1. admin@dailyajkerdurnity.com : admin :
শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:১৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ডিবির বিরুদ্ধে স্বর্ণ চুরি ও ঘুষের মিথ্যা অভিযোগ; অনুসন্ধানে মিলল ভিন্ন চিত্র এক আলোকিত জনপ্রতিনিধি-গোপদীঘি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সফল চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট শরফুদ্দীন ভূঁইয়া সবুজ ফিরে পেলো আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের লাইসেন্স কিশোরগঞ্জে জমি-সংক্রান্ত বিরোধে হামলা, আহত ১ সংসদের সাউন্ড সিস্টেম প্রতিস্থাপনে উচ্চ পর্যায়ের সভায় প্রধানমন্ত্রী মায়ের দান করা স্কুলে সভাপতি নির্বাচিত ছেলে খায়রুল আলম খান,পিএসসি বৃত্তিতে উপজেলায় শ্রেষ্ঠ উত্তর গোপদীঘি সপ্রাবি গোপদিঘীর সেই সন্ধ্যা –কবি খাইরুল আলম খান উদ্ধার অভিযানে গিয়ে নিজের সন্তানের লাশ পেলেন পুলিশ সদস্য যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে তারেক রহমানের অভিনন্দন গুম ও বিচারবহির্ভূত খুনকে প্রশ্রয় দেবে না সরকার : ডা. জাহেদ

ধামরাইয়ে ৫০ লক্ষ টাকা মুক্তিপণের দাবিতে ব্যবসায়ী অপহরণ, নির্যাতন ও গোডাউন লুটের অভিযোগ – সংবাদ সম্মেলনে বিস্ফোরক তথ্য

আজকের দুর্নীতি ডেস্ক:
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৬ মে, ২০২৫
  • ২১৮ বার পঠিত

 

ধামরাই প্রতিনিধিঃ

এ নিয়ে আজ সোমবার (২৬ মে) তিনি নিজ গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর থানার আজগানা গ্রামে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, গত ৪ এপ্রিল শুক্রবার রাত ৮টার দিকে ধামরাইয়ের রঘুনাথপুর মঙ্গলবাড়ি এলাকার গোডাউনে হঠাৎ করে হামলা চালায় মোঃ মাহবুবুর রহমান মিন্টু ও তার সহযোগীরা। তারা শাহাজ উদ্দিন খবু ও তার কর্মচারী মোঃ রেজাউল করিমকে জোরপূর্বক অপহরণ করে মিন্টুর নিজ বাড়িতে নিয়ে গিয়ে বর্বর নির্যাতন চালায়।

 

শাহনাজ উদ্দিনের অভিযোগ অনুযায়ী:

মিন্টু ও তার সহযোগীরা পূর্ব থেকেই চাঁদা দাবি করে আসছিল। কখনো জোর করে ২০ থেকে ৫০ হাজার টাকা আদায় করত। হামলার দিন তারা ২০-২৫ জনের একটি দল নিয়ে গোডাউনে প্রবেশ করে অতর্কিতে হামলা চালায়। শাহাজ উদ্দিন খবু ও রেজাউল করিমকে মারধর করে রক্তাক্ত করে, হাত-পা বেঁধে তুলে নিয়ে যায় এবং রাতভর নির্যাতন চালায়।

 

নির্যাতনের একপর্যায়ে তাকে অচেতন অবস্থায় গোডাউনে নিয়ে গিয়ে ২ লক্ষ টাকা এবং প্রায় ৪ হাজার ৬০০ কেজি শিসা লুট করে। পরে নারীর সাথে অনৈতিক সম্পর্কের মিথ্যা অভিযোগ তুলে ‘মব জাস্টিস’ চালানো হয়।

 

থানা পুলিশের ভূমিকা:

শাহাজ উদ্দিন অভিযোগ করেন, পরদিন ৫ এপ্রিল ধামরাই থানার এসআই সুবোধ চন্দ্র বর্মন ঘটনাস্থলে এসে তাদের অর্ধমৃত অবস্থায় উদ্ধার করলেও থানায় নিয়ে যেতে অস্বীকৃতি জানান। পরবর্তীতে মিন্টু ও তার লোকজন তাদের থানায় নিয়ে গিয়ে উল্টো মিথ্যা অভিযোগে মামলা দায়ের করে।

 

আইনি পদক্ষেপ:

ব্যবসায়ী শাহাজ উদ্দিন খবু জানান, তিনি ১৬ এপ্রিল ঢাকার জজ কোর্টে ৩৯৫/৩৯৭/৩৯৮ ধারায় মাহবুবুর রহমান মিন্টুসহ অজ্ঞাত ২৫ জনকে আসামি করে একটি অভিযোগ দায়ের করেন, যা বর্তমানে তদন্তাধীন। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার, মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং লুট হওয়া মালামাল উদ্ধারের দাবি জানান। এছাড়াও তিনি বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী উপদেষ্টা, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও আইজিপির হস্তক্ষেপ কামনা করেন এবং পরো বিষয়টি সুষ্ট তদন্ত পুর্বক বিচার দাবি করেন তিনি।

 

স্থানীয়দের বক্তব্য:

তথ্য অনুসন্ধানে জানা গেছে, অভিযুক্ত মাহবুবুর রহমান মিন্টু একজন দুর্ধর্ষ অপরাধী। তার বিরুদ্ধে ধামরাই থানায় একাধিক মামলা রয়েছে এবং দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয়দের হুমকি-ধামকি দিয়ে অর্থ আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকার একাধিক বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, তারা খবুর উপর বর্বর নির্যাতনের ঘটনা স্বচক্ষে দেখেছেন।

 

পুলিশের প্রতিক্রিয়া:

ধামরাই থানার এসআই সুবোধ চন্দ্র বর্মন গণমাধ্যমকে জানান, তিনি ডিউটি অফিসারের নির্দেশে ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত অবস্থায় শাহাজ উদ্দিন খবু ও রেজাউলকে দেখতে পান, কিন্তু তাদেরকে মারদর করার কারনে অবস্থা মুমূর্ষু হওয়ায় থানায় নেওয়া হয়নি। পরে মিন্টু ও তার লোকজন তাদের থানায় নিয়ে আসে এবং মামলা রুজু করে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর