
স্টাফঃ রিপোর্টার
গাইবান্ধা সুন্দরগঞ্জ থানাধীন দক্ষিণ মরুয়াদহ এলাকায় পূর্ব শত্রুতার জেরে বসত বাড়িতে হামলা ভাংচুর করে কয়েক লক্ষ টাকার স্বর্ণ অলংকার সহ বিভিন্ন মালামাল লুট করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
গত মঙ্গলবার ২৯ শে জুলাই ২০২৫ ইং তারিখে এ ঘটনা ঘটে। এ বিষয়ে মোঃ ইউনুস আলী (৫৭) বাদী হয়ে ২০ জনের নাম উল্লেখ করে সুন্দরগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
উক্ত আসামীরা হলেন ১। মোঃ মালেক মিয়া (৩৫), ২। মোঃ মাহাবুর রহমান (২৩), ৩। মোঃ মাহালম মিয়া (২১), সকলের পিতা-মৃত নওয়াব আলী, ৪। মোঃ নুরুল আমিন (৫৫), পিতা-মৃত আমান শেখ, ৫। মোঃ হামিদুল ইসলাম (৪০), পিতা-মৃত মনি শেখ, ৬। মোঃ কাশেম নিয়া (৪০), পিতা-মৃত রশিদ মিয়া, ৭। মোঃ খোকা মিয়া (৫৫), পিতা-মৃত ইমান করিয়া, ৮। মোঃ মন্টু মিয়া (৪০), ৯। মোঃ ফারুক মিয়া (২৭), ১০। মোঃ ফিবোজ মিয়া (২৪), সকলের পিতা-মোঃ খোকা দিয়া’, ১১। মোঃ নুর আলম (২২), পিতা-মোঃ কাশেম মিয়া, ১২। মোছাঃ মালেকা বেগম (৪৫), স্বামী-মৃত নওয়াব আলী, ১৩। মোহাঃ দুরিনা বেগম (৩০), ১৪। মোছাঃ নুরুন্নাহার বেগম (২৫), ১৫। মোছাঃ মুন্নি বেগম (২০), পিতা-মৃত নওয়াব আলী, ১৬। মোছাঃ রাশেদা বেগম (৩২), স্বামী-মোঃ মালেক মিয়া, ১৭। মোছাঃ হামিদা বেগম (২৮), পিতা-মৃত মনি শেখ ১৮। মোছাঃ পারভিন বেগম (২৫), পিতা-মোঃ খোকা মিয়া, ১৯। মোহাঃ সূর্য বেগম (৪৫), স্বামী-মোঃ নুরুল আমিন ২০। মোহাঃ ফুলো রানী (২৪), পিতা-মোঃ নুরুল আমিন, সাং-দক্ষিণ মরুয়াদহ,থানা-
সুন্দরগঞ্জ, জেলা-গাইবান্ধা।
থানা পুলিশ ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায় যে, আসামীগণ দীর্ঘ দিন হইতে জমি জমার বিষয় নিয়ে আমাদের সাথে বিরোধ সৃষ্টি করিয়া আসিতে থাকা কালীন আসামী মালেক মিয়া ও তাদের পরিবারের লোকজনের সাথে আমাদের মারামারি হয়। উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করিয়া ১নং আসামী পুনরায় আমাদেরকে মারধর করার জন্য তাদের আত্মীয় স্বজন অর্থ্যাৎ উল্লেখিত আসামীদেরকে একত্রিত করে বেআইনী জনতায় দলবদ্ধ হইয়া তাদের হাতে থাকা দেশি অস্ত্র লাঠি, সোটা, বেকি ও লোহার রড নিয়ে একই তারিখ রাত অনুমান ১০.০০ ঘটিকায় আমার বাড়িতে অনঅধিকার প্রবেশ করে ত্রাস সৃষ্টি করে। আসামী মালেক মিয়া হুকুম দিয়া সে সহ সকল আসামী আমার বাড়ির টিনের বাউন্ডারি বেড়া, টিনের ঘরের টিনের বেড়া, ঘরে থাকা বিভিন্ন আসবাবপত্র, বাসনপত্র সহ বিভিন্ন মালামাল ভাংচুর করে অনুমান ২,০০,০০০(দুই লক্ষ)টাকার ক্ষতি সাধন করে। আসামীগণ আমার বাড়ি ঘর ভাংচুর করাকালে আসামী মালেক ও নুরুল আমিন আমার দক্ষিণ দুয়ারী টিনের শয়ন ঘরে থাকা ব্যবসায়িক ২টি কাপড়ের গাড়ি যাহার মূল্য অনুমান ২,৫০,০০০( দুই লক্ষ পঞ্চাশ হাজার)টাকা বাহির করে নিয়ে যায়।
আসামী ফারুক মিয়া, ফিরোজ মিয়া ও হামিদুল মিয়া আমার দক্ষিণ দুয়ারী টিনের শয়ন ঘরে শোকেচ এর ড্রয়ারে থাকা ০২ ভরি ওজনের স্বর্ণ অলংকার যাহা ২টি চেইন, ২টি ঝুমকা দুল ও ২টি চুরি যাহার মূল্য অনুমান ২,৮০,০০০(দুই লক্ষ আশি হাজার) টাকা বের করে নিয়ে চলে যায় । আসামী মাহাবুর, মাহালম, মুরিনা বেগম, মালেকা বেগম ও সূর্য বেগম সহ অন্যান্য আসামীগণ আমার ঘরে থাকা ১টি গ্যাস সিলিন্ডার, ১টি সেলাই মেশিন, ১৫ মণ ধান, ১টি সেলোমেশিন, দেড় মণ চাউল সহ ২টি ড্রাম সহ বিভিন্ন জিনিসপত্র যাহার মূল্য অনুমান ১,০০,০০০(এক লক্ষ)টাকা বাহির করে নিয়ে যায়।
এছাড়াও আসামীগণ আমার বাড়িতে বিভিন্ন জিনিসপত্র লুটপাট করে তাহাদের বাড়িতে নিয়ে যায়। আমি ও আমার পরিবারের লোকজন আসামীদেরকে বাঁধা দেওয়ার চেষ্টা করিলে আসামীগণ তাহাদের হাতে থাকা দেশিও অস্ত্র নিয়ে আমাদেরকে প্রাণ নাশ করার হুমকি দেয় ফলে আমরা বাঁধা প্রদান করিতে পারি নাই।
এ বিষয়ে সুন্দরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ বলেন লিখিত অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।