1. admin@dailyajkerdurnity.com : admin :
শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৪৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ডিবির বিরুদ্ধে স্বর্ণ চুরি ও ঘুষের মিথ্যা অভিযোগ; অনুসন্ধানে মিলল ভিন্ন চিত্র এক আলোকিত জনপ্রতিনিধি-গোপদীঘি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সফল চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট শরফুদ্দীন ভূঁইয়া সবুজ ফিরে পেলো আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের লাইসেন্স কিশোরগঞ্জে জমি-সংক্রান্ত বিরোধে হামলা, আহত ১ সংসদের সাউন্ড সিস্টেম প্রতিস্থাপনে উচ্চ পর্যায়ের সভায় প্রধানমন্ত্রী মায়ের দান করা স্কুলে সভাপতি নির্বাচিত ছেলে খায়রুল আলম খান,পিএসসি বৃত্তিতে উপজেলায় শ্রেষ্ঠ উত্তর গোপদীঘি সপ্রাবি গোপদিঘীর সেই সন্ধ্যা –কবি খাইরুল আলম খান উদ্ধার অভিযানে গিয়ে নিজের সন্তানের লাশ পেলেন পুলিশ সদস্য যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে তারেক রহমানের অভিনন্দন গুম ও বিচারবহির্ভূত খুনকে প্রশ্রয় দেবে না সরকার : ডা. জাহেদ

এলজিইডির কোন প্রধান প্রকৌশলীর ভাগ্যে জোটেনি বিদায়ী সংবর্ধনা 

আজকের দুর্নীতি ডেস্ক:
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১৫৯ বার পঠিত

 

