1. admin@dailyajkerdurnity.com : admin :
শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৪১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ডিবির বিরুদ্ধে স্বর্ণ চুরি ও ঘুষের মিথ্যা অভিযোগ; অনুসন্ধানে মিলল ভিন্ন চিত্র এক আলোকিত জনপ্রতিনিধি-গোপদীঘি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সফল চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট শরফুদ্দীন ভূঁইয়া সবুজ ফিরে পেলো আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের লাইসেন্স কিশোরগঞ্জে জমি-সংক্রান্ত বিরোধে হামলা, আহত ১ সংসদের সাউন্ড সিস্টেম প্রতিস্থাপনে উচ্চ পর্যায়ের সভায় প্রধানমন্ত্রী মায়ের দান করা স্কুলে সভাপতি নির্বাচিত ছেলে খায়রুল আলম খান,পিএসসি বৃত্তিতে উপজেলায় শ্রেষ্ঠ উত্তর গোপদীঘি সপ্রাবি গোপদিঘীর সেই সন্ধ্যা –কবি খাইরুল আলম খান উদ্ধার অভিযানে গিয়ে নিজের সন্তানের লাশ পেলেন পুলিশ সদস্য যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে তারেক রহমানের অভিনন্দন গুম ও বিচারবহির্ভূত খুনকে প্রশ্রয় দেবে না সরকার : ডা. জাহেদ

টাঙ্গাইলের সখীপুরে নিখোঁজের দুই দিন পর সেঁজুতি (৮) নামে এক শিশু শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ

আজকের দুর্নীতি ডেস্ক:
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬
  • ৫২ বার পঠিত

আজ সোমবার (২২ জুন) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলা পরিষদের পুকুর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সেঁজুতি পৌর এলাকার মন্দিরপাড়া এলাকার বাসিন্দা ফালু চন্দ্র ও শোভা চন্দ্রের কন্যা। সে আদর্শ শিশু কানন প্রি-ক্যাডেট স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার (২০ জুন) বিকেল ৪টার পর থেকে সেঁজুতি নিখোঁজ হয়। পরিবারের সদস্যরা আত্মীয়-স্বজনের বাড়িসহ সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। সেঁজুতির নিখোঁজ হওয়ার পর শনিবার রাতেই তার বাবা ফালু চন্দ্র ও মা শোভা চন্দ্র সখীপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

 

 

পরিবারের সদস্যরা জানান, রোববার রাতে তাদের কাছে একটি ফোনকল ও বার্তা আসে। সেখানে সেঁজুতিকে ফিরিয়ে দেওয়ার কথা বলে তিন লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়।আজ সোমবার সকালে স্থানীয়রা উপজেলা পরিষদের পুকুরে একটি শিশুর মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।

 

 

সেঁজুতির বাবা ফালু চন্দ্র মালু বলেন, “আমার ছোট্ট মেয়েটিকে হত্যা করে পুকুরে ফেলে রাখা হয়েছে। আমি আমার মেয়ের হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।”সেঁজুতির মা শোভা চন্দ্র বলেন, “আমার অনেক শত্রু আছে। আমার ছোট্ট মেয়েটিকে হত্যা করে পুকুরে ফেলে রাখা হয়েছে। আমি হত্যাকারীদের বিচার চাই।”এ বিষয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আহমেদ আজম খান এমপি নিহত শিক্ষার্থীর মা-বাবার সঙ্গে মুঠোফোনে কথা বলেন। তিনি শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেন এবং সেঁজুতি হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়ে থাকলে তদন্ত করে দ্রুত দোষীদের বিচারের আওতায় আনার আশ্বাস দেন।

 

 

সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হেলাল উদ্দিন বলেন, “নিখোঁজের দুই দিন পর আজ সোমবার সকালে সখীপুর উপজেলা পরিষদের পুকুর থেকে সেঁজুতির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে এবং আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।”

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর