1. admin@dailyajkerdurnity.com : admin :
শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:১৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ডিবির বিরুদ্ধে স্বর্ণ চুরি ও ঘুষের মিথ্যা অভিযোগ; অনুসন্ধানে মিলল ভিন্ন চিত্র এক আলোকিত জনপ্রতিনিধি-গোপদীঘি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সফল চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট শরফুদ্দীন ভূঁইয়া সবুজ ফিরে পেলো আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের লাইসেন্স কিশোরগঞ্জে জমি-সংক্রান্ত বিরোধে হামলা, আহত ১ সংসদের সাউন্ড সিস্টেম প্রতিস্থাপনে উচ্চ পর্যায়ের সভায় প্রধানমন্ত্রী মায়ের দান করা স্কুলে সভাপতি নির্বাচিত ছেলে খায়রুল আলম খান,পিএসসি বৃত্তিতে উপজেলায় শ্রেষ্ঠ উত্তর গোপদীঘি সপ্রাবি গোপদিঘীর সেই সন্ধ্যা –কবি খাইরুল আলম খান উদ্ধার অভিযানে গিয়ে নিজের সন্তানের লাশ পেলেন পুলিশ সদস্য যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে তারেক রহমানের অভিনন্দন গুম ও বিচারবহির্ভূত খুনকে প্রশ্রয় দেবে না সরকার : ডা. জাহেদ

পাবনায় এলজিইডির দূর্নীতি, পোড়া মবিল ব্যবহারের অভিযোগ

আজকের দুর্নীতি ডেস্ক:
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১৮২ বার পঠিত

 

পাবনা প্রতিনিধিঃ
পাবনায় এলজিইডির দূর্নীতিতে সড়ক নির্মাণে রাবিশ পোড়া মবেল ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। আটঘরিয়া উপজেলার আতাইকুলা থানার কেশবপুর থেকে বালুঘাটা পর্যন্ত প্রায় দুই কিলোমিটার সড়কের নির্মাণকাজে রাবিশ, পোড়া মবেল ও নিম্নমানের ইট ব্যবহার করে চলছে ব্যাপক অনিয়ম ও দূর্নীতি।

এলাকাবাসীর অভিযোগ উপজেলা প্রকৌশলী বাকিবিল্লাহর ঘুষ বাণিজ্যের কারণেই নিম্নমানের এসব মালামাল ব্যবহার করা হচ্ছে।

গত বছর সড়কটির কাজ শুরু হলেও দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগে পুরো এক বছর প্রকল্পের কাজ বন্ধ ছিল। সম্প্রতি কাজ আবারও শুরু হয়েছে; তবে অনিয়ম ও দুর্নীতির ধারা বদলায়নি, বরং আরও বেপরোয়া হয়েছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।

স্থানীয় তোফাজ্জল হোসেন বলেন, “এই খোয়া রাস্তার নতুন কোনো খোয়া এখনো দেওয়া হয়নি। আগের মতোই নিম্নমানের মালামাল ব্যবহার হচ্ছে। আমরা চাই, জনগণের টাকায় যেন সঠিকভাবে কাজ সম্পন্ন হয়।”

আরেক স্থানীয় সিদ্দিক হোসেন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “রাবিশ দিয়ে রাস্তার কাজ করা হচ্ছে। পুরনো ভাঙা ইট ব্যবহার করা হচ্ছে হাত দিলেই ইট ভেঙে যাচ্ছে। এ যেন দূর্নীতির প্রকাশ্য মহোৎসব। প্রতিবাদ করলেই ‘উপর মহলের’ ভয় দেখিয়ে আমাদের চুপ করিয়ে দেওয়া হয়।”

মাওলানা মাসুদুর রহমান বলেন, “আগের মতো এবারও দুই নাম্বার মালামাল দিয়ে কাজ করছে ঠিকাদার। আমরা আগেও সতর্ক করেছিলাম, কিন্তু কেউ শুনেনি। উপজেলা প্রকৌশলী আর ঠিকাদারের যোগসাজশ ছাড়া এমন নিম্নমানের কাজ করা সম্ভব না।”

স্থানীয়দের অভিযোগ, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজটি করছে উপজেলা প্রকৌশলী বাকিবিল্লাহকে ঘুষ দিয়েই নিম্নমানের মালামাল ব্যবহার করছে। ফলে রাস্তা নির্মাণে ব্যবহার হচ্ছে পোড়া মবেল, রাবিশ ও ভাঙা ইটের মতো নিম্নমানের সামগ্রী, যা টেকসই নয় এবং অল্প সময়ের মধ্যেই ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এই বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী বাকিবিল্লাহকে ফোনে প্রশ্ন করা হলে তিনি সংক্ষেপে বলেন, “আমি মিটিংয়ে আছি, পরে আপনাকে কল দেব।

স্থানীয়রা বলেন, “যতদিন উপজেলা প্রকৌশলীর ঘুষ বাণিজ্য বন্ধ না হবে, ততদিন এলাকায় কোনো উন্নয়নমূলক কাজ টেকসই হবে না। প্রশাসনের উচিৎ বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর