1. admin@dailyajkerdurnity.com : admin :
শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১০:০৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ডিবির বিরুদ্ধে স্বর্