1. admin@dailyajkerdurnity.com : admin :
শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:০০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ডিবির বিরুদ্ধে স্বর্ণ চুরি ও ঘুষের মিথ্যা অভিযোগ; অনুসন্ধানে মিলল ভিন্ন চিত্র এক আলোকিত জনপ্রতিনিধি-গোপদীঘি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সফল চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট শরফুদ্দীন ভূঁইয়া সবুজ ফিরে পেলো আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের লাইসেন্স কিশোরগঞ্জে জমি-সংক্রান্ত বিরোধে হামলা, আহত ১ সংসদের সাউন্ড সিস্টেম প্রতিস্থাপনে উচ্চ পর্যায়ের সভায় প্রধানমন্ত্রী মায়ের দান করা স্কুলে সভাপতি নির্বাচিত ছেলে খায়রুল আলম খান,পিএসসি বৃত্তিতে উপজেলায় শ্রেষ্ঠ উত্তর গোপদীঘি সপ্রাবি গোপদিঘীর সেই সন্ধ্যা –কবি খাইরুল আলম খান উদ্ধার অভিযানে গিয়ে নিজের সন্তানের লাশ পেলেন পুলিশ সদস্য যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে তারেক রহমানের অভিনন্দন গুম ও বিচারবহির্ভূত খুনকে প্রশ্রয় দেবে না সরকার : ডা. জাহেদ

আশুলিয়া পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই মতিউর রহমানের প্রশংসনীয় উদ্যোগ: পাল্টে যাচ্ছে এলাকার চিত্র

আজকের দুর্নীতি ডেস্ক:
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬
  • ৪৪ বার পঠিত

 

নিজস্ব প্রতিবেদক।। সাভারের আশুলিয়া ইউনিয়ন পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী ইনচার্জ হিসেবে সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মতিউর রহমান যোগদানের পর থেকেই পুরো এলাকাকে নিরাপদ ও মাদকমুক্ত করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তাঁর কঠোর অবস্থান, পেশাদারিত্ব এবং অপরাধ দমনে অনমনীয় কর্মতৎপরতায় এলাকায় অপরাধ প্রবণতা হ্রাসের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ও আস্থা ফিরে এসেছে। ফলে পাল্টাতে শুরু করেছে এলাকার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি।

 

ফাঁড়ি সূত্রে জানা গেছে, যোগদানের পর থেকেই এএসআই মতিউর রহমান মাদক ব্যবসায়ী, কিশোর গ্যাং, ছিনতাইকারী, ডাকাত এবং হত্যা মামলার আসামিসহ ওয়ারেন্টভুক্ত অপরাধীদের গ্রেপ্তারে বিশেষ অভিযান শুরু করেন। একের পর এক চিহ্নিত অপরাধী ও দীর্ঘদিন ধরে পলাতক আসামিদের আইনের আওতায় এনে তিনি এলাকাবাসীর কাছে ব্যাপক সুনাম অর্জন করেছেন।

 

 

স্থানীয় বাসিন্দাদের সাথে কথা বলে জানা যায়,পূর্বে আশুলিয়া ইউনিয়নের কিছু এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত এবং মাদকের যে উপদ্রব ছিল, তা এখন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে। অপরাধীদের বিরুদ্ধে তাঁর এমন আপসহীন ভূমিকার কারণে পুরো এলাকার ভাবমূর্তি ইতিবাচকভাবে পরিবর্তিত হচ্ছে। অনুসন্ধানে জানা গেছে, এএসআই মতিউর রহমান ইতিপূর্বেও দেশের বিভিন্ন থানায় অত্যন্ত দক্ষতা ও সুনামের সাথে মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করেছেন। সমাজ থেকে অপরাধ ও মাদকের করাল গ্রাস দূর করতে তাঁর মতো একজন সৎ, সাহসী ও দক্ষ পুলিশ অফিসারের ভূমিকা অত্যন্ত প্রশংসনীয় বলে মনে করেন এলাকার সচেতন নাগরিক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা। বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে এমন যোগ্য কর্মকর্তার উপস্থিতি অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে অত্যন্ত জরুরি।

 

 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে এএসআই মতিউর রহমান জানান, পুলিশের মূল দায়িত্বই হচ্ছে জনগণের জানমালের নিরাপত্তা দেওয়া এবং সমাজকে অপরাধমুক্ত রাখা। তিনি বলেন, “রাতের অন্ধকারে অনেক সময়ই আমাদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মাদক উদ্ধার অভিযানে যেতে হয়। এসব অভিযানে গিয়ে প্রায়শই মাদক ব্যবসায়ীদের নানামুখী চ্যালেঞ্জ ও হুমকির মুখোমুখি হতে হয়।”পেশাগত বাধা ও ব্যক্তিগত হুমকির বিষয়ে তিনি আরও বলেন, “কতিপয় মাদক ব্যবসায়ী ও তাদের স্বার্থান্বেষী চক্র নিজেদের অপরাধ আড়াল করতে আমার বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ অসত্য ও বানোয়াট অপপ্রচার চালাচ্ছে। তবে এই ধরনের কোনো অপতৎপরতা আমাকে কর্তব্যপথ থেকে বিচ্যুত করতে পারবে না। অপরাধী যত প্রভাবশালীই হোক না কেন,তাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে। মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের এই ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

 

 

উক্ত বিষয়ে আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম (পিপিএম-সেবা, বিপি) কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,“বর্তমান সরকার এবং বাংলাদেশ পুলিশের প্রধান অঙ্গীকার হলো সমাজ থেকে মাদক সম্পূর্ণ নির্মূল করা। আর এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে আশুলিয়া থানা পুলিশ দিনরাত কাজ করে যাচ্ছে।”এএসআই মতিউর রহমান ও তেমন কাজ করছে। মতিউরের এই দুর্দান্ত পারফরম্যান্স এবং মাদকবিরোধী অভিযানের ভূয়সী প্রশংসা করছি।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর