দৈনিক আজকের দুর্নীতির সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি আলী নিয়ামতের কলাম
আজকের দুর্নীতি ডেস্ক:
-
প্রকাশের সময় :
মঙ্গলবার, ২৯ জুলাই, ২০২৫
-
৭৭
বার পঠিত

- দৈনিক আজকের দুর্নীতির সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি আলী নিয়ামতের কলাম # – ১৯৭১ সালে হাজার বছরের দাসত্ব মুক্তি ঘটে বাংলাদেশের। এ বছরই ২৬ মার্চ স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা পায়। শিক্ষার্থী পুলিশ সেনাবাহিনী জনতার সরাসরি যুদ্ধের মাধ্যমে। হানাদার পাকিস্তানি সেনাবাহিনীকে মুক্তিযুদ্ধের ভেতর দিয়ে পরাজয় ঘটিয়ে ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস আসে। শহীদ হন ৩০ লাখ বীর বাংগালী। ২ লাখ মা বোনের ইজ্জত কেড়ে নেয় হানাদার বাহিনী! এদের সহযোদ্ধা সহযোগী ছিল রাজাকার আলবদর আলশামস বাহিনী। এবং স্বাধীনতা ও বাংলাদেশ বিরোধী রাজনৈতিক জামাতে ইসলামী পার্টি। এই ইতিআস যারা মুছে দিতে চায় তারা আজও সক্রিয়। রাজার নীতি রাজনীতিতে উজ্জীবিত। লালিত পালিত। বিদেশি কুচক্রি দেশগুলোর এজেন্ট হয়ে বাংলাদেশের বিরুদ্ধ অপশক্তির দল এরা। যে উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ স্বাধ হয়। সে উদ্দেশ্য পূরণে ব্যর্থ হয় দীর্ঘকাল ধরে শাসক শোষক দুর্নীতিবাজ অত্যাচারী গোষ্ঠী ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। এরই ধারাবাহিকতায় ৭১ এর চেতনায় উদবুদ্ধ হয়ে জুলাই ৩৬ বিপ্লব ঘটে শিক্ষার্থী জনতার একতাবদ্ধ আন্দোলনে। ৮ আগস্ট গঠিত হয় শিক্ষার্থী জনতা সেনাবাহিনী সমর্থিত অন্ত্ররবর্তী সরকার ড. ইউনূস এর নেতৃত্বে! যা এখনও বিদ্যমান। কিন্তু রাজনৈতিক অপশক্তির কারণে দেশে ফিরছে না শান্তি। বিতাড়িত রাজনৈতিক অপশক্তির নানা অপতৎপরতা চলছেই। স্বাধীনতা বিরোধী রাজনৈতিক অপশক্তির কার্যক্রমও জোরদার হয়েছে। তাই জনগণের প্রত্যাশিত : জননীতির সরকার প্রতিষ্ঠা পায়নি আজও? ভেবেছিলাম বিপ্লবী সরকার গঠিত হবে। সবকিছুর আমূল পরিবর্তন হবে। রাজার নীতি রাজনীতি বাতিল হবে। জনতার নীতি জননীতি প্রতিষ্ঠিত হবে। কিন্তু হায় সবকিছু বৃথা যায় বুঝি! এখন ভরসা আবার দেশের ৫ কোনো শিক্ষার্থী এবং আমজনতা। যারা রাজনীতিকে হটিয়ে জননীতি প্রতিষ্ঠা করে স্বাধীনতার পতাকাকে মুক্ত রাখবে চিরকাল। কারণ শিক্ষার্থী জনতাই বড় শক্তি! তারাই পারে এবং তারাই এদেশে ৫২ ৭১ ৯০ ২৪ এনেছে!রাজনীতি চাইনা আর : জননীতি চাই এবার # দৈনিক আজকের দুর্নীতির সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি আলী নিয়ামতের কলাম # – ১৯৭১ সালে হাজার বছরের দাসত্ব মুক্তি ঘটে বাংলাদেশের। এ বছরই ২৬ মার্চ স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা পায়। শিক্ষার্থী পুলিশ সেনাবাহিনী জনতার সরাসরি যুদ্ধের মাধ্যমে। হানাদার পাকিস্তানি সেনাবাহিনীকে মুক্তিযুদ্ধের ভেতর দিয়ে পরাজয় ঘটিয়ে ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস আসে। শহীদ হন ৩০ লাখ বীর বাংগালী। ২ লাখ মা বোনের ইজ্জত কেড়ে নেয় হানাদার বাহিনী! এদের সহযোদ্ধা সহযোগী ছিল রাজাকার আলবদর আলশামস বাহিনী। এবং স্বাধীনতা ও বাংলাদেশ বিরোধী রাজনৈতিক জামাতে ইসলামী পার্টি। এই ইতিআস যারা মুছে দিতে চায় তারা আজও সক্রিয়। রাজার নীতি রাজনীতিতে উজ্জীবিত। লালিত পালিত। বিদেশি কুচক্রি দেশগুলোর এজেন্ট হয়ে বাংলাদেশের বিরুদ্ধ অপশক্তির দল এরা। যে উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ স্বাধ হয়। সে উদ্দেশ্য পূরণে ব্যর্থ হয় দীর্ঘকাল ধরে শাসক শোষক দুর্নীতিবাজ অত্যাচারী গোষ্ঠী ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। এরই ধারাবাহিকতায় ৭১ এর চেতনায় উদবুদ্ধ হয়ে জুলাই ৩৬ বিপ্লব ঘটে শিক্ষার্থী জনতার একতাবদ্ধ আন্দোলনে। ৮ আগস্ট গঠিত হয় শিক্ষার্থী জনতা সেনাবাহিনী সমর্থিত অন্ত্ররবর্তী সরকার ড. ইউনূস এর নেতৃত্বে! যা এখনও বিদ্যমান। কিন্তু রাজনৈতিক অপশক্তির কারণে দেশে ফিরছে না শান্তি। বিতাড়িত রাজনৈতিক অপশক্তির নানা অপতৎপরতা চলছেই। স্বাধীনতা বিরোধী রাজনৈতিক অপশক্তির কার্যক্রমও জোরদার হয়েছে। তাই জনগণের প্রত্যাশিত : জননীতির সরকার প্রতিষ্ঠা পায়নি আজও? ভেবেছিলাম বিপ্লবী সরকার গঠিত হবে। সবকিছুর আমূল পরিবর্তন হবে। রাজার নীতি রাজনীতি বাতিল হবে। জনতার নীতি জননীতি প্রতিষ্ঠিত হবে। কিন্তু হায় সবকিছু বৃথা যায় বুঝি! এখন ভরসা আবার দেশের ৫ কোনো শিক্ষার্থী এবং আমজনতা। যারা রাজনীতিকে হটিয়ে জননীতি প্রতিষ্ঠা করে স্বাধীনতার পতাকাকে মুক্ত রাখবে চিরকাল। কারণ শিক্ষার্থী জনতাই বড় শক্তি! তারাই পারে এবং তারাই এদেশে ৫২ ৭১ ৯০ ২৪ এনেছে!
এই ক্যাটাগরির আরও খবর