জাতীয় দৈনিক আজকের দুর্নীতির সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি আলী নিয়ামতের কলাম
আজকের দুর্নীতি ডেস্ক:
-
প্রকাশের সময় :
বুধবার, ৩০ জুলাই, ২০২৫
-
১০০
বার পঠিত

- দৈনিক আজকের দুর্নীতির সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি আলী নিয়ামতের কলাম # দেশ আজ কোন পথে? দেশের সার্বিক পরিবেশ পপরিস্থিতি কি অস্বাভাবিক নয়? চারদিকে সবাই কি দেখতে পাচ্ছি? চাঁদা বাণিজ্য সন্ত্রাস মবক্রেসি মামলা বাণিজ্য খুন ছিনতাই অহরহ ঘটছে চলছে বিপ্লবের পর থেকেই! যা কমা তো দূরের কথা বরং বেড়েছে। বেড়েই চলেছে! এমন পরিবেশ পপরিস্থিতিতে কিসের নির্বাচন? প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন জামাত নেতা ডা. সফিকুর রহমান প্রকাশ্য জনসভায়! আর ড. ইউনূসও একই সুরে কথা বলার চেষ্টা করেছেন। আর এনসিপি তো নির্বাচন যতো পিছিয়ে যায় ততোই তাদের জন্য সুবিধে ভাবছে। এজন্য তারা যা যা করার করে যাচ্ছে প্রকাশ্যে বেশিরভাগ গোপনে – এটা সচেতন সবাই জানে বা বোঝে! শিক্ষার্থীরা প্রায় ৫ কোটি । যারা বিপ্লবের অংশীদার সমর্থক যোদ্ধা দেশব্যাপী। এরা আগে যেভাবে শিক্ষার্থী যোদ্ধা নেতাদের বিশ্বাস করতো শ্রদ্ধা করতো তাদের অনাকাঙ্ক্ষিত কার্যকলাপে তা ২০% এ নেমে এসেছে সমর্থনে বিশ্বাসে শ্রদ্ধায়। কেউ কেউ তো প্রকাশ্যে বেড়িয়ে এসে বলা শুরু করেছে প্রতারিত হয়েছে বিপ্লবের নামে। চাদাবাজি সন্ত্রাস ঘুষ ও দুর্নীতে বিপ্লবী শিক্ষার্থী যোদ্ধাদের সুনামের এই ঘাটতির সাথে প্রতিযোগিতায় নেমেছে বিএনপি জামাতের নেতা কর্মী সংগঠকরাও? যদিও বিএনপির দুর্নামই বেশি শোনা বা দেখা যাচ্ছে। ইতোমধ্যে বিএনপি ৪ হাজার কর্মী নেতা সদস্য সংগঠককে বহিস্কার করেছে চাঁদাবাজীর জন্য! আর ধরা ছোঁয়ার বাইরে রয়েছে কতো? বিএনপি নেতারা বলছেন আমরা তো হাজার হাজার বহিস্কার করেছি। কিন্তু সরকার কজনকে আটক করেছে এদের মধ্যে বা আইনের আওতায় এনেছে? সেনাবাহিনীর সদস্য পুলিশ র্যাব তাহলে কি করছে? বিএনপির এই কথার মধ্যে যুক্তি আছে বটে! তবে যা রটে কিছু তো ঘটে প্রবাদ আছে! জামাত সারাদেশে প্রশাসন সামলাচ্ছে সেনাবাহিনীসহ সচিবালয় সবক্ষেত্রে? টক’শোতে সাংবাদিক বুদ্ধিজীবী সচেতন সবাই জোর গলায় সেসব কথা বলছেন! লিখছেন অনেকেই। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা অনেকটা বেড়েছে বলার অপেক্ষা রাখে না! ফেসবুক ইউটিউব ইত্যাদিতে যেসব গুজব ভাসছে ছড়াচ্ছে তা বিশ্বাস করলে দেশে সরকার নাই? আবার পলাতক সরকার এলো বলে ইত্যাদি ইত্যাদি? অথচ এদের বিরুদ্ধে কোনো আইনি ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না! এটাই বাস্তবতা। এমন বাস্তবতায় দেশের সাধারণ শিক্ষার্থী জনতা রাজার নীতি রাজনীতি ছেড়ে এখন সবাইকে জনতার নীতি : জননীতি করার জন্য আহবান জানাচ্ছে। তারা মনে করে রাজনীতি যারা করেছে করছে সবাই দুর্নীতিবাজ। দুর্নীতি করার জন্যই তারা রাজনীতি করেছে করছে এযাবৎকাল ধরে। আসলেই তো স্বাধীন বাংলাদেশে তো রাজা রাজতন্ত্র প্রজা নাই! তবে কেনো রাজনীতি থাকবে। জনতার নীতি জননীতিই শুধু থাকবে এবার। তাই যারা রাজনীতি করবে তারা ভোট পাবেনা বরং ভোলো যোগ্য মানুষ ভোট পাবে যদি সুষ্ঠু নির্বাচন হয়? আর সুষ্ঠু নির্বাচন না হলে দেশের পরিস্থিতি এখনকার চেয়ে আবারও শতগুণ বেড়ে যাবে? দেশের অস্তিত্বও বিলীণ হতে পারে! পরাশক্তির হাতের পুতুল হয়ে আবার বাঁচতে হবে দেশের মানুষকে! বিভিন্ন ফোরামে অবশ্য বলা হচ্ছে দেশটা আমেরিকার হাতের পুতুল হতে যাচ্ছে? বর্তমান সরকারই এজন্য দায়ী থাকবে যদি বাস্তবে তা ঘটে। তবে চীন বন্ধু হিসেবে বাংলাদেশের সাথে পাশে থাকার ঘোষণা দিয়েছে ইতোমধ্যেই আশার কথা! সব এলোমেলো কথার মধ্যে আসল কথা : সুষ্ঠু নির্বাচন যদি হয় এবং জননীতির মাধ্যমে একটি জনতার সরকার প্রতিষ্ঠা পায় তবেই বিপ্লব সফল হবে একদিন ইনশাআল্লাহ!
এই ক্যাটাগরির আরও খবর