
প্রতিনিধি –জিএম স্বপন মাহমুদ চৌধুরী
প্রিয় ঢাকা দুই আসন কেরানীগঞ্জ সাভারের সম্মানিত নাগরিকবৃন্দ আসসালামু আলাইকুম,, আমি আপনাদের এলাকার সন্তান কর্নেল আব্দুল হক( অব) পিএসসি, আমার বাবা দাদা এবং পূর্ব পুরুষ কেরানীগঞ্জর ধুলো মাটিতে জন্ম,ঢাকার অন্তর্ভুক্ত ঐতিহ্য বাহি কেরানীগঞ্জে জন্ম গ্রহণ করে আমি গর্বিত বোধ করছি। ঢাকা দুই আসনে ত্রয়োদশ নির্বাচনে নমিনেশন চাইতে গেলে এবং আমার জন প্রিয়তা দেখে একটি কুচক্রী মহল বিতর্ক সৃষ্টি করতে চেয়েছিল,মহান আল্লাহর অশেষ মেহেরবানীতে ও আপনাদের দোয়ায় মাননীয় হাই কোর্ট আমার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেছেন,আমি আমার প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছি এজন্য মহান রাব্বুল আলামীনের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি,আমিন।আমার নির্বাচনী এলাকা ঢাকা দুই কেরানীগঞ্জ সাভার নিয়ে অন্তর্গত, জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী নির্বাচনী প্রতীক দাঁড়িপাল্লা, আমি নির্বাচন করবো প্রতিনিধি হবো এমন স্বপ্ন কোনদিনও দেখিনি, পরিস্থিতি এবং জনগন বাধ্য করেছে আমাকে নির্বাচন করতে। বাপ দাদার চৌদ্দ পুরুষ শত শত বছর ধরে এই কেরানীগঞ্জে বস বাস করে আসছি। এত বছরেও একটি দুর্নীতি দেখাতে পারবে কেউ, চোখের সামনে দেখেছি অনেকেই আঙুল ফুলে কলা গাছ হয়েছেন।সেদিকে আমি যাবনা, আমি বিশ্বাস করি জন্ম যখন নিয়েছি মৃত্যু অনিবার্য, জন্ম বেড়ে ওঠা, পড়াশোনা ও পারিবারিক জীবন সব মিলিয়ে এই জনপদ আমার জীবনের এক অভিছেদ্দ অংশ।জনাব কর্নেল আব্দুল হক বলেন,আমি কারো ভাই কারো বন্ধু, কারো চাচা কারো প্রতিবেশী সবার সাথে মিলে মিশে কাঁধে কাধ হাত মিলিয়ে কেরানীগঞ্জ কে একটি আলোকিত শহরে পরিনত করতে চাই। চাঁদা বাজ, ধান্দা বাজ, মাদক ব্যাবসায়ী, ভূমি দস্যুদের আস্পর্ধা অনেকটা বেড়ে গেছে, এদের নির্মুল করাই হবে আমার প্রথম পদক্ষেপ। বাংলাদেশ সামরিক কর্মকর্তা দের রাওয়া ক্লাবের চেয়ারম্যান হয়ে দক্ষতার সাথে দীর্ঘদিন যাবৎ দায়িত্ব পালন করে আসছি। অতীতে আপনারা জানতে পেরেছেন, ঢাকা ২ আসনে কোন সামরিক কর্মকর্তা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেনী,কিন্তু এভাবে দেশ চলতে পারে না, কেউ খাবে তো কেউ খাবেনা এটা হতে পারে না, তাই আমি উদ্যোগ নিয়েছি নির্বাচন করবো, আমি একজন সুদক্ষ লেখক, কলামিস্ট এবং মিডিয়া ব্যাক্তিত্ব,আমি পড়াশোনা সমাপ্তি করে বাংলাদেশ দেশ প্রেমিক সেনাবাহীতে যোগদান করি,সততা এবং দূরদর্শিতার জন্য খুব অল্প সময়ে সরকার আমাকে কর্নেল পদে পদন্নোতি দেয়, মা মাটি দেশ এ-ই তিনটা কে ধারণ করেই আমার পথচলা। এই দীর্ঘ পথচলায় খুব কাছ থেকে দেখেছি মা বোনেরা কতটা অসহায় জীবন যাপন করেন, তরুণ প্রজন্ম কোথায় যেন হাড়িয়ে যাচ্ছে, মরন ব্যাধি মাদক তাদেরকে গ্রাস করছে, এদিকে কারোই কোন নজর নেই, সাধারণ মানুষ কিভাবে ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এই বিষয়গুলো আমাকে বিশেষভাবে ভাবায়, কর্নেল হক বলেন, আমার চিন্তা ধারণা ভাবনা ও কাজের লক্ষ্য অত্যন্ত স্পষ্ট। ঢাকা ২ আসন যেন সবার জন্য নিরাপদ আশ্রয়স্থল হয়। প্রতিটি নাগরিক যেন ন্যায্যতা ও সমতার ভিত্তিতে সকল সুযোগ-সুবিধা পায়, দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার মাধ্যমে কৃষক শ্রমিক কারিগর ও স্থানীয়রা যেন সম্মানের সাথে এগিয়ে যেতে পারেন, মা বোনেরা যেন আত্মনির্ভরশীল হতে পারেন, প্রবীণ নাগরিকরা নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন পান, তরুণরা দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগ পায় বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ও অসহায় মানুষ যেন সম্মানের সাথে জীবন যাপন করতে পারেন সেই সাথে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা অসামাজিক শান্তি যেন বজায় থাকে। আমি কর্নেল আব্দুল হক কথা দিলাম এলাকার সন্তান হিসাবে শান্তির স্বপক্ষে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়ে যাব। অতীতে যেমন আপনাদের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি, সুখে-দুখে ভবিষ্যতেও থাকবো ইনশাআল্লাহ, নির্বাচনের ফলাফল যেমনি হোক না কেন আমি আপনাদের একজন আপনজন হয়ে থাকতে চাই, আপনাদের কথা শুনতে বুঝতে এবং পাশে থাকার এতোটুকু বিশ্বাসের সুযোগ আমাকে দিন, আর এলাকার অসমাপ্ত কাজগুলো রয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা আসলে সমাধান করব। যে-মন খোলা মোরা ব্রিজ সহ তিনটি ব্রিজ, একটি বিশ্ববিদ্যালয়, বড় একটি ঈদগাহ মাঠ আরও অনেক কাজ জরুরি ভাবে দরকার, জামায়াতে ইসলামী কে দাড়ি পাল্লায় ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করেন, আমরা অবহেলিত ঢাকা ২ আসনের ব্যাপক উন্নয়ন করার জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ। কর্নেল আব্দুল হক আরও বলেন আমার জীবনের বাকি সময়টুকু আপনাদের করেই যেন শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করে যেতে পাড়ি, ফি আমানিল্লাহ্, খোদা হাফেজ।