1. admin@dailyajkerdurnity.com : admin :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:০৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
মোহাম্মদ হারুন অর রশীদকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে মেট্রোরেলে অ”সু”স্থ হয়ে একটু বসার জায়গা চেয়েছিলেন একজন অধ্যাপক। কেউ দেয়নি। দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় স্ট্রোক করে মারা গেলেন। আইজিপির বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন সাংবাদিক সমাজ আশুলিয়ায় কোটি টাকা চাঁদা দাবী-ফ্যাক্টরী ও জমি দখল-সন্ত্রাসী হামলায় সাংবাদিকসহ আহত-২ মিঠামইনে দূর্গা পূজা উপলক্ষে নাটক মঞ্জস্ত ফ্যাক্টরি দখল নিতে গিয়ে আশুলিয়ায় সাংবাদিকের ওপর সন্ত্রাসী হামলা, তীব্র নিন্দা গাজীপুরের কাশিমপুরে বকেয়া বেতনের দাবিতে মেঘা ইয়ার্ন ডাইং মিলস লিমিটেডের শ্রমিকদের আন্দোলন ও ভাঙচুর। কাপাসিয়া সিংহশ্রীতে শারদীয় দুর্গোৎসব: ২টি পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শফিকুল ইসলাম বাহাদূর ও অ্যাড. জাকির হোসেন দেবীদ্বারে এমপি হাসনাত আব্দুল্লাহ: ‘পদত্যাগ সরকারের শর্ট-টার্ম প্যারাসিটামল থেরাপি’ সিংহশ্রী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী শফিকুল ইসলাম বাহাদুর সকলের সমর্থন ও দোয়া প্রত্যাশী

টঙ্গীর শীর্ষ ফেনসিডিল সম্রাজ্ঞী আরফিনা, কোন অদৃশ্য ইশারায় ধরা-ছোঁয়ার বাইরে? – পর্ব-১

আজকের দুর্নীতি ডেস্ক:
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৬ জুন, ২০২৫
  • ১২৫ বার পঠিত

মোঃ লিমন হোসেন

গাজীপুর মেট্রোপলিটন টঙ্গী পূর্ব থানাধীন ৫৬ নম্বর ওয়ার্ডের ব্যাংক মাঠ বস্তি (কো-অপারেটিভ মাঠ) এলাকায় শীর্ষ মাদক সম্রাজ্ঞী হিসেবে পরিচিত আরফিনা বেগম। স্থানীয়ভাবে তিনি ‘বড় আপা’ নামে খ্যাত, আবার অনেকে তাকে ‘জামালের বউ’ নামেও চেনেন।

টঙ্গীর কোথাও ফেনসিডিল না পাওয়া গেলেও আরফিনার কাছে তা সবসময়ই সহজলভ্য। দীর্ঘদিন ধরে মাদক কারবারে লিপ্ত থাকলেও গত ৬-৭ বছরে টঙ্গী পূর্ব থানা পুলিশ তাকে একবারও গ্রেপ্তার করেনি।

 

স্থানীয়দের অভিযোগ, আরফিনা নিয়মিত মাসোহারা দিয়ে কয়েকজন অসাধু পুলিশ সদস্য এবং ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের কিছু নেতার ছত্রছায়ায় বস্তিতে নির্বিঘ্নে মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। অথচ ব্যাংক মাঠ বস্তি থানা থেকে মাত্র কয়েকশ গজ দূরত্বে অবস্থিত।

প্রশ্ন উঠছে— থানার নাকের ডগায় দিনের পর দিন এমন ভয়াবহ মাদক ব্যবসা চললেও কেন আরফিনাকে কখনো গ্রেপ্তার করা হয়নি? আদৌ কি পুলিশ তাকে ধরতে চায়, নাকি কোনো ‘অদৃশ্য ইশারায়’ তাকে ধরা হচ্ছে না?

মাদক ব্যবসাকে আড়াল করতে আরফিনা বেছে নিয়েছেন অভিনব পন্থা— এলপি গ্যাস সিলিন্ডারের ডিলারশিপ। এই ব্যবসার আড়ালে চলছে মাদকের জমজমাট কারবার।

এলাকাবাসীর একাধিক সূত্রে জানা গেছে, আরফিনা শুধু যুব সমাজকে ধ্বংস করছে না, বরং ভয় ও প্রভাব বিস্তার করে কেউ তার বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস পায় না। অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক এবং পুলিশের একাংশকে ম্যানেজ করেই চলছে তার মাদক সাম্রাজ্য।

 

প্রথমে কিছু আওয়ামী লীগ নেতার ছত্রছায়ায়, পরে ৫ আগস্টের পর থেকে কয়েকজন বিএনপি নেতার ছায়াতলেই চলতে থাকে তার অবৈধ কর্মকাণ্ড।তার বিরুদ্ধে একাধিকবার জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে আজ পর্যন্ত কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

এ বিষয়ে আরফিনার মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। ফলে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

এ বিষয়ে টঙ্গী পূর্ব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ ফরিদুল ইসলাম বলেন,

“আমার থানা এলাকায় সবসময় মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান চলমান রয়েছে। আমরা রিকভারি ছাড়া কাউকে গ্রেফতার করতে পারি না। বস্তির মাদক ব্যবসায়ীদের ব্যাপারে তথ্য সংগ্রহ চলছে। তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। খুব শিগগির টঙ্গীর বস্তিগুলোতে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হবে।”

 

তিনি আরও জানান, নিয়মিত মাদকসহ অনেককে গ্রেপ্তার করে মামলা দেওয়া হচ্ছে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর