
কর্মিদের সুস্পষ্ট অপরাধে নেতারা বহিষ্কারাদেশ দেওয়ার নিয়ম থাকলেও নেতাদের অপরাধে সাংগঠনিক ক্ষমতার অপব্যবহারে কর্মিদের করণীয় কি। দূর্দিনের ত্যাগী নেতা কর্মিরা দলের কর্মি হিসাবে পরিচিত তারা কোন নেতার কর্মচারী নয়। সাংগঠনিক নিয়মবহির্ভূত অবস্থানে যে কেও অবস্থান নিলে তাকে শাস্তি পেতে হবে এমন দৃষ্টান্ত দেখতে চাই।
বরিশাল উত্তর জেলা কৃষক দলের আহবায়ক নলী মোঃ জামাল হোসেন এর বিরুদ্ধে অসাংগঠনিক কর্মকান্ড ও সাংগঠনিক ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ তুলেছেন মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা ১১ নং চানপুর ইউনিয়ন কৃষক দল। বিগত এই দৃশ্যমান অভিযোগ গত একবছর ধরে চরম পর্যায়ে। জানা গেছে গত বছর ২১ জানুয়ারি চানপুর ইউনিয়ন কৃষক দলের কমিটি অনুমোদন দেন মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা কৃষক দলের আহবায়ক মোঃ বাবুল পালোয়ান এবং সদস্য সচিব মাস্টার এম এ ফিরোজ, কমিটিতে সভাপতি করেন উপজেলা কৃষক দলের যুগ্ম আহবায়ক মোঃ মনির হোসেন বাঁঘা এবং উপজেলা কৃষক দলের যুগ্ম আহবায়ক দেওয়ান মোঃ জলিল কে মুলত তাদের এই জুটিতে অসন্তুষ্ট হয়ে গত ২৬-০১-২০২৫ ইং,তারিখ উপজেলা কৃষকদলের কমিটি বিলুপ্ত করে বরিশাল উত্তর জেলা কৃষক দল এবং কমিটি অনুমোদনের পর অনুমোদিত কমিটিকে সরাসরি জরিয়ে তিন তিনটি প্রেশ বিঙ্ঘপ্তি দেয় বরিশাল উত্তর জেলা কৃষক দল। যা এলাকায় চাঞ্চ্যল্যকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করে এতে ক্ষোভ প্রকাশ করে চানপুর ইউনিয়ন কৃষক দলের সভাপতি / সম্পাদক বলেন আমরা চানপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের রাজনীতি করেছি যুবদলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছি এমনকি উপজেলা কৃষক দলের যুগ্ম আহবায়ক এর মত পদে থাকা অবস্থায় ইউনিয়ন কৃষক দলের সভাপতি/ সম্পাদক হয়েও জেলা কৃষক দলের আহবায়ক নলী মোঃ জামাল হোসেন এর কর্মচারী হতে না পারায় আমাদের সাথে সাংগঠনিক ক্ষমতার অপব্যবহার করা হয়েছে এবং স্থানীয় ভাবে আমাদের রাজনৈতিক ইমেজ ক্ষুন হয়েছে মর্মে জেলা কৃষক দলকে তাদের অন্যায়ের জন্য অনুতাপ এবং দুঃখ প্রকাশ করতে হবে বলে উপজেলা কৃষক দলের সাবেক এই দুই যুগ্ম আহবায়ক ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
তারা বলেন আমরা নির্বাচনী এলাকায় গেলে নেতা কর্মিরা আমাদেরকে উপহাস করে বলেন জেলার নেতার সাথে ন্যায় অন্যায় নিয়ে রাজনীতি করতে নেই তারা ভুল করেও সঠিক সঠিক করলেও সঠিক তাই সিনিয়র তারা যেটা করে সেটাই সঠিক এমন অপব্যহার থেকেই মুক্তি পেতে আমাদের এই অবস্থান।
আমাদের চাওয়া যদি আমাদের অপরাধ হয় তাহলে আমাদেকে শাস্তি দেওয়া হোক আর যদি জেলা কৃষক দলের আহবায়ক নলী মোঃ জামাল হোসেন এর অপরাধ হয় সে অনুতপ্ত হোক এটুকই সব জন্ঝালের অবসান ঘটে যাবে। আমরা সিনিয়র নেতার অসম্মান চাই না, শুধু এটুকুই চাই যে আমরা জুনিয়রেকে কেও অন্যায় ভাবে দাবিয়ে রাখতে পারবে না।