1. admin@dailyajkerdurnity.com : admin :
শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:০৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ডিবির বিরুদ্ধে স্বর্ণ চুরি ও ঘুষের মিথ্যা অভিযোগ; অনুসন্ধানে মিলল ভিন্ন চিত্র এক আলোকিত জনপ্রতিনিধি-গোপদীঘি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সফল চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট শরফুদ্দীন ভূঁইয়া সবুজ ফিরে পেলো আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের লাইসেন্স কিশোরগঞ্জে জমি-সংক্রান্ত বিরোধে হামলা, আহত ১ সংসদের সাউন্ড সিস্টেম প্রতিস্থাপনে উচ্চ পর্যায়ের সভায় প্রধানমন্ত্রী মায়ের দান করা স্কুলে সভাপতি নির্বাচিত ছেলে খায়রুল আলম খান,পিএসসি বৃত্তিতে উপজেলায় শ্রেষ্ঠ উত্তর গোপদীঘি সপ্রাবি গোপদিঘীর সেই সন্ধ্যা –কবি খাইরুল আলম খান উদ্ধার অভিযানে গিয়ে নিজের সন্তানের লাশ পেলেন পুলিশ সদস্য যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে তারেক রহমানের অভিনন্দন গুম ও বিচারবহির্ভূত খুনকে প্রশ্রয় দেবে না সরকার : ডা. জাহেদ

ন্যাটোয় ক্ষুব্ধ যুক্তরাষ্ট্র, যুদ্ধ শেষ হলেই পদক্ষেপ

আজকের দুর্নীতি ডেস্ক:
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৮১ বার পঠিত
মার্কিন নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট ন্যাটো নিয়ে কড়া মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। তিনি বলেন, ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত শেষ হলে ন্যাটোর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক নতুন করে মূল্যায়ন করা হতে পারে। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) ফক্স নিউজে উপস্থাপক শন হ্যানিটির সঙ্গে সাক্ষাৎকারে রুবিও বলেন, ‘এই যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর ন্যাটোর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক নতুন করে পর্যালোচনা করতে হবে। আমাদের দেশের জন্য এই জোটের গুরুত্ব কতটা, সেটিও বিবেচনা করতে হবে।’

তিনি জানান, এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ এই কূটনীতিক বলেন, মার্কিন সিনেটে থাকাকালীন তিনি ‘ন্যাটোর অন্যতম শক্তিশালী সমর্থক’ ছিলেন। কারণ তখন এই জোটের ‘ব্যাপক উপযোগিতা’ অনুভব করেছিলেন।

মার্কো রুবিও বলেন, ইউরোপে সামরিক ঘাঁটি থাকার ফলে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে সামরিক শক্তি প্রয়োগ করতে পারে—এটাই ছিল ন্যাটোর বড় সুবিধা।

তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘যদি এখন এমন পরিস্থিতি তৈরি হয় যে, ন্যাটোর কারণে আমরা সেই ঘাঁটিগুলো নিজেদের স্বার্থ রক্ষায়ও ব্যবহার করতে পারছি না, তাহলে এটি একপাক্ষিক জোটে পরিণত হবে।’

যুক্তরাষ্ট্র ন্যাটো সদস্য দেশগুলোকে ইরানের বিরুদ্ধে সরাসরি বিমান হামলায় অংশ নিতে বলছে না উল্লেখ করে রুবিও বলেন,  যখন যুক্তরাষ্ট্র তাদের সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের প্রয়োজন হলো এবং তখন ন্যাটোভুক্ত দেশগুলো ‘না’ বলেছে। এতে প্রশ্ন ওঠে, ‘তাহলে আমরা ন্যাটোতে কেন আছি?’

বেশ কয়েকটি ইউরোপীয় দেশ তাদের ভূখণ্ডে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করার পর রুবিওর এই মন্তব্য করলেন।

এর আগে মঙ্গলবার জানা যায়, ইতালি মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ মিশনে যাওয়ার পথে একটি মার্কিন বিমানকে অবতরণের অনুমতি দেয়নি। এ ছাড়া সোমবার স্পেন ইরানের বিরুদ্ধে অভিযানে নিয়োজিত মার্কিন বিমানের জন্য তাদের আকাশসীমা বন্ধ করে দেয়।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর