1. admin@dailyajkerdurnity.com : admin :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:৫১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
মোহাম্মদ হারুন অর রশীদকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে মেট্রোরেলে অ”সু”স্থ হয়ে একটু বসার জায়গা চেয়েছিলেন একজন অধ্যাপক। কেউ দেয়নি। দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় স্ট্রোক করে মারা গেলেন। আইজিপির বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন সাংবাদিক সমাজ আশুলিয়ায় কোটি টাকা চাঁদা দাবী-ফ্যাক্টরী ও জমি দখল-সন্ত্রাসী হামলায় সাংবাদিকসহ আহত-২ মিঠামইনে দূর্গা পূজা উপলক্ষে নাটক মঞ্জস্ত ফ্যাক্টরি দখল নিতে গিয়ে আশুলিয়ায় সাংবাদিকের ওপর সন্ত্রাসী হামলা, তীব্র নিন্দা গাজীপুরের কাশিমপুরে বকেয়া বেতনের দাবিতে মেঘা ইয়ার্ন ডাইং মিলস লিমিটেডের শ্রমিকদের আন্দোলন ও ভাঙচুর। কাপাসিয়া সিংহশ্রীতে শারদীয় দুর্গোৎসব: ২টি পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শফিকুল ইসলাম বাহাদূর ও অ্যাড. জাকির হোসেন দেবীদ্বারে এমপি হাসনাত আব্দুল্লাহ: ‘পদত্যাগ সরকারের শর্ট-টার্ম প্যারাসিটামল থেরাপি’ সিংহশ্রী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী শফিকুল ইসলাম বাহাদুর সকলের সমর্থন ও দোয়া প্রত্যাশী

সোহাগ মুন্সীর হত্যা মামলায় সুষ্ঠু তদন্ত হয়নি ন্যায় বিচারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

আজকের দুর্নীতি ডেস্ক:
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২২ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১২৩ বার পঠিত

 

শাহাদাৎ হোসেন সরকারঃ

আশুলিয়া থানায় মোঃ সোহাগ মুন্সী হত্যা মামলায় সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবিতে শনিবার সকালে নিজ বাড়িতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

 

সন্তানহারা মা ফাতেমা ও পরিবারের সদস্যরা উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনে তদন্তে গাফিলতি, মেডিকেল ডকুমেন্ট উপস্থাপনে অবহেলা ও আসামিদের জামিনে অবৈধ সুযোগ প্রদানের অভিযোগ তোলা হয়।

 

গত ২৪ জুন ২০২৪ রাতে সোহাগ মুন্সী, সিদ্দিক ও সাগরের ওপর আলম ভুইয়া, রাশেদ ভুইয়া, আব্দুল্লাহ, আফজাল, সোহাগ, সেলিম ভুইয়া ও কয়েকজন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি চাপতি, রামদা ও চাইনিজ কুড়াল নিয়ে হামলা চালায় বলে উল্লেখ করা হয়।

 

এ হামলায় সোহাগ মুন্সীসহ তিনজন গুরুতর আহত হন এবং নগদ ৮ লাখ ২৫ হাজার ৭৭৫ টাকা লুট হওয়ার দাবি করা হয়।

 

২৬ জুন ২০২৪ মামলা দায়ের হলেও গতকালীন তদন্ত কর্মকর্তারা এস আই মোতালেব মিয়া প্রয়োজনীয় মেডিকেল ডকুমেন্ট ও প্রমাণ আদালতে জমা না দেওয়ায় অভিযুক্তরা দ্রুত জামিন লাভ করে।

 

পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, আলম ভূইয়া সহ কয়েকজন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র হত্যা মামলার আসামি হওয়া সত্ত্বেও তাদেরকে গ্রেফতার না করে একসাথে নাস্তা করার বিষয়ে জানান তারা।

 

এবং সোহাগ মুন্সী হত্যা মামলার বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মোতালেব ও পরে দায়িত্বপ্রাপ্ত এসআই রবিউল যথাযথ তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করেননি এবং আসামিদের সঙ্গে অস্বাভাবিক যোগাযোগ রাখার অভিযোগ তোলা হয়।

 

৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ইং আহত অবস্থায় সোহাগ মুন্সীর মৃত্যু হয়। তবে মৃত্যুর কারণ ডেঙ্গু বলে উল্লেখ করে মেডিকেল প্রতিবেদন জটিলতায় প্রশ্ন তোলে পরিবার।

 

চার্জশীটে কয়েকজন প্রধান আসামিকে বাদ দেওয়া এবং ঘটনার অস্ত্র উদ্ধার না করাসহ নানা অনিয়মের কথাও উল্লেখ করা হয় সংবাদ সম্মেলনে।

 

মামলার বাদী ফাতেমা ও পরিবারের সদস্যরা একটি স্বতন্ত্র ও নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন এবং দোষীদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনার আহ্বান জানান।

 

এবিষয়ে আশুলিয়া থানার উপকারীদর্শক রবিউল ইসলাম বলেন মেডিকেল সার্টিফিকেট ও তদন্তে যা পেয়েছি সেটাই দেয়া হয়েছে, আপনাদের আরো কিছু জানার থাকলে আমার উপরোক্ত কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলতে পারেন বলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান।

 

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর