
কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি :
নেতৃত্ব কেবল ক্ষমতার নাম নয়,নেতৃত্ব হলো সেবার এক মহান ব্রত।আর সেই ব্রতকে ধারণ করে কিশোরগঞ্জ জেলার হাওরবেষ্টিত মিঠামইন উপজেলার গোপদীঘি ইউনিয়ন পরিষদে দীর্ঘ প্রায় নয় বছর চেয়ারম্যান হিসেবে সফলতার অনন্য স্বাক্ষর রেখেছেন এ্যাডভোকেট শরফুদ্দীন ভূঁইয়া সবুজ।
একজন জনপ্রতিনিধি যখন তাঁর পদটিকে ক্ষমতার হাতিয়ার না ভেবে জনগণের আমানত হিসেবে বিবেচনা করেন,তখন তৈরি হয় এক বিরল দৃষ্টান্ত।এ্যাডভোকেট শরফুদ্দীন ভূঁইয়া সবুজ ঠিক সেই ভালোবাসার স্থানটি তৈরি করে নিয়েছেন মানুষের হৃদয়ে।
দীর্ঘ প্রায় এক দশকের এই প্রশাসনিক যাত্রায় মরহুম জমিদার ইসহাক ভূঁইয়া সাহেবের সুযোগ্য উত্তরসূরী,সাবেক চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট শরফুদ্দীন ভূঁইয়া সবুজ ক্ষমতার অপব্যবহার করে কাউকে হয়রানি কিংবা কারোর ওপর অন্যায়ের খড়্গ হস্ত হওয়া,এমন কোনো চিন্তা কখনোই তাঁর ভাবনায় ঠাঁই পায়নি।অহংকার কিংবা দম্ভকে দূরে ঠেলে তিনি সবসময় মেলামেশা করেছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের সাথে।নিঃস্ব,অসচ্ছল ও খেটে খাওয়া মানুষের শেষ আশ্রয়স্থল হয়ে উঠেছিলেন তিনি।
গোপদীঘির সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে দাঁড়ানো,বিচার-সালিশে নিরপেক্ষতা বজায় রাখা এবং হাওরের অবকাঠামোগত উন্নয়নে তাঁর মেধা ও যোগ্যতার পূর্ণ স্বাক্ষর রেখেছেন।
যেখানে ন্যায়নীতি আর সততা থাকে,সেখানে স্বীকৃতি অর্জিত হয় স্বাভাবিক নিয়মে।তাঁর এই নিঃস্বার্থ জনসেবা,সততা ও সফল নেতৃত্ব গোপদীঘি ইউনিয়নকে এনে দিয়েছে সম্মান ও গৌরব।
সফল চেয়ারম্যান হিসেবে তাঁর অসাধারণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি লাভ করেছেন মর্যাদাপূর্ণ স্বর্ণপদক।
তাঁর কর্মদক্ষতা ও সুশাসনের জন্য তিনি ভূষিত হয়েছেন অসংখ্য স্থানীয় ও জাতীয় সম্মাননায়।জনপ্রতিনিধি অনেকেই হন,কিন্তু হৃদয়ে স্থান করে নিতে পারেন গুটি কয়েকজন।ক্ষমতার দাপট না দেখিয়ে কেবল ভালোবাসা আর ন্যায়বিচার দিয়ে কীভাবে একটি ইউনিয়নকে এগিয়ে নেওয়া যায়,এ্যাডভোকেট শরফুদ্দীন ভূঁইয়া সবুজ তার এক জীবন্ত উদাহরণ।গোপদীঘি ইউনিয়নের ইতিহাসে তাঁর এই নয় বছরের শাসনকাল ও জনসেবা চিরদিন এক উজ্জ্বল অধ্যায় হয়ে থাকবে।