
দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার সর্বোচ্চ দায়িত্বে থাকা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সাম্প্রতিক এক বক্তব্যকে কেন্দ্র করে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন সচেতন নাগরিক ও সাংবাদিকসমাজ। তথ্য প্রদানকারীদের নিরাপত্তাহীনতায় ফেলে নিরপেক্ষ সংবাদ প্রকাশের বদলে ঢালাওভাবে সাংবাদিকদের নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করায় এই ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।অভিযোগ উঠেছে, মাঠপর্যায়ে পুলিশ বাহিনীর কিছু অসাধু সদস্য মাদকের বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতার (জিরো টলারেন্স) কথা বললেও বাস্তবে পরিস্থিতি ভিন্ন। স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি—সাধারণ মানুষ বা সাংবাদিকরা ঝুঁকি নিয়ে পুলিশকে মাদকের সুনির্দিষ্ট তথ্য ও অবস্থান প্রদান করলেও পুলিশ কার্যকর কোনো আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছে না।
বরং তথ্য পাওয়ার পর পুলিশ সদস্যরা মাদক কারবারিদের ডেরায় গিয়ে বিষয়টি গোপন লেনদেনে রূপান্তর করছেন। অভিযোগ রয়েছে, তথ্যদানকারীর নাম-পরিচয় একপ্রকার ফাঁস করে দিয়ে অসাধু পুলিশ সদস্যরা মাদক কারবারিদের থেকে মোটা অংকের মাসোহারা নিয়ে ফিরে আসেন। ফলে একদিকে যেমন মাদকের কারবার অবাধে চলছে, অন্যদিকে চরম নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়ছেন তথ্য প্রদানকারী ব্যক্তি ও সাংবাদিকরা।
সচেতন মহলের মতে, পুলিশের সর্বোচ্চ স্তর থেকে দায়িত্বশীল বক্তব্য ও মাদক নির্মূলে আন্তরিক পদক্ষেপ প্রত্যাশিত। তা না করে পেশাদার সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ঢালাও মন্তব্য করা এবং মাঠপর্যায়ে পুলিশের এমন অপকর্মের আশ্রয় নেওয়া অত্যন্ত নিন্দনীয় ও গর্হিত।