1. admin@dailyajkerdurnity.com : admin :
শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:০০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ডিবির বিরুদ্ধে স্বর্ণ চুরি ও ঘুষের মিথ্যা অভিযোগ; অনুসন্ধানে মিলল ভিন্ন চিত্র এক আলোকিত জনপ্রতিনিধি-গোপদীঘি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সফল চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট শরফুদ্দীন ভূঁইয়া সবুজ ফিরে পেলো আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের লাইসেন্স কিশোরগঞ্জে জমি-সংক্রান্ত বিরোধে হামলা, আহত ১ সংসদের সাউন্ড সিস্টেম প্রতিস্থাপনে উচ্চ পর্যায়ের সভায় প্রধানমন্ত্রী মায়ের দান করা স্কুলে সভাপতি নির্বাচিত ছেলে খায়রুল আলম খান,পিএসসি বৃত্তিতে উপজেলায় শ্রেষ্ঠ উত্তর গোপদীঘি সপ্রাবি গোপদিঘীর সেই সন্ধ্যা –কবি খাইরুল আলম খান উদ্ধার অভিযানে গিয়ে নিজের সন্তানের লাশ পেলেন পুলিশ সদস্য যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে তারেক রহমানের অভিনন্দন গুম ও বিচারবহির্ভূত খুনকে প্রশ্রয় দেবে না সরকার : ডা. জাহেদ

পাবনায় বিটিসিএল অফিসে অনিয়ম, কোটি টাকা ব্যয়ে সেবা নেই , সাংবাদিকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার

আজকের দুর্নীতি ডেস্ক:
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১৩৯ বার পঠিত

পাবনা জেলা প্রতিনিধি।

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ কোম্পানি লিমিটেড (বিটিসিএল) এর পাবনা জেলা অফিস কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। বছরের পর বছর ধরে কোটি কোটি টাকা ব্যয় হলেও কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত সাধারণ গ্রাহকরা। অভিযোগ রয়েছে, এখানে অফিসে নিয়মিত কর্মকর্তা কর্মচারীরা উপস্থিত থাকেন না। যারা থাকেন, তাদের অনেকেই দায়িত্বহীন, সেবা দিতে অনীহা প্রকাশ করেন। আর নতুন সংযোগ, বিল সংক্রান্ত জটিলতা কিংবা লাইন বিকলের অভিযোগ নিয়ে গেলে, গ্রাহকরা পড়েন আরও ভোগান্তিতে।

অফিসে গিয়ে দেখা যায়, কর্মকর্তারা প্রায়শই ‘বাইরে মিটিংয়ে অথবা ঢাকায় ফোন করতে বলেন এই অজুহাতে দায়সারা আচরণ করেন। কোনো তথ্য জানতে চাইলে অনেক সময় দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা সঠিক উত্তর না দিয়ে তাচ্ছিল্যপূর্ণ ভাষা ব্যবহার করেন। এমনকি স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গেও তারা অসৌজন্যমূলক ও বিরূপ আচরণ করেন বলে একাধিক সংবাদকর্মী ক্ষোভ প্রকাশ করে অভিযোগ করেছেন।

স্থানীয় সাংবাদিকরা জানান, তথ্য সংগ্রহে গেলে বিটিসিএল কর্মকর্তারা বারবার অফিসের দরজা বন্ধ করে দেন অথবা সরাসরি বলেন, আমরা কোনো কথা বলব না।

একজন প্রবীণ সাংবাদিক বলেন, জনগণের টাকায় চলা একটি অফিসে তথ্য নিতে গিয়ে অপমানিত হতে হবে, এটা কল্পনাও করিনি। এদের আচরণ দেখে মনে হয়, যেন তারা জনগণের নয়, বরং ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠানে চাকরি করছেন।

সাংবাদিকদের অনুসন্ধানী প্রশ্নে কর্মকর্তারা বিব্রত না হয়ে উল্টো উচ্চস্বরে কথা বলেন, হুমকিস্বরূপ আচরণ করেন এবং অফিস থেকে বের হয়ে যেতে বলেন। এভাবে তথ্য গোপন রাখার প্রবণতা প্রতিষ্ঠানটির স্বচ্ছতা নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলেছে।

প্রতি বছর বিটিসিএল পাবনা অফিসের জন্য কোটি টাকার বেশি সরকারি বরাদ্দ দেওয়া হয় অফিস পরিচালনা, সরঞ্জাম রক্ষণাবেক্ষণ, নতুন সংযোগ স্থাপন ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা বাবদ। তবে এই বিশাল অঙ্কের টাকা গেল কোথায় সেটা নিয়েই উঠেছে প্রশ্ন। কারণ, অফিসের সেবার মান দিনে দিনে নিম্নগামী। গ্রাহকরা বলেন, ইন্টারনেট বা ল্যান্ডফোন লাইনে ত্রুটি দেখা দিলে মেরামত হতে লাগে ১ থেকে ২ সপ্তাহ। অভিযোগ জানিয়ে কোনো লাভ হয় না।

নাম পরিচয় গোপন রেখে একজন ক্ষুব্ধ গ্রাহক জানান, আমি নিয়মিত বিল দিই। কিন্তু লাইন কাজ করে না। অভিযোগ করলে বলে ঢাকায় ফোন করেন। তাহলে পাবনা অফিস কী করছে?

বিটিসিএল এখনো পুরনো কপার তার (Copper Line) ব্যবহার করছে, যা আধুনিক ব্রডব্যান্ড প্রযুক্তির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। ফলে গ্রাহকরা কম গতির সংযোগ, ঘন ঘন ডিসকানেকশন ও ত্রুটিপূর্ণ লাইনের সমস্যায় ভোগেন। অথচ বাজেটের অধিকাংশই ব্যয় হয় প্রশাসনিক খাতে কর্মকর্তাদের গাড়ি, বেতন, ভাতা ও অফিস পরিচালনায়।

টেলিযোগাযোগ বিশেষজ্ঞরা বলেন,বিটিসিএল সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আধুনিক হতে ব্যর্থ হয়েছে। বাজেট আছে, কিন্তু তা ব্যয় হচ্ছে ভুল খাতে। প্রযুক্তিগত রূপান্তর ছাড়া এই প্রতিষ্ঠান টিকে থাকা কঠিন।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর