
কনা আক্তারঃ
গাজীপুর মহানগর টঙ্গী পূর্ব থানাধীন ৪৬ নং ওয়ার্ড ব্যাংকের মাঠের বস্তিতে খুব সুপরিচিত মাদক ব্যবসা নেত্রী । ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে স্থানীয় কাউন্সিলরের ছত্রছায়া মাদক ব্যবসা গড়ে তোলেন মাদক সম্রাঞ্জী রত্না আক্তার। এলাকার যুবকদের বিভিন্ন ধরনের লোভ লালসা দেখিয়ে তার এই মাদক ব্যবসা চালিয়ে আসছেন, তার নামে অভিযোগ উঠে এসেছে। ফ্যাসিবাদীর সরকারের আমলে নেতাদের মেনেজ করে গোপনে মাদক বিক্রি করতেন।আওয়ামী লীগ সরকার আমলে এমপির আপন মতিউর রহমান মতি কে প্রতিমাসে মোটা অংকের টাকা দিয়ে ব্যবসা চালিয়ে যেতো।
সরজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা যায় এই সমস্ত মাদক ব্যবসায়ীদের পিছনে অনেক নেতা কর্মী জড়িত তারা মাদক ব্যবসায়ীদেরকে শেলটার দিয়ে আসতেন এবং এখনো মাদক ব্যবসা চালাতে সহযোগিতা করে আসছে। সরকার পরিবর্তন হওয়ার পর তার ব্যবসা থেমে থাকেনি ব্যবসা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। সময়ের সাথে সাথে যুবক ও বৃদ্ধ নানান শ্রেণী মানুষ দিনে দিনে মাদকের দিকে ছুটছে তা সেবন করে বিভিন্ন ধরনের অপকর্মের সাথে জড়িয়ে পড়ছে। এলাকাবাসীর একটাই দাবি ব্যাংকের মাঠ থেকে এই সমস্ত মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করে ব্যাংকের মাঠকে মাদক মুক্ত করা হোক। টঙ্গী ব্যাংকের মাঠ বস্তির মাদক ব্যবসায়ীদের অত্যাচারে এলাকার সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে পরছে। ব্যাংকের মাঠ বস্তুির যুব মহিলা লীগের নেত্রী রত্না আক্তার বস্তির মাদক ব্যবসার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে টঙ্গী সহ বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।
টঙ্গীতে এই মাদক সম্রাঞ্জী রত্না আক্তার মাদক ব্যবসায়ী হিসাবে চিহ্নিত এবং মাদকের গড ফাদার হিসাবেও খুব পরিচিত। কিছুদিন আগে যৌথ বাহিনীর অভিযানে
অনেক ব্যবসায়ী আটক হওয়ার পরে মাদক সম্রাঞ্জী রত্না আক্তার ধরা ছোয়ার বাহিরে রয়েছেন । এলাকার যুব সমাজ কে ধ্বংস করে দিয়েছে এই মাদক সাধারণ মানুষের জীবনে নষ্ট হয়ে পরছে আরও যুব সমাজ,
এলাকাবাসীর দাবি এই বস্তি থেকে যদি মাদক না বন্ধ করা হয় তাহলে দেখা যাবে যুব সমাজ মাদক সেবন নষ্ট দিকে এগিয়ে যাবে দিন দিন ।
অনুসন্ধানে আরো জানা যায় উঠতি বয়সের ছেলে মেয়েদের কে দিয়ে প্রতিদিন ৫ হাজার থেকে ৭ হাজার পিস ইয়াবা ফেনসিডিল হিরোইন ও বিভিন্ন মরণ নেশা খুচরা ও পাইকারি বিক্রি করে। ইতিমধ্যে রত্ননা কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে বেশ কিছু ব্যক্তি সাংবাদিকদের জানান মাদক সম্রাঞ্জী রত্না আক্তার নামে গাজীপুর সহ বিভিন্ন স্থানে নামে বেনামে রয়েছে কয়েক বিঘা সম্পত্তি।
এ বিষয়ে সাংবাদিক অনুসন্ধানী প্রতিবেদন করতে গেলে স্থানীয় কিছু লোক জানান বিএনপির রাজনৈতিক দলের ছত্রছায়া নেতার পরিচয় চলে তাদের এই মাদক ব্যবসা। এলাকাবাসী আরো জানান এই বস্তুিতে কয়েক জন বিএনপি নেতার শেল্টারের মাধ্যমে চলছে এই মাদক ব্যবসা।
তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসন নিরব ভূমিকা পালণ করে আসছে প্রশাসনের নিকট জোর দাবি এলাকাবাসির তাদের দাবি শেল্টার দাতাদেরকেও আইনের আওতায় আনতে হবে। এ বিষয়ে টঙ্গী পূর্ব থানার অফিসার ইনচার্জ বলেন খুব শীঘ্রই এই সমস্ত মাদক ব্যবসায়ী কে ধরার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।