1. admin@dailyajkerdurnity.com : admin :
শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:২০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ডিবির বিরুদ্ধে স্বর্ণ চুরি ও ঘুষের মিথ্যা অভিযোগ; অনুসন্ধানে মিলল ভিন্ন চিত্র এক আলোকিত জনপ্রতিনিধি-গোপদীঘি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সফল চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট শরফুদ্দীন ভূঁইয়া সবুজ ফিরে পেলো আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের লাইসেন্স কিশোরগঞ্জে জমি-সংক্রান্ত বিরোধে হামলা, আহত ১ সংসদের সাউন্ড সিস্টেম প্রতিস্থাপনে উচ্চ পর্যায়ের সভায় প্রধানমন্ত্রী মায়ের দান করা স্কুলে সভাপতি নির্বাচিত ছেলে খায়রুল আলম খান,পিএসসি বৃত্তিতে উপজেলায় শ্রেষ্ঠ উত্তর গোপদীঘি সপ্রাবি গোপদিঘীর সেই সন্ধ্যা –কবি খাইরুল আলম খান উদ্ধার অভিযানে গিয়ে নিজের সন্তানের লাশ পেলেন পুলিশ সদস্য যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে তারেক রহমানের অভিনন্দন গুম ও বিচারবহির্ভূত খুনকে প্রশ্রয় দেবে না সরকার : ডা. জাহেদ

ধনাইখালী নদীর ভাঙনে হুমকিতে দশ গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ

আজকের দুর্নীতি ডেস্ক:
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬
  • ১২৪ বার পঠিত

 

বারহাট্টা (নেত্রকোণা) প্রতিনিধি: নদীর নাম ধনাইখালী।এই নদীর ভাঙনে অসহায় নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলার সাহতা ইউনিয়নের দশ গ্রামের মানুষ। সাহতা নয়াপাড়া জামে মসজিদের কাছে বিশাল ভাগনের সৃষ্টি হচ্ছে । খরস্রোতা ধনাইখালী নদীর তীব্র পানি প্রবাহের কারণে আতঙ্ক আরো বাড়ছে। ভাঙন রক্ষায় ব্যবস্থা না নিলে যে কোনো মুহূর্তে ঐ সব এলাকার ১০টি গ্রাম পানিতে তলিয়ে যেতে পারে বলে দাবি করেন স্থাণীয়রা।

মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,সাহতা,সাবানিয়া,মধুপুর,নল্লা,বোয়ালজানা,জয়ডহর,ঘোড়াডহর ও পার্শবর্তী আমতলা ইউনিয়নের সহ বেশ কয়েকটি গ্রামের লোকজন আতঙ্কিত হয়ে ভাঙনস্থলে নিজেরাই বাঁধ দেওয়ার চেষ্টা করছেন। ফসলি জমি, ভিটে-বাড়িসহ স্থাপনা রক্ষায় তাদের নিজেদের এই প্রচেষ্টা । ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থার মধ্যে নদী ভাঙন থেকে যারা নিজেদের টিকিয়ে রাখতে পারছেন দ্রুত সরকারি সহযোগিতা না আসলে তারাও হয়তো ভাঙনের কবলে বিলীন হয়ে যাবে।

ভাঙন আতঙ্কে ঐ এলাকার কয়েকজন কৃষক জানান পূর্বে কয়েক বার ভাঙনে তাদের ভিটে-বাড়ি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। তাই নতুন করে বড় ভাঙনের কবলে পরে তারা আর ভিটেমাটি হারাতে চান না।

সাহতা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান মাজু জানান, সাহতা নয়াপাড়া জামে মসজিদের সামনে যদি নদীটা ভেঙে যায় তাহলে ১০ টি গ্রাম তলিয়ে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।এমনকি ক্ষয়ক্ষতি পার্শ্ববর্তী নেত্রকোণা সদরের আমতলা ইউনিয়ন পর্যন্ত গিয়ে ঠেকবে।তিনি আরও বলেন, ১০ টি গ্রামের অনেক মানুষ বসতভিটা হারাবে। এজন্য সরকারারে কাছে দাবি করেন যাতে স্থায়ী ভাবে ভাঙন অংশে একটি বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হয়।

নেত্রকোণা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ধনাইখালী নদীর সাহতা অংশে বেশ কয়েকটা স্থানে বেশি ভাঙন হচ্ছে। আমরা এটা নিয়ে কাজ করছি। দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর