1. admin@dailyajkerdurnity.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০২:১৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
মোহাম্মদ হারুন অর রশীদকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে মেট্রোরেলে অ”সু”স্থ হয়ে একটু বসার জায়গা চেয়েছিলেন একজন অধ্যাপক। কেউ দেয়নি। দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় স্ট্রোক করে মারা গেলেন। আইজিপির বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন সাংবাদিক সমাজ আশুলিয়ায় কোটি টাকা চাঁদা দাবী-ফ্যাক্টরী ও জমি দখল-সন্ত্রাসী হামলায় সাংবাদিকসহ আহত-২ মিঠামইনে দূর্গা পূজা উপলক্ষে নাটক মঞ্জস্ত ফ্যাক্টরি দখল নিতে গিয়ে আশুলিয়ায় সাংবাদিকের ওপর সন্ত্রাসী হামলা, তীব্র নিন্দা গাজীপুরের কাশিমপুরে বকেয়া বেতনের দাবিতে মেঘা ইয়ার্ন ডাইং মিলস লিমিটেডের শ্রমিকদের আন্দোলন ও ভাঙচুর। কাপাসিয়া সিংহশ্রীতে শারদীয় দুর্গোৎসব: ২টি পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শফিকুল ইসলাম বাহাদূর ও অ্যাড. জাকির হোসেন দেবীদ্বারে এমপি হাসনাত আব্দুল্লাহ: ‘পদত্যাগ সরকারের শর্ট-টার্ম প্যারাসিটামল থেরাপি’ সিংহশ্রী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী শফিকুল ইসলাম বাহাদুর সকলের সমর্থন ও দোয়া প্রত্যাশী

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় ভুয়া এতিম দেখিয়ে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

আজকের দুর্নীতি ডেস্ক:
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৮৫ বার পঠিত
  1. এইচ এম শাহিন আলম: কুমিল্লা প্রতিনিধি 

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার লাড়ুচোঁ গ্রামে অবস্থিত লাড়ুচোঁ পশ্চিমপাড়া নূরানীয়া হাফেজিয়া এতিমখানা-এর কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, ভুয়া এতিমের তালিকা দেখিয়ে বছরের পর বছর লাখো টাকা আত্মসাৎ করছেন প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক মো. মিজানুর রহমান।

সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, প্রতি দুইজন এতিম বা অসহায় শিশুর বিপরীতে একজনের জন্য মাসিক ২ হাজার টাকা করে ক্যাপিটেশন গ্রান্ট বরাদ্দ দেওয়া হয়। সে অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটি ২২ জন এতিম শিক্ষার্থীর নামে নিয়মিত টাকা উত্তোলন করছে। নিয়ম অনুসারে সেখানে অন্তত ৪৪ জন সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থী থাকার কথা থাকলেও সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, প্রতিষ্ঠানটিতে শিক্ষার্থী আছে মাত্র ১৫ জন।

শিক্ষার্থীর সংখ্যাবৈষম্য ও ভুয়া তালিকার বিষয়ে জানতে চাইলে উপস্থিত শিক্ষকরা কোনো সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারেননি। এমনকি প্রতিষ্ঠানের পরিচালক মিজানুর রহমানও সঠিক জবাব দিতে ব্যর্থ হন। তিনি শুধু বলেন, “অনেক কষ্টে মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠা করেছি। এখন এটি পরিচালনায় হিমশিম খাচ্ছি। শিক্ষকদের বেতন, খাওয়াদাওয়া ও বিদ্যুৎ বিল আমাকে পরিশোধ করতে হয়।” তবে এতিমদের নামে বরাদ্দ পাওয়া সরকারি অর্থ অন্য খাতে খরচ করার নিয়ম আছে কিনা—এমন প্রশ্নের কোনো স্পষ্ট জবাব তিনি দিতে পারেননি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রকৃত এতিম ও অসহায় শিশুদের অধিকার হরণ করে একটি প্রভাবশালী চক্র এভাবে সরকারের বরাদ্দকৃত অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে। এলাকাবাসী বিষয়টিকে ‘পুকুর চুরি’র সঙ্গে তুলনা করে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

এ ঘটনায় তারা দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে দ্রুত তদন্ত করে অভিযুক্তদের আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানিয়েছেন।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর