1. admin@dailyajkerdurnity.com : admin :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:১২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
মোহাম্মদ হারুন অর রশীদকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে মেট্রোরেলে অ”সু”স্থ হয়ে একটু বসার জায়গা চেয়েছিলেন একজন অধ্যাপক। কেউ দেয়নি। দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় স্ট্রোক করে মারা গেলেন। আইজিপির বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন সাংবাদিক সমাজ আশুলিয়ায় কোটি টাকা চাঁদা দাবী-ফ্যাক্টরী ও জমি দখল-সন্ত্রাসী হামলায় সাংবাদিকসহ আহত-২ মিঠামইনে দূর্গা পূজা উপলক্ষে নাটক মঞ্জস্ত ফ্যাক্টরি দখল নিতে গিয়ে আশুলিয়ায় সাংবাদিকের ওপর সন্ত্রাসী হামলা, তীব্র নিন্দা গাজীপুরের কাশিমপুরে বকেয়া বেতনের দাবিতে মেঘা ইয়ার্ন ডাইং মিলস লিমিটেডের শ্রমিকদের আন্দোলন ও ভাঙচুর। কাপাসিয়া সিংহশ্রীতে শারদীয় দুর্গোৎসব: ২টি পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শফিকুল ইসলাম বাহাদূর ও অ্যাড. জাকির হোসেন দেবীদ্বারে এমপি হাসনাত আব্দুল্লাহ: ‘পদত্যাগ সরকারের শর্ট-টার্ম প্যারাসিটামল থেরাপি’ সিংহশ্রী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী শফিকুল ইসলাম বাহাদুর সকলের সমর্থন ও দোয়া প্রত্যাশী

টঙ্গীর হোসেন মার্কেট এলাকায় খোলা ড্রেনে পড়ে গিয়ে ফারিয়া তাসনিম জ্যোতি নামের এক তরুণী নিখোঁজ 

আজকের দুর্নীতি ডেস্ক:
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৮ জুলাই, ২০২৫
  • ১৫৬ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

গাজীপুর মহানগরের টঙ্গীর হোসেন মার্কেট এলাকায় খোলা ড্রেনে পড়ে গিয়ে ফারিয়া তাসনিম জ্যোতি (২৪) নামের এক তরুণী নিখোঁজ হয়েছেন। গতকাল রবিবার (২৮ জুলাই ২০২৫) রাত ৮টার দিকে ইম্পেরিয়াল হাসপাতালের সামনে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে।

ফারিয়া তাসনিম জ্যোতি চুয়াডাঙ্গা জেলার ৪ নম্বর ওয়ার্ড মসজিদ পাড়ার বাসিন্দা। তিনি মৃত ওলিউল্লাহ আহাম্মদ বাবলুর মেয়ে। দুই ভাই – লোটন ও শোভনের বোন জ্যোতি বর্তমানে হোসেন মার্কেট এলাকায় বাস করতেন এবং একটি ওষুধ কোম্পানিতে চাকরি করতেন। ঘটনার সময় তিনি ওষুধ সরবরাহের কাজে টঙ্গী মেডিকেলের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, টঙ্গী ইম্পেরিয়াল হাসপাতালের সামনের রাস্তার পাশে থাকা ড্রেনটি দীর্ঘদিন ধরে উন্মুক্ত ছিল। সেখানে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন কোন স্লাব বসায়নি, এমনকি সতর্কতা মূলক কোন সাইনবোর্ডও ছিল না। অসাবধানতাবশত জ্যোতি ড্রেনের ভেতর পড়ে যান এবং পানির প্রবল স্রোতে নিখোঁজ হয়ে যান।

ঘটনার পরপরই গাজীপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিটি কর্পোরেশনের যৌথ উদ্ধার অভিযান শুরু হয়, যা এখনও পর্যন্ত অব্যাহত রয়েছে। তবে রাত পেরিয়ে ভোর হলেও এখন পর্যন্ত নিখোঁজ তরুণীর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

এ বিষয়ে স্থানীয়রা বলেন, “নগর কর্তৃপক্ষের দায়িত্বহীনতা এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের উদাসীনতাই এই দুর্ঘটনার জন্য দায়ী। এমন ব্যস্ত এলাকায় ড্রেন খোলা রেখে মানুষকে মৃত্যুর মুখে ফেলা জঘন্য অপরাধ।”

তারা আরও বলেন, “ফারিয়ার জীবনের মূল্য কে দেবে? গাফিলতির দায়ে সিটি কর্পোরেশন এবং ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।”

 দুর্ঘটনার তদন্তে দ্রুত কমিটি গঠন

গাফিলতিতে দায়ী সিটি কর্পোরেশন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা

• ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের জবাবদিহি

• ভুক্তভোগীর পরিবারের জন্য ক্ষতিপূরণ

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে গাজীপুর ফায়ার সার্ভিসের একটি সূত্র জানায়, “আমরা উদ্ধার অভিযানে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি, তবে প্রবল পানির স্রোত এবং ড্রেনের গভীরতা উদ্ধার কাজকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে।”

এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত উদ্ধার তৎপরতা চলমান রয়েছে। ফারিয়ার পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় জনগণ দুশ্চিন্তায় ভেঙে পড়েছেন। অনেকেই ঘটনার স্থানে জড়ো হয়ে সিটি কর্পোরেশনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করছেন।

আপনার এলাকাতেও কি এমন খোলা ড্রেন আছে? সিটি কর্পোরেশনের অবহেলা আপনি কীভাবে দেখছেন? সামাজিক সচেতনতা ও প্রতিবাদ ছাড়া কি এ ধরনের দুর্ঘটনা বন্ধ সম্ভব?

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর