
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মুহম্মদ নাজিবুর রহমান গত ২৪ অক্টোবর শাহবাগ থেকে উত্তরা যাওয়ার পথে অ”সু”স্থ বো’ধ করেন। শেওড়াপাড়া স্টেশনের কাছাকাছি তিনি আশপাশের যাত্রীদের কাছে বসার জায়গা চান।
কেউ উঠে দাঁড়ায়নি। কেউ জায়গা ছাড়েনি। দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায়ই স্ট্রো**ক হয় তাঁর। মেট্রোর ভেতরেই নি**ভে যা’য় একজন শিক্ষকের জী**বন।ছেলে নাকিবুর রহমান বাবার মৃ/ত্যু/তে শো-*ক প্রকাশ করে ব’য়’স্কদের প্রতি স’হা’নু’ভূ’তির আহ্বান জানিয়েছেন। কাউকে দো”ষা”রো’প না করার অ”নুরো’ধও করেছেন।
কিন্তু সত্য তো সত্যই। একজন ব’য়স্ক মানুষ অ”সু’স্থ হয়ে বসার জায়গা চাইছেন, আর চারপাশের মানুষেরা চো’খ ফি”রিয়ে বসে আছেন।এটা কি শুধু একজনের মৃ//ত্যু? না। এটা একটা সমাজের নৈ”তিক দে’উ’লি’য়াত্বের প্র’মাণ।
আমরা কতটা নি**চে নেমে গেছি! একটুখানি মা”নবতা দেখানোর সা**হসও নে’ই আমাদের। মেট্রোর শী’তল বাতাসে দাঁ’ড়িয়ে একজন অধ্যাপকের জী**বন নি-*ভে যাওয়ার এই দৃ’শ্য আমাদের মু**খোশ খুলে দিয়েছে। ল**জ্জা হয় এই সমাজের মানুষ হয়ে।