নিজস্ব প্রতিবেদক: কামরুল ইসলাম সিদ্দিক ছাড়া এলজিইডির অন্যকোন প্রধান প্রকৌশলীর কপালে বিদায়ী সংবর্ধনা জোটেনি।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর এলজিইডির প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকে বর্তমান অবদি ১৮ জন প্রধান প্রকৌশলী গত হয়েছেন। এলজিইডির প্রতিষ্ঠাতা প্রধান প্রকৌশলী কামরুল ইসলাম সিদ্দিক ব্যতিত আর কোন প্রধান প্রকৌশলী বিদায়ী সংবর্ধনা পাননি। পল্লী পূর্ত কর্মসূচি সূচনা লগ্নে ১৬ জুলাই ১৯৮০ প্রয়াত কায়রুল ইসলাম সিদ্দিক প্রধান প্রকৌশলীর দায়িত্ব পান এর পর সরকার ১ জানুয়ারী ১৯৮৪ সালে এই দফতরের নাম পরিবর্তন করে নামকরণ করে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ এলজিইবি। এই দফতরের প্রধান প্রকৌশলী ছিলেন কামরুল ইসলাম সিদ্দিক পরবর্তীতে ৩১ আগস্ট ১৯৯২ সালে এই দফতরের নাম পুনরায় পরিবর্তন করে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর এলজিইডি রাখা হয়। এলজিইডির সূচনা লগ্ন থেকে ১৬ মে ১৯৯৯ পর্যন্ত তিনি প্রধান প্রকৌশলীর দায়িত্বে ছিলেন।সব মিলে ১৮ বছর ১০ মাস প্রধান প্রকৌশলীর দায়িত্ব পালন করেন কামরুল ইসলাম সিদ্দিক। এলজিইডি একটি মডেল হিসেবে গড়ে তোলেন তিনি। কামরুল ইসলাম সিদ্দিক পদোন্নতি পেয়ে সচিব হলে তাকে অন্যত্র চলে যেতে হয়। ১৬ মে ১৯৯৯ সাল,সেদিন কামরুল ইসলাম সিদ্দিককে বিদায় সংবর্ধনা দিল এলজিইডি। সেই অনুষ্ঠান ছিল যেমন আন্তরিক ও আনন্দের তেমনি ছিল বেদনার। এলজিইডির দ্বিতীয় তলার অডিটোরিয়াম ও বাইরের সকল জায়গা ঠাসা কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ভিড়ে। পদোস্ত কর্মকর্তারা আবেগঘন বক্তব্য রাখেন ,দিক নির্দেশনা মুলক নাতিদীর্ঘ বিদায়ী বক্তব্য রাখেন এলজিইডির স্বপ্নদ্রষ্টা কামরুল ইসলাম সিদ্দিক। পিনপতন নীরবতা। এরপর যখন তিনি ভবন ত্যাগ করেন তখন এক হৃদয়বিদারক দৃশ্য, উপস্থিত সকলের চোখের পানিতে দু-গন্ড ভেসে যাচ্ছে।
কামরুল ইসলাম সিদ্দিক ব্যতিত এলজিইডির ১৯ তম প্রধান প্রকৌশলীর কার্যকাল চলছে। তবে ওই ধরনের বিদায়ী সংবর্ধনা আর হয়নি। এলজিইডির চতুর্থতম প্রধান প্রকৌশলী মোঃ শহীদুল হাসানের বিদায়ী সংবর্ধনা হলেও এর পর আর কোনো প্রধান প্রকৌশলীর ভাগ্যে বিদায়ী সংবর্ধনা জোটেনি। এরপর মোঃ নূরুল ইসলাম ৪ মাস প্রধান প্রকৌশলী ছিলেন,তিনি শেষ কয়েকদিন অফিসে আসতে পারেননি মোঃ ওয়াহেদুর রহমান কোন অনুষ্ঠান ছাড়াই দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দীর্ঘ ছয় বছর প্রধান প্রকৌশলীর দায়িত্বে ছিলেন তিনি। তিনবার এক্সটেনশন করে চতুর্থ বার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে শেষ ২/৩ দিন অফিসে আসেননি।১১ ডিসেম্বর ২০১৪ শেষ বেলায় মন্ত্রণালয় থেকে অফিস আদেশ নিয়ে এলজিইডি ভবনে আসেন শ্যামা প্রসাদ,এরপর ওয়াহেদুর রহমান কখনো এলজিইডি ভবনে আসেনি। এরপর আবুল কালাম আজাদ, খলিলুর রহমান, রেজাউল করিম,এ কে আজাদ,শুশংকর আচার্য,মতিয়ার রহমান কেহই বিদায়ী সংবর্ধনা পাননি। এরপর মোঃ আব্দুর রশীদ খান প্রায় দুই বছর প্রধান প্রকৌশলীর দায়িত্ব পালন করেন কিন্তু বিদায়ী সংবর্ধনা পাননি। এরপর সেখ মোহাম্মদ মোহসিন শেষ ৩/৪ দিন অফিসে আসেননি একই হাল হয় মোঃ আলী আক্তার হোসেন ও গোপাল কৃষ্ণ দেবনাথের। পরবর্তীতে তিনজনকে টপকিয়ে প্রধান প্রকৌশলীর দায়িত্ব পান মোঃ আব্দুর রশীদ মিয়া, তিনি প্রায় সাত মাস প্রধান প্রকৌশলীর দায়িত্ব পালন করলেও শেষের পনের দিন এলজিইডি ভবনে আসেননি। বর্তমান প্রধান প্রকৌশলী মোঃ আনোয়ার হোসেন তার দায়িত্ব শেষ হবে চলতি মাসের ২৫ তারিখ। তার সিদ্ধান্ত হিনতায় ফাইলের স্তূপ হয়ে আছে প্রধান প্রকৌশলীর দফতর। ফাইল স্বাক্ষর না করায় স্থবির এলজিইডি। প্রকল্প পরিচালক সহ সকল স্তরের কর্মকর্তা কর্মচারীরা নাখোস তার উপর শেষ অবদি দেখাযাক আনোয়ার হোসেনের কপালে বিদায়ী সংবর্ধনা জোটে কিনা আর জুটলেও সে অনুষ্ঠান মন থেকে নিবে না কেহ।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর