1. admin@dailyajkerdurnity.com : admin :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:১৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
মোহাম্মদ হারুন অর রশীদকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে মেট্রোরেলে অ”সু”স্থ হয়ে একটু বসার জায়গা চেয়েছিলেন একজন অধ্যাপক। কেউ দেয়নি। দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় স্ট্রোক করে মারা গেলেন। আইজিপির বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন সাংবাদিক সমাজ আশুলিয়ায় কোটি টাকা চাঁদা দাবী-ফ্যাক্টরী ও জমি দখল-সন্ত্রাসী হামলায় সাংবাদিকসহ আহত-২ মিঠামইনে দূর্গা পূজা উপলক্ষে নাটক মঞ্জস্ত ফ্যাক্টরি দখল নিতে গিয়ে আশুলিয়ায় সাংবাদিকের ওপর সন্ত্রাসী হামলা, তীব্র নিন্দা গাজীপুরের কাশিমপুরে বকেয়া বেতনের দাবিতে মেঘা ইয়ার্ন ডাইং মিলস লিমিটেডের শ্রমিকদের আন্দোলন ও ভাঙচুর। কাপাসিয়া সিংহশ্রীতে শারদীয় দুর্গোৎসব: ২টি পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শফিকুল ইসলাম বাহাদূর ও অ্যাড. জাকির হোসেন দেবীদ্বারে এমপি হাসনাত আব্দুল্লাহ: ‘পদত্যাগ সরকারের শর্ট-টার্ম প্যারাসিটামল থেরাপি’ সিংহশ্রী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী শফিকুল ইসলাম বাহাদুর সকলের সমর্থন ও দোয়া প্রত্যাশী

আশুলিয়ায় বিএনপির দুর্দিনের কান্ডারী দেওয়ান রকির যথাযোগ্য মূল্যায়ন চান তৃণমূল নেতাকর্মীরা

আজকের দুর্নীতি ডেস্ক:
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৪ আগস্ট, ২০২৫
  • ১৬২ বার পঠিত

মোঃ এনামুল হক আবির

ঢাকা-১৯ আসনের আওতাভুক্ত সাভার ও আশুলিয়া—রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ এ এলাকায় বিএনপির দুর্দিনে রাজপথে সাহসিকতার সাথে নেতৃত্ব দিয়েছেন দেওয়ান রকি। দলের প্রতি তার দীর্ঘ দিনের ত্যাগ ও অবিচল আনুগত্য আজ আশুলিয়া বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের মুখে মুখে। তারা মনে করেন, দলের এই আত্মত্যাগী সৈনিকের যথাযথ মূল্যায়ন এখন সময়ের দাবি।

দেওয়ান রকির রাজনৈতিক যাত্রা শুরু হয় ১৯৯৩ সালে ধামরাই সরকারি কলেজ ছাত্র সংসদের নির্বাচিত জিএস হিসেবে। পরবর্তীতে তিনি ঢাকা জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (১৯৯৫), সাভার উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক (১৯৯৭), আশুলিয়া থানা যুবদলের সভাপতি (২০১৬) এবং সর্বশেষ ২০২১ সালে ঢাকা জেলা যুবদলের সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।

বিএনপির নেতাকর্মীদের মতে, আওয়ামী সরকারের দুঃশাসনের সময় যখন অধিকাংশ নেতাকর্মী নিরব বা আত্মগোপনে ছিলেন, তখনও দেওয়ান রকি রাজপথে থেকে দলীয় কর্মীদের পাশে থেকে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছেন। বহুবার কারাবরণ করেছেন, হামলা-মামলার শিকার হয়েছেন। এসব কারণে তিনি আজ আর্থিকভাবেও বিপর্যস্ত, কিন্তু তবুও দল ছাড়েননি।

কুরগাওয়ের বিশিষ্ট ব্যাবসায়ি হাবিবুর রহমান বলেন, দেওয়ান রকিকে আমরা কিশোর বয়স থেকে দেখে আসছি তিনি সততা ও ন্যায় পরায়ন একজন মিষ্টভাষী মানুষ, তিনি মাঠ পর্যায়ে বিএনপির জন্য যে ত্যাগ করছেন তা তুলোনাহীন।

এসময় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক নেতাকর্মী বলেন, “দেওয়ান রকি ভাই আমাদের জন্য রক্ত ঢাল হয়েছেন। তার মতো ত্যাগী নেতাদের উপেক্ষা করলে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মনোবল ভেঙে পড়বে।

রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরেও দেওয়ান রকি একজন মানবিক ও সমাজসেবী মানুষ হিসেবেও এলাকায় সুপরিচিত। তিনি নিজের অর্থায়নে এলাকার মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিমখানা, মন্দিরসহ গরিব-দুস্থদের পাশে থেকে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

দেওয়ান রকি নিজেই জানান, “আমি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে বিশ্বাসী বলেই দলের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই আমি ও আমার সহযোদ্ধারা কাজ করে যাচ্ছি।

তিনি আরও বলেন, “এখন সময় এসেছে ব্যক্তিস্বার্থ ভুলে দলের জন্য ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার। সকল নেতাকর্মীদের প্রতি আমার আহ্বান, আসুন আমরা একযোগে ৩১ দফা বাস্তবায়নের মাধ্যমে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে অংশগ্রহণ করি।

সাভার ও আশুলিয়ার সচেতন মহল মনে করছেন, দলের দুর্দিনে যারা ঝুঁকি নিয়ে নেতৃত্ব দিয়েছেন, দেওয়ান রকির মতো তাদের যথাযথ মূল্যায়ন না করলে বিএনপির তৃণমূল পর্যায়ে নেতিবাচক বার্তা যাবে, যা দলের ভবিষ্যতের জন্য শুভ হতে পারে না।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর