1. admin@dailyajkerdurnity.com : admin :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:২৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
মোহাম্মদ হারুন অর রশীদকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে মেট্রোরেলে অ”সু”স্থ হয়ে একটু বসার জায়গা চেয়েছিলেন একজন অধ্যাপক। কেউ দেয়নি। দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় স্ট্রোক করে মারা গেলেন। আইজিপির বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন সাংবাদিক সমাজ আশুলিয়ায় কোটি টাকা চাঁদা দাবী-ফ্যাক্টরী ও জমি দখল-সন্ত্রাসী হামলায় সাংবাদিকসহ আহত-২ মিঠামইনে দূর্গা পূজা উপলক্ষে নাটক মঞ্জস্ত ফ্যাক্টরি দখল নিতে গিয়ে আশুলিয়ায় সাংবাদিকের ওপর সন্ত্রাসী হামলা, তীব্র নিন্দা গাজীপুরের কাশিমপুরে বকেয়া বেতনের দাবিতে মেঘা ইয়ার্ন ডাইং মিলস লিমিটেডের শ্রমিকদের আন্দোলন ও ভাঙচুর। কাপাসিয়া সিংহশ্রীতে শারদীয় দুর্গোৎসব: ২টি পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শফিকুল ইসলাম বাহাদূর ও অ্যাড. জাকির হোসেন দেবীদ্বারে এমপি হাসনাত আব্দুল্লাহ: ‘পদত্যাগ সরকারের শর্ট-টার্ম প্যারাসিটামল থেরাপি’ সিংহশ্রী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী শফিকুল ইসলাম বাহাদুর সকলের সমর্থন ও দোয়া প্রত্যাশী

জমি দখলের নাটক লিজপ্রাপ্ত সাংবাদিক মানিককে ঠেকাতেই ষড়যন্ত্রমূলক মামলা

আজকের দুর্নীতি ডেস্ক:
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১ জুলাই, ২০২৫
  • ১৭০ বার পঠিত

সাভার প্রতিনিধিঃ

সাভার প্রেসক্লাবের সভাপতি ও নিউজ ২৪-এর সিনিয়র সাংবাদিক নাজমুল হুদা’র বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগে দায়ের করা একটি মামলা নিয়ে এলাকায় চলছে তুমুল বিতর্ক।

 

মামলার বাদী দাবি করছেন, সাভার পৌরসভার ভাগলপুর এলাকায় তাদের পারিবারিক জমিতে দখলের চেষ্টা করা হয়েছে। তবে স্থানীয়রা বলছেন—এই জমিটি সরকারি খাস খতিয়ানভুক্ত “ক” তালিকাভুক্ত সম্পত্তি, যার লিজ নিয়েছেন সাংবাদিক মেহেদী হাসান ওরফে মানিক।

 

তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, সরকারি নিয়ম মেনেই সাংবাদিক মানিক লিজপ্রাপ্ত হয়ে সম্পত্তিতে নির্মাণ কাজ শুরু করলে কিছু ব্যক্তি সেই কাজে বাধা দেয়। এরপরই একটি কুচক্রী মহল এই প্রকৃত লিজধারী ও সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মামলা দায়ের করে।

 

স্থানীয় সাংবাদিক সমাজ বলছে—যেখানে সরকারি কাগজে লিজ আছে, সেখানে নির্মাণকাজ বাধাগ্রস্ত করা এবং উল্টো মামলা দিয়ে সম্মানহানির চেষ্টা সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

 

সাভার প্রেসক্লাবের সভাপতি নাজমুল হুদা বলেন—

“আমি দখলের ঘটনায় জড়িত নই। বিষয়টি সম্পর্কে আমি ফেসবুকের মাধ্যমে জেনেছি। একটি মহল আমার ও আমার পরিবারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে।”

 

সাভার মডেল থানার পুলিশ জানান—মামলার কপি হাতে পেলেই যথাযথ তদন্ত করে আদালতে রিপোর্ট জমা দেওয়া হবে।

 

এখন প্রশ্ন উঠছে— একজন সরকারি লিজধারী সাংবাদিকের কাজে বাধা দিয়ে তার বিরুদ্ধে মামলা কার স্বার্থে?

কেনই বা একজন প্রতিষ্ঠিত সাংবাদিকের নাম জড়ানো হলো এমন ঘটনার সঙ্গে সত্য কি শুধু ধামাচাপা দেওয়ার জন্যই এই মামলা?

নাকি এটি সাংবাদিকতার কণ্ঠরোধের আরও একটি প্রচেষ্টা?

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর