1. admin@dailyajkerdurnity.com : admin :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৫০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
মোহাম্মদ হারুন অর রশীদকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে মেট্রোরেলে অ”সু”স্থ হয়ে একটু বসার জায়গা চেয়েছিলেন একজন অধ্যাপক। কেউ দেয়নি। দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় স্ট্রোক করে মারা গেলেন। আইজিপির বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন সাংবাদিক সমাজ আশুলিয়ায় কোটি টাকা চাঁদা দাবী-ফ্যাক্টরী ও জমি দখল-সন্ত্রাসী হামলায় সাংবাদিকসহ আহত-২ মিঠামইনে দূর্গা পূজা উপলক্ষে নাটক মঞ্জস্ত ফ্যাক্টরি দখল নিতে গিয়ে আশুলিয়ায় সাংবাদিকের ওপর সন্ত্রাসী হামলা, তীব্র নিন্দা গাজীপুরের কাশিমপুরে বকেয়া বেতনের দাবিতে মেঘা ইয়ার্ন ডাইং মিলস লিমিটেডের শ্রমিকদের আন্দোলন ও ভাঙচুর। কাপাসিয়া সিংহশ্রীতে শারদীয় দুর্গোৎসব: ২টি পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শফিকুল ইসলাম বাহাদূর ও অ্যাড. জাকির হোসেন দেবীদ্বারে এমপি হাসনাত আব্দুল্লাহ: ‘পদত্যাগ সরকারের শর্ট-টার্ম প্যারাসিটামল থেরাপি’ সিংহশ্রী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী শফিকুল ইসলাম বাহাদুর সকলের সমর্থন ও দোয়া প্রত্যাশী

টঙ্গীতে ভিক্ষুক থেকে কোটিপতি তার আয়ের উৎস মাদক ব্যবসা প্রশাসনের নীরব

আজকের দুর্নীতি ডেস্ক:
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৫
  • ১৮৫ বার পঠিত

স্টাফ রিপোর্টারঃ

গাজীপুর মহানগর টঙ্গী পূর্ব থানাধীন ৪৬ নং ওয়ার্ড কেরাণীর টেক বস্তির একাধিক মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার হলেও কোন এক অদৃশ্য কারণে গ্রেফতার হচ্ছে না। কেরাণীরটেক বস্তির মাদক সম্রাঞ্জী কারিমা ও রুনা এই দুই বোনের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন এলাকাবাসী। কেরাণীরটেক বস্তির শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী আব্দুল কাদিরের মেয়ে শুধু কারিমা নয় তার আপন বোন রুনা বড় ভাই আমির হোসেন বাবা আঃ কাদির মিয়া রুনার ছেলে রিফাত সহ পরিবারের সবাই মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে টঙ্গী থানা সহ বিভিন্ন থানায় রয়েছে একাধিক মামলা রয়েছে।

টঙ্গীর কেরাণীরটেক বস্তিতে সরেজমিনে ঘুরে জানা যায় যে এই বিশিষ্ট মাদক ব্যবসায়ী একই পরিবারের সদস্য। এরা টঙ্গীতে বিশিষ্ট মাদক ব্যবসায়ী হিসাবে চিহ্নিত এবং মাদকের গড ফাদার হিসাবেও খুব পরিচিত লাভ করেছেন রুনা। কিছুদিন আগে যৌথ বাহিনীর অভিযানে রুনা ও তার ছেলে রিফাত গ্রেফতার হলেও কারিমা রয়ে গেছে ধরা ছোয়ার বাহিরে। এলাকার যুব সমাজ কে ধ্বংস করার মুল কারিগর রুনা ও কারিমা এই মাদকে সাধারণ মানুষের জীবনে নষ্ট হয়ে পরছে আরও যুব সমাজ। এ মাদক সেবন করে অকালে ঝরে পড়ছে যুবকদের প্রাণ এই দায় ভার কে নেবে।৷ কেরাণীরটেক বস্তি থেকে যদি মাদক না বন্ধ করা হয় তাহলে দেখা যাবে যুব সমাজ মাদক সেবন করে নষ্ট দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। 

কারিমার নেতৃত্বে রয়েছেন একাধিক মাদক বিক্রেতা আরো জানা যায় যে কারিমা, রুনা, কাদির এর নেতৃত্বে মাদক ব্যবসায়ীরা প্রতিদিন ১৫ হাজার থেকে ২০ হাজার পিস ইয়াবা খুচরা বিক্রি করে থাকে। ইতিমধ্যে মাদক ব্যবসা করে তারা কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছেন। টঙ্গীতে বিভিন্ন স্থানে রয়েছে অন্তত ১৩ টি বাড়ি এবং নামে বে নামে রয়েছে কোটি কোটি টাকা। কেরাণীরটেক বস্তুির নাম প্রকাশ না করার শর্তে বেশ কিছু ব্যক্তি দৈনিক আজকের দুর্নীতি পত্রিকা কে জানান কারিমা ও রুনার নামে বেনামে রয়েছে একটি হোটেল ও ইজ্জতপুরে কয়েক বিঘা সম্পত্তি।

 

এ বিষয়ে সাংবাদিক অনুসন্ধানী প্রতিবেদন করতে গেলে মাদক সম্রাঞ্জী কারিমা ও রুনা। স্থানীয় কিছু লোক জানান বিএনপির রাজনৈতিক দলের ছত্রছায়া নেতার পরিচয় চলে তাদের এই মাদক ব্যবসা। অনুসন্ধানে আরো জানা যায় যে কয়েক জন বিএনপি নেতাদের এর শেল্টারের মধ্যে দিয়ে চলে এই মাদক ব্যবসা। এ বিষয়ে এলাকার সাধারণ মানুষের একটাই দাবি মাদক সম্রাঞ্জী কারিমার ও রুনার পরিবার টঙ্গীতে সব থেকে বেশি মাদক ক্রয় বিক্রয় করে।

তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসন নিরব ভূমিকা পালণ করে আসছে নিকট জোর দাবি এলাকাবাসীর কারিমার পরিবার ও তাদের শেল্টার দাতাদেরকেও আইনের আওতায় আনতে হবে। এ বিষয়ে টঙ্গী পূর্ব থানার অফিসার ইনচার্জ বলেন খুব শীঘ্রই এই সমস্ত মাদক ব্যবসায়ী কে ধরার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর