1. admin@dailyajkerdurnity.com : admin :
শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৫৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ডিবির বিরুদ্ধে স্বর্ণ চুরি ও ঘুষের মিথ্যা অভিযোগ; অনুসন্ধানে মিলল ভিন্ন চিত্র এক আলোকিত জনপ্রতিনিধি-গোপদীঘি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সফল চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট শরফুদ্দীন ভূঁইয়া সবুজ ফিরে পেলো আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের লাইসেন্স কিশোরগঞ্জে জমি-সংক্রান্ত বিরোধে হামলা, আহত ১ সংসদের সাউন্ড সিস্টেম প্রতিস্থাপনে উচ্চ পর্যায়ের সভায় প্রধানমন্ত্রী মায়ের দান করা স্কুলে সভাপতি নির্বাচিত ছেলে খায়রুল আলম খান,পিএসসি বৃত্তিতে উপজেলায় শ্রেষ্ঠ উত্তর গোপদীঘি সপ্রাবি গোপদিঘীর সেই সন্ধ্যা –কবি খাইরুল আলম খান উদ্ধার অভিযানে গিয়ে নিজের সন্তানের লাশ পেলেন পুলিশ সদস্য যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে তারেক রহমানের অভিনন্দন গুম ও বিচারবহির্ভূত খুনকে প্রশ্রয় দেবে না সরকার : ডা. জাহেদ

আগেই ঠিক ছিল লগ্ন, হাতে-পায়ে ব্যান্ডেজ নিয়ে হাসপাতালেই বিয়ে

আজকের দুর্নীতি ডেস্ক:
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৩৭ বার পঠিত

কনা আক্তার

মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত হয়েছে হাসপাতালের বিছানায় জায়গা হয়েছে আনন্দ সাহার। তার হাত-পা ব্যান্ডেজে মোড়া। ওদিকে বিয়ের লগ্ন যে আগেই নির্ধারণ ছিল। তাই হাসপাতালেই হিন্দু ধর্মের নিয়ম মেনে সারলেন বিয়ের অনুষ্ঠানিকতা।

 

বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে শহরের ‘আফরোজা বেগম জেনারেল হাসপাতাল’ এর একটি খালি জায়গায় আনন্দ সাহা এবং অনিতা সরকারের পরিবার এ আয়োজন করে বলে জানান হাসপাতালের অপারেশন ম্যানেজার দিলীপ কুমার মণ্ডল।

 

বর আনন্দ মানিগঞ্জ শহরের পূর্ব দাশরা এলাকার বাসিন্দা অরবিন্দ সাহার ছেলে। আর কনে অনিতা ঘিওর উপজেলার বানিয়াজুরি এলাকার সুবোধ সরকারের মেয়ে।

 

দিলীপ কুমার বলেন, “আনন্দ সাহা ৩০-৪০ দিন আগে বাইক অ্যাক্সিডেন্ট করেন। তার হাত ও পায়ের কয়েক জায়গা ভেঙে যায়। পরে ঢাকার একটি হাসপাতালে তার অপারেশন হয়। আমাদের এখানে বেশ কিছু দিন হল তিনি ভর্তি রয়েছেন।

 

“পরিবারের অনুরোধে এবং আগের চেয়ে রোগী সুস্থ থাকায় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অনুমতিতে হাসপাতালের গ্রাউন্ড ফ্লোরে তার বিয়ে হয়। রাত ১০ টার মধ্যে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়।”

 

আনন্দ সাহার চাচাত ভাই অর্ণব সাহা বলেন,“মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় হাত-পায়ের কয়েক জায়গায় ভেঙে যাওয়ায় আনন্দকে হাসপাতালের বিছানায়ই থাকতে হচ্ছে। কিন্তু বৃহস্পতিবার তার বিয়ের লগ্ন ঠিক করা ছিল আগেই। সেটা মিস করা যেত না।

 

“আর তার শারীরিক অবস্থা আগের চাইতে অনেকটা স্বাভাবিকও রয়েছে। তাই চিকিৎসকদের পরামর্শ নিয়েই বিয়ের আয়োজন করা হয়।”

 

আফরোজা বেগম জেনারেল হাসপাতালের ইউনিট হেড সিরাজুল ইসলাম বলেন, “আনন্দ বাইক দুর্ঘটনায় দুই হাত ও এক পায়ে গুরুতর আঘাত পান। তার বিয়ের লগ্ন থাকায় তার পরিবার আমাদের বিষয়টি জানায়। পরে আমরা গুরুত্ব সহকারে কনসালটেন্টদের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা করি।”

 

রোগীর শারীরিক অবস্থাও আগের তুলনায় স্থিতিশীল ছিল। তাই বিয়ের অনুষ্ঠান কেবিনে না করে হাসপাতালের অব্যবহৃত একটি অংশে করার অনুমতি দেওয়া হয় বলে জানান তিনি।

 

বরের বাবা অরবিন্দ সাহা বলেন, “বিয়ের লগ্ন ধরতেই হাসপাতালে বিয়ের আয়োজন করা হয়। হাসপাতালে এমন আনন্দ হবে আমরা ভাবতেই পারিনি।

 

“অনেক আগে থেকেই বিয়ের দিন আর সময় ঠিক থাকায় তারিখ পরিবর্তন করিনি। নির্ধারিত তারিখেই বিয়ের আয়োজন সেরে নিয়েছি।”

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর