
স্টাফ রিপোর্টার
ছাত্র জনতার গণ অভ্যুত্থানের জুলাই হত্যা মামলার আসামী হয়েও রকিবুল আলম ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের দোসর ডাচবাংলা ব্যাংকের সমস্ত ব্যবসা-বাণিজ্য দেখা শোনা করছে রকিবুল আলম ওরফে রাকিব উদ্দিন। তিনি প্রকাশ্যে প্রশাসনের নাকের ডগা দিয়ে ঘুরেবেড়াচ্ছেন। আওয়ামী লীগের শাসনামলে এই রাকিব উদ্দিন গণভবন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সহ সারা দেশে বীরের বেশেদাপিয়ে বেড়িয়েছে।
জানাযায় নানা তদবির বানিজ্য করে শত শত কোটি টাকা মালিক বনে গেছে। রাকিব উদ্দিন এখন ডাচ বাংলা ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা শাহাবুদ্দিন আহমেদ এর সমস্ত ব্যবসা বাণিজ্য দেখ ভালের নাম করে রক্ষক সেজে ভক্ষক হয়ে গেছে।
উল্লেখ্য শাহাবুদ্দিন জুলাই আগষ্টের হত্যা মামলার আসামি হওয়ায় তিনি বর্তমানে বিদেশ রয়েছে। এই সুযোগে শাহাবুদ্দিনের আস্থাভাজন কাছের লোক হিসেবে ব্যবসা বাণিজ্য দেখ ভালের সুযোগ হয়ে যায় তার।

এই সুবর্ণ সুযোগে রকিবুল রক্ষ থেকে ভক্ষক হয়ে শাহাবুদ্দিন আহমেদের পারিবারিক ব্যবসা ও শিল্প প্রতিষ্ঠানের কৃত্রিম সংকট তৈরির মাধ্যমে ব্ল্যাকমেইল করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। বিগত সরকারের আমলে প্রধানমন্ত্রীর আত্মীয় বলে পরিচয়ে গণভবন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অবাধ যাতায়াত ছিল। ৫ ই আগস্টের পর দেড় বছরে একাধিক বার বিভিন্ন দেশে অবাধে যাতায়াত করে।

তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, রকিবুল হুন্ডির মাধ্যমে প্রচুর টাকা পাচার করে পালাতক নেতাদের কাছে পৌছায় দেন। চেক করলে এর সত্যতা মিলবে বলে জানাযায়,
(তার পাসপোর্ট নং – এ ০২৩৩৩২৮৯)। তার বিরুদ্ধে যে মামলা রয়েছে তার নম্বর (সিআর মামলা নাং- ২৮/২০২৪ উত্তর পূর্ব এরিয়া ধারা-৩০২/২০১/১২০খ/ ৩৪ দণ্ডবিধি)।
এছাড়াও, এই রকিবুল আলম ওরফে রাকিব উদ্দিন ২০২৪ সালের ৫ আগস্টে রাতেও প্রচুর টাকা খরচ করেছেন ছাত্র জনতার আন্দোলন দমাতে।সে যুবলীগের সাবেক ইসমাইল হোসেন সম্রাটের ঘনিষ্ঠ সহযোগী বলে জানাযায়।
কোন অদৃশ্য ক্ষমতার বলে জুলাই হত্যা ম্যামলার আসামীরা গ্রেপ্তার অথবা পালতক থাকলেও এই রাকিব উদ্দিন ঘুরে বেড়াচ্ছে সদর্পে। এ বিষয় জানতে রকিবুল আলম রাকিব উদ্দিনের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে। তিনি মোবাইল ফোন রিসিভ করেন নাই যার কারণে বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।