1. admin@dailyajkerdurnity.com : admin :
শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:২১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ডিবির বিরুদ্ধে স্বর্ণ চুরি ও ঘুষের মিথ্যা অভিযোগ; অনুসন্ধানে মিলল ভিন্ন চিত্র এক আলোকিত জনপ্রতিনিধি-গোপদীঘি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সফল চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট শরফুদ্দীন ভূঁইয়া সবুজ ফিরে পেলো আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের লাইসেন্স কিশোরগঞ্জে জমি-সংক্রান্ত বিরোধে হামলা, আহত ১ সংসদের সাউন্ড সিস্টেম প্রতিস্থাপনে উচ্চ পর্যায়ের সভায় প্রধানমন্ত্রী মায়ের দান করা স্কুলে সভাপতি নির্বাচিত ছেলে খায়রুল আলম খান,পিএসসি বৃত্তিতে উপজেলায় শ্রেষ্ঠ উত্তর গোপদীঘি সপ্রাবি গোপদিঘীর সেই সন্ধ্যা –কবি খাইরুল আলম খান উদ্ধার অভিযানে গিয়ে নিজের সন্তানের লাশ পেলেন পুলিশ সদস্য যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে তারেক রহমানের অভিনন্দন গুম ও বিচারবহির্ভূত খুনকে প্রশ্রয় দেবে না সরকার : ডা. জাহেদ

টঙ্গীতে ভিক্ষুক থেকে কোটিপতি তার আয়ের উৎস মাদক ব্যবসা প্রশাসনের নীরব

আজকের দুর্নীতি ডেস্ক:
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৫
  • ১৫৫ বার পঠিত

স্টাফ রিপোর্টারঃ

গাজীপুর মহানগর টঙ্গী পূর্ব থানাধীন ৪৬ নং ওয়ার্ড কেরাণীর টেক বস্তির একাধিক মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার হলেও কোন এক অদৃশ্য কারণে গ্রেফতার হচ্ছে না। কেরাণীরটেক বস্তির মাদক সম্রাঞ্জী কারিমা ও রুনা এই দুই বোনের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন এলাকাবাসী। কেরাণীরটেক বস্তির শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী আব্দুল কাদিরের মেয়ে শুধু কারিমা নয় তার আপন বোন রুনা বড় ভাই আমির হোসেন বাবা আঃ কাদির মিয়া রুনার ছেলে রিফাত সহ পরিবারের সবাই মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে টঙ্গী থানা সহ বিভিন্ন থানায় রয়েছে একাধিক মামলা রয়েছে।

টঙ্গীর কেরাণীরটেক বস্তিতে সরেজমিনে ঘুরে জানা যায় যে এই বিশিষ্ট মাদক ব্যবসায়ী একই পরিবারের সদস্য। এরা টঙ্গীতে বিশিষ্ট মাদক ব্যবসায়ী হিসাবে চিহ্নিত এবং মাদকের গড ফাদার হিসাবেও খুব পরিচিত লাভ করেছেন রুনা। কিছুদিন আগে যৌথ বাহিনীর অভিযানে রুনা ও তার ছেলে রিফাত গ্রেফতার হলেও কারিমা রয়ে গেছে ধরা ছোয়ার বাহিরে। এলাকার যুব সমাজ কে ধ্বংস করার মুল কারিগর রুনা ও কারিমা এই মাদকে সাধারণ মানুষের জীবনে নষ্ট হয়ে পরছে আরও যুব সমাজ। এ মাদক সেবন করে অকালে ঝরে পড়ছে যুবকদের প্রাণ এই দায় ভার কে নেবে।৷ কেরাণীরটেক বস্তি থেকে যদি মাদক না বন্ধ করা হয় তাহলে দেখা যাবে যুব সমাজ মাদক সেবন করে নষ্ট দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। 

কারিমার নেতৃত্বে রয়েছেন একাধিক মাদক বিক্রেতা আরো জানা যায় যে কারিমা, রুনা, কাদির এর নেতৃত্বে মাদক ব্যবসায়ীরা প্রতিদিন ১৫ হাজার থেকে ২০ হাজার পিস ইয়াবা খুচরা বিক্রি করে থাকে। ইতিমধ্যে মাদক ব্যবসা করে তারা কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছেন। টঙ্গীতে বিভিন্ন স্থানে রয়েছে অন্তত ১৩ টি বাড়ি এবং নামে বে নামে রয়েছে কোটি কোটি টাকা। কেরাণীরটেক বস্তুির নাম প্রকাশ না করার শর্তে বেশ কিছু ব্যক্তি দৈনিক আজকের দুর্নীতি পত্রিকা কে জানান কারিমা ও রুনার নামে বেনামে রয়েছে একটি হোটেল ও ইজ্জতপুরে কয়েক বিঘা সম্পত্তি।

 

এ বিষয়ে সাংবাদিক অনুসন্ধানী প্রতিবেদন করতে গেলে মাদক সম্রাঞ্জী কারিমা ও রুনা। স্থানীয় কিছু লোক জানান বিএনপির রাজনৈতিক দলের ছত্রছায়া নেতার পরিচয় চলে তাদের এই মাদক ব্যবসা। অনুসন্ধানে আরো জানা যায় যে কয়েক জন বিএনপি নেতাদের এর শেল্টারের মধ্যে দিয়ে চলে এই মাদক ব্যবসা। এ বিষয়ে এলাকার সাধারণ মানুষের একটাই দাবি মাদক সম্রাঞ্জী কারিমার ও রুনার পরিবার টঙ্গীতে সব থেকে বেশি মাদক ক্রয় বিক্রয় করে।

তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসন নিরব ভূমিকা পালণ করে আসছে নিকট জোর দাবি এলাকাবাসীর কারিমার পরিবার ও তাদের শেল্টার দাতাদেরকেও আইনের আওতায় আনতে হবে। এ বিষয়ে টঙ্গী পূর্ব থানার অফিসার ইনচার্জ বলেন খুব শীঘ্রই এই সমস্ত মাদক ব্যবসায়ী কে ধরার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর