
থানা প্রতিনিধ:
এক এক করে প্রকাশ্যে আসছে কামাল কাদের ও তারা বাহিনীর সন্ত্রাসী কার্যক্রম।সন্ত্রাসী বাহিনী বিগত আওয়ামী লীগের আমলে ১৭ বছরের নির্যাতিত মানুষের কথা তুলে ধরলাম।
০১/সানোয়ার হোসেন চুন্নু বাংলাদেশ জাতীয়বাদী দল বিএনপি স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক। মধুখালী থানা ও রায়পুর ইউনিয়ন বিএনপি সহ-সভাপতি ।
বাজারের সুনামধন্য ব্যবসায়ী এই সন্ত্রাসী বাহিনীর অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার কারণে ।
প্রকাশ্যে রামদা নিয়ে দাবরীয়ে বেড়াই ব্রাহ্মণ কান্দা বাজারে ভিতর দিয়ে ও মারপিট করে।
এর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করে ব্রাহ্মণ কান্দা বাজারে ।
আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকার কারণে রেজাউল হক বকুর ছত্রছায়ায় পার পেয়ে যান এই সন্ত্রাসী বাহিনী
০২/আতিয়ার রহমান ব্রাহ্মণকান্দা বাজারের একজন সাধারণ ব্যবসায়ী ।
দোকান থেকে ধরে নিয়ে কাদের কামাল ও তারার সন্ত্রাসী বাহিনী মারপিট ও নির্যাতন করে ।
আতিয়ার রহমান বর্তমান জুলাই আন্দোলনের একজন আহত সৈনিক।
০৩/শফিক সাগর একজন চিত্রনাট্য পরিচালক ঢাকা থেকে শুটিংয়ে আসা নবাগত চিত্র নায়িকাদের কুপ্রস্তাব ও অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি করে কামাল কাদেরের সন্ত্রাসী বাহিনী ।
প্রতিবাদ করেছিলেন শফিক সাগর যার কারনে ব্রাহ্মণ কান্দা বাজারে এই সন্ত্রাসী বাহিনী হত্যার চেষ্টায় হামলা করে ।
শফিক সাগর সংবাদ সম্মেলন করেও কোন বিচার পাই নাই
০৪/আমিনুল শেখ পিতা জলিল শেখ। ব্রাহ্মণ কান্দা বাড়ি
আমিনুল একজন প্রবাসী রেমিটেন্স যোদ্ধা । বাংলাদেশ জাতীয়বাদী দল বিএনপি মধুখালী থানা যুবদলের একজন সক্রিয় কর্মী।
আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকতে ।
আমিনুল বাড়িতে আসে আমিনুলের জমি জোরপূর্বক দখলে নেয় কামাল কাদের ও তারার সন্ত্রাসী বাহিনী ।
এর প্রতিবাদ করায় ঘর ছাড়তে হয় আমিনুলকে পালিয়ে বেড়াতে হয় গ্রাম থেকে
০৫/রশিদ মেম্বার ব্রাহ্মণ কান্দা বাজারের পাশে বাড়ি ।
রশিদ রায়পুর ইউনিয়নের একজন সাবেক মেম্বার। ওদের সন্ত্রাসী কার্যক্রমে বাধা দেওয়াই রামদা দিয়ে হত্যাচেষ্টায় আক্রমণ করে রশিদ মেম্বারের ছেলে ও এলাকাবাসীর প্রচেষ্টায় বেঁচে যায় সাবেক এই মেম্বার।
০৬/রাসেল শেখ পিতা আসাদ শেখ ব্রাহ্মণ কান্দা বাজার সংলগ্ন বাড়ি ।
পুরনো বাড়ি দামদরদী বাজারের একজন সুনামধন্য পুরনো ব্যবসায়ী ।
দোকানে বেচাকেনা নিয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে এই সন্ত্রাসী বাহিনী প্রকাশ্যে বাজারে অমানুষিকভাবে নির্যাতন করে।
০৭/রিজাউল মেম্বার বাড়ি দাম দরদী ।
বাজারের একজন সুনামধন্য ব্যবসায়ী ।
রেজাউল মেম্বার এই সন্ত্রাসী বাহিনীর হাতে নির্যাতিত হয়ে।
থানায় মামলা করেও পার পায় নাই সাবেক এই মেম্বার।
০৮/জুয়েল বাজারের ব্যবসায়ী ব্রাহ্মণ কান্দা পিতা জালাল ফকির।
০৯/নয়ন ও নযনের পিতা নরেশ-বাবা ছেলে দুজনকেই বাজার থেকে মারপিট করেছে গ্রাম জালিয়া মোবারকদিয়া।
ব্রাহ্মণ কান্দা বাজারের একজন সুনামধন্য ব্যবসায়ী।
১০/জুয়েল ফকির ব্রাহ্মণ কান্দা বাজারের একজন ব্যবসায়ী ।
জুয়েল ফকিরকে মারপিট করে ও গায়ে গরম চায়ের পানি ঢেলে দেয়
১১/নুরু শেখ পিতা শমসের শেখ ব্রাহ্মণ কান্দা
১২/সবুজ সরদার পিতা মৃত মোজাম সরদার বাড়ি ব্রাহ্মণ কান্দা
১৩/বিল্লাল শেখ ব্রাহ্মণ কান্দা বাড়ি করছে এসে
১৪/জাহিদ শেখ পিতা জয়নাল শেখ ব্রাহ্মণ কান্দা
১৫/সিদ্দিক শেখ বাড়ি ব্রাহ্মণ কান্দা।
১৬/মো আজাদ খান পিতা মোহাম্মদ আবুখা বাড়ি কানাইপুর
ব্রাহ্মণকান্তা বাজারে ফুটপাতে ফলের ব্যবসা করতেন ।
কাদেরের দোকানের সামনে দোকান বসিয়ে ব্যবসা করে ।
নিয়মিত চাঁদা দিয়ে আসছিলেন বেচাকিনা ভালো না হওয়ায় একদিন চাঁদা দিতে অস্বীকার করে ।
যার কারণে দিঘলিয়া নিরিবিলি পিকনিক কর্নারের সামনে থেকে ।
রাতের আঁধারে কামাল ও কাদেরের সন্ত্রাসী বাহিনী আক্রমণ করে ।
আহত অবস্থায় সে নিজেকে আত্মসমর্থন করে বলে।
আমি আর ব্রাহ্মণ কান্দ বাজারে ব্যবসা করব না আমাকে ছেড়ে দিন।
সে অবস্থায় ফেলে রেখে ওরা চলে গেলে ।
স্থানীয় লোক উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দেয় ।
এরপরে আজাদ শেখ কামাল বাহিনীর মুরব্বিদের কাছে বিচার চাইলে বিচার পাই না আরো প্রাণনাশের হুমকি দেয় ।
এরপর বাজারে ব্যবসা ছেড়ে দিয়ে চলে যায়।
এমন অনেক বাজার ব্যবসায়ী ও বাজার করতে আসা সাধারণ জনগণ অনেকেই ।
কামাল কাদের ও তারার সন্ত্রাসী বাহিনীর কাছে নির্যাতিত হয়েছে।
এই সন্ত্রাসী বাহিনীর ভয়ে কেউ মুখ খোলে না।
মুখ খুললেই আবার হামলার শিকার হতে হবে সেই ভয়ে ।
সকলের একটাই দাবি আমরা এর সঠিক বিচার চাই ।
এত মানুষ নির্যাতন করার পরেও কিভাবে তারা কামাল বিএনপি’র রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ততা স্থাপন করতে পারে ।
এই সকল সন্ত্রাসীদের হাতে যদি বিএনপি কোন পদ–পদবী দেয়া হয়।
তাহলে আগামী দিনগুলো বিএনপি’র জন্য কোন সুফল বয়ে আনবে না ।
আওয়ামী লীগ সরকারের মতোই ব্রাহ্মণকান্দা বাজার ও বাজার করতে আসা ।
সাধারণ জনগণ বৈষম্যের শিকার হবে ।
তাই এলাকাবাসীর দাবি মধুখালী উপজেলা রায়পুর ইউনিয়নের এই সকল সন্ত্রাসী বাহিনী যেন ।
কোন প্রকার বিএনপির রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত না না থাকে ।
বিএনপি’র হেভি ওয়েট নেতাদের কাছে এটাই এলাকাবাসীর জোর দাবি।