1. admin@dailyajkerdurnity.com : admin :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:২৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
মোহাম্মদ হারুন অর রশীদকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে মেট্রোরেলে অ”সু”স্থ হয়ে একটু বসার জায়গা চেয়েছিলেন একজন অধ্যাপক। কেউ দেয়নি। দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় স্ট্রোক করে মারা গেলেন। আইজিপির বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন সাংবাদিক সমাজ আশুলিয়ায় কোটি টাকা চাঁদা দাবী-ফ্যাক্টরী ও জমি দখল-সন্ত্রাসী হামলায় সাংবাদিকসহ আহত-২ মিঠামইনে দূর্গা পূজা উপলক্ষে নাটক মঞ্জস্ত ফ্যাক্টরি দখল নিতে গিয়ে আশুলিয়ায় সাংবাদিকের ওপর সন্ত্রাসী হামলা, তীব্র নিন্দা গাজীপুরের কাশিমপুরে বকেয়া বেতনের দাবিতে মেঘা ইয়ার্ন ডাইং মিলস লিমিটেডের শ্রমিকদের আন্দোলন ও ভাঙচুর। কাপাসিয়া সিংহশ্রীতে শারদীয় দুর্গোৎসব: ২টি পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শফিকুল ইসলাম বাহাদূর ও অ্যাড. জাকির হোসেন দেবীদ্বারে এমপি হাসনাত আব্দুল্লাহ: ‘পদত্যাগ সরকারের শর্ট-টার্ম প্যারাসিটামল থেরাপি’ সিংহশ্রী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী শফিকুল ইসলাম বাহাদুর সকলের সমর্থন ও দোয়া প্রত্যাশী

আশুলিয়ায় চাঁদাবাজির ঘটনায় উল্টো সাংবাদিককে ঘায়েল করার চেষ্টা

আজকের দুর্নীতি ডেস্ক:
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১ জুলাই, ২০২৫
  • ১১১ বার পঠিত

আশুলিয়া প্রতিনিধিঃ

ঢাকার উপকণ্ঠ আশুলিয়ার বাইপাইল বাসস্ট্যান্ড এলাকায় একটি চাঁদাবাজির ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর, অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে বরং ভিডিও প্রচারকারী সাংবাদিক নাহিদ হাসান হৃদয়ের বিরুদ্ধেই থানায় অভিযোগ করা হয়েছে। এতে স্থানীয় সাংবাদিক সমাজ ও মানবাধিকার সংগঠনের পক্ষ থেকে তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে।

 

ঘটনার সূত্রপাত ৫ আগস্টের পর। বাইপাইলের একটি লোকাল বাস কাউন্টারে রাতের আঁধারে এক ব্যক্তি প্রকাশ্যে চাঁদা দাবি করেন এবং চাঁদা না পেয়ে কাউন্টারের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মীকে শারীরিকভাবে আঘাত করেন। ঘটনাটি একজন প্রত্যক্ষদর্শী মোবাইলে ধারণ করেন এবং পরে সেই ভিডিও সাংবাদিক নাহিদ হাসান হৃদয়ের হাতে আসে।

 

পরে নাহিদ হাসান হৃদয় ভিডিওটি যাচাই করে তা সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ করেন এবং তার সংবাদমাধ্যমে একটি প্রতিবেদনও প্রকাশ করেন। ভিডিওতে চাঁদাবাজির চিত্র স্পষ্ট দেখা গেলেও, আশ্চর্যজনকভাবে সেই সত্য তুলে ধরা সাংবাদিক নাহিদ হাসান হৃদয়ের বিরুদ্ধেই আশুলিয়া থানায় চাঁদাবাজির অভিযোগ জমা পড়ে।

 

সাংবাদিক নাহিদ হাসান হৃদয় বলেন,

“আমি নিজে ভিডিও করিনি। একজন প্রত্যক্ষদর্শী ভিডিওটি আমাকে দেন। সেটি যাচাই-বাছাই করে আমি সংবাদ করি। অথচ এখন আমাকে অভিযুক্ত করে মিথ্যা অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। এটি ভয়ভীতি দেখানোর একটি কৌশল মাত্র।”

 

এ বিষয়ে আশুলিয়ার সাংবাদিক ক্লাব ও সাংবাদিক সংগঠনসহ ঢাকাপ্রেসক্লাব, এবং বাংলাদেশ মানবাধিকার পর্যবেক্ষণ ফোরাম এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন,

“একজন সাংবাদিক সত্য প্রকাশ করে যদি হয়রানির শিকার হন, তবে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও ন্যায়ের ভবিষ্যৎ চরম সংকটে পড়বে।”

 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও মানুষ প্রশ্ন তুলছেন—

“ভিডিওতে যার মুখ, তার বিরুদ্ধে কিছু হচ্ছে না! অথচ যিনি সত্যি তুলে ধরলেন, তার নামে থানায় অভিযোগ! এটা কি ন্যায়বিচার?”

 

আশুলিয়া থানা এখনও পর্যন্ত এই অভিযোগের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য দেয়নি। তবে অভ্যন্তরীণ সূত্র জানিয়েছে, বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।

 

সাংবাদিক হৃদয় ও তার সহকর্মীরা এখন পুলিশের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং অবিলম্বে অভিযোগ প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছেন। একইসাথে, প্রকৃত অপরাধীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর