
অযোগ্য লোক যখন সমাজে হটাৎ টাকাওয়ালা হয়ে যায় তখন তাদের আস্ফালন বা আত্ম অহংকার এতোটাই বেড়ে যায় যে,কাউকে কটুকথা বলা,সাজিয়ে গুছিয়ে মিথ্যাকথা বলা যেন তাদের রক্তের সাথে মিশে যায় অর্থাৎ জনসম্মুখে তাঁরা যা-ই বলে সেটাই যেন বৈধতা পেয়ে যায়!
অল্পদিনের এই দুনিয়ায় একটু চিন্তা ভাবনা করে পথ চলতে হয়।কথাবার্তায় শালীনতা আনতে হয়।
কথা শুনে অন্যরা যেন আপনার পরিবারকে দোষারোপ করতে না পারে,যেন বলতে না পারে এইটা তার পারিবারিক শিক্ষা!আমার বা আপনার কথা এমন যেন না হয়–
যা মনিষীরা ধিক্কার দিয়ে বলে গেছেন—আঘাট ঘাট হবে,মানুষ অমানুষ হবে!
মনে রাখতে হবে এই দুনিয়ায় মানুষের সবচেয়ে বড় সম্পদ হচ্ছে তার ভালো ব্যবহার।
কথার মাধুর্যতায় আপনার যা ইনকাম হবে কোটি টাকা দিয়েও তা আপনি কোনদিন অর্জন করতে পারবেন না।মৃত্যু পরবর্তী সময়েও মানুষ আপনার ব্যবহার নিয়েই সমালোচনা বা পর্যালোচনা করবে।
এই জীবনে মানুষের অনেক উত্তান দেখেছি,আত্ম অহংকারী উত্থান দাতাদের হটাৎ নেতিয়ে যাওয়ার ঘটনাও আমি স্বচক্ষে উপলব্ধি করেছি।
এতে আমি উৎসাহিত হইনি বরং আফসোস করেছি এবং মহান আল্লাহর কাছে ক্ষমা চেয়ে কায়মনোবাক্যে বলেছি- হে আল্লাহ!তুমি আমাকে এমন কিছু দিও না যার ভার আমি বহন করতে পারবো না।
মহান আল্লাহ সবাইকে সবকিছু বুঝার এবং সেমতে চলার হেদায়েত দান করুক।(আমিন)