1. admin@dailyajkerdurnity.com : admin :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০২:৪৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
মোহাম্মদ হারুন অর রশীদকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে মেট্রোরেলে অ”সু”স্থ হয়ে একটু বসার জায়গা চেয়েছিলেন একজন অধ্যাপক। কেউ দেয়নি। দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় স্ট্রোক করে মারা গেলেন। আইজিপির বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন সাংবাদিক সমাজ আশুলিয়ায় কোটি টাকা চাঁদা দাবী-ফ্যাক্টরী ও জমি দখল-সন্ত্রাসী হামলায় সাংবাদিকসহ আহত-২ মিঠামইনে দূর্গা পূজা উপলক্ষে নাটক মঞ্জস্ত ফ্যাক্টরি দখল নিতে গিয়ে আশুলিয়ায় সাংবাদিকের ওপর সন্ত্রাসী হামলা, তীব্র নিন্দা গাজীপুরের কাশিমপুরে বকেয়া বেতনের দাবিতে মেঘা ইয়ার্ন ডাইং মিলস লিমিটেডের শ্রমিকদের আন্দোলন ও ভাঙচুর। কাপাসিয়া সিংহশ্রীতে শারদীয় দুর্গোৎসব: ২টি পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শফিকুল ইসলাম বাহাদূর ও অ্যাড. জাকির হোসেন দেবীদ্বারে এমপি হাসনাত আব্দুল্লাহ: ‘পদত্যাগ সরকারের শর্ট-টার্ম প্যারাসিটামল থেরাপি’ সিংহশ্রী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী শফিকুল ইসলাম বাহাদুর সকলের সমর্থন ও দোয়া প্রত্যাশী

কিংবদন্তি নায়িকা মঞ্জু দত্ত আজও দর্শকের হৃদয়ে।।

আজকের দুর্নীতি ডেস্ক:
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৫
  • ২৫৮ বার পঠিত

রিপোর্ট : নাসির উদ্দীন হারুন

নায়িকা মঞ্জু দত্ত। বাংলাদেশের একজন জনপ্রিয় নায়িকা। আশির দশকের জনপ্রিয় নায়িকা,চিত্র প্রযোজক,একজন নৃত্য শিক্ষক,সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব।

১৯৫২ সালে কিশোরগঞ্জ জেলার অষ্টগ্রাম থানার পশ্চিম অষ্টগ্রামের রায়পাড়ায় এক কায়স্ত সাংস্কৃতিক পরিবারে মঞ্জু দত্ত জন্ম গ্রহন করেন।

১৯৬৭ সালে অষ্টগ্রাম সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাশ করেন।

১৯৬৯ সালে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করার পর চলচ্চিত্রে অভিনয় পেশা শুরু করেন।

১৯৬৯ সালে ‘পারুলের সংসার’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের মন জয় করেন।

১৯৭০ সালে নায়িকা মঞ্জু দত্ত শিশির চৌধুরীকে বিয়ে করেন। তাদের গর্ভে এক পুত্র সন্তান জন্ম হয়। পরে এই স্বামীর সাথে ডিভোর্স হয়।

১৯৭২ সালের ১৫ ডিসেম্বর মুক্তিপ্রাপ্ত মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক রক্তাক্ত বাংলা চলচ্চিত্রে মঞ্জু দত্ত অভিনয় করেন।

১৯৭৮ সালে মধুমিতা ছবিতে নায়ক আলমগীরের সাথে অভিনয় করে জনপ্রিয়তা লাভ করেন। সেই সময় নায়িকার মঞ্জু দত্তের জনপ্রিয় গান ছিল
ফুল বিনা কোন দিন মালা হয় না
প্রেম বিনা হৃদয়ের জ্বালা যায় না ।
তুমি বিনা আমি একা
সে কি তুমি বোঝ না।

১৯৭৮ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত “টারজান অব বেঙ্গল” ছবিতে মঞ্জু দত্তের অভিনয় দর্শকদের মনে দাগ কেটে আছে।

১৯৭৮ সালে সিলেটের হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর ( প্রাক্তন স্পীকার) ভাতিজা সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব জুবায়ের চৌধুরীকে বিয়ে করেন।

১৯৮১ সালে পুত্রবধু সিনেমায় নায়ক রাজ্জাকের সাথে অভিনয় করেছেন।

১৯৮৪ সালে ময়মনসিংহ অলকা সিনেমা হলে হায়দার আলী নাটককে অভিনয় করেন মঞ্জু দত্ত ও সুমিতা দেবী। সেই সময় ময়মনসিংহে অনেক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।

ঢাকা শহরের মোহাম্মদপুর নায়িকা মঞ্জু দত্ত বসবাস করতেন।

মঞ্জু দত্ত অভিনীত উল্লেখযোগ্য ছবিগুলো হলো পারুলের সংসার,
সাত ভাই চম্পা, সংগ্রাম, সাধু শয়তান, পুত্রবধু,
মধুমিতা, অচেনা অতিথি, ইশারা,
জীবন সাথী, অনুরোধ, পরিহাস, সোনার খেলনা,
মাস্তান, গৃহলক্ষ্মী, হাসি।

মঞ্জু দত্ত বাংলা ছায়াছবি “হাসি” নিজে প্রযোজনা করেন।

২০০০ সালের ১৮ জানুয়ারি কলকাতা উডল্যান্ডস মাল্টিস্পেশালিটি হসপিটালে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে নায়িকা মঞ্জু দত্ত মৃত্যুবরন করেন। কলকাতা থেকে নায়িকা মঞ্জু দত্তের লাশ ঢাকা আনা হয়। ঢাকা মোহাম্মদপুরে মঞ্জু দত্তকে দাফন করা হয়।

নায়িকা মঞ্জু দত্তের একমাত্র পুত্র সন্তান রাজু চৌধুরী লন্ডনে বসবাস করছেন।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর