা আমাদের প্রতিদিনের চলাচলেই পরিলক্ষিত হয়।কোনো প্রকার বৈষম্য বা সামাজিক অসামঞ্জস্যকে তিনি কখনই প্রশ্রয় দেননি।তাঁর জনকল্যাণমুখী সিদ্ধান্তের ওপর ভিত্তি করেই আজ আমাদের এই দৃঢ় বিশ্বাস জন্মিয়েছে যে,সমাজের প্রান্তিক ও নিম্নআয়ের মানুষের মুখে হাসি ফোটানোই উনার মূল লক্ষ্য।
আমরা যারা ১১ থেকে ২০ গ্রেডের সাধারণ কর্মচারী রয়েছি,দিনশেষে আমরাও সরকারি সেবার মূল স্তম্ভ হিসেবে মাঠপর্যায়ে কাজ করে যাচ্ছি।বর্তমান জীবনযাত্রার ব্যয় এবং দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির সময়ে পরিমিত আয়ে সংসার চালানো ও পরিবারের মৌলিক চাহিদা পূরণ করা আমাদের জন্য অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আমাদের পূর্ণ ভরসা রয়েছে যে,কোনো ধরনের বৈষম্যকে তিনি এই সেবায় ঠাঁই পেতে দেবেন না।আমরা দৃঢ়ভাবে আশা ও বিশ্বাস করি,নবম জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে আমাদের মতো সাধারণ ও নিম্নগ্রেডের কর্মচারীদের আর্থিক সুরক্ষার কথা বিবেচনা করে সর্বনিম্ন মূল বেতন ২০,০০০ (বিশ হাজার) টাকা নির্ধারণপূর্বক এক বৈষম্যহীন ও যুগোপযোগী পে-স্কেল ঘোষণা করে আমাদের মুখে হাসি ফোটাবেন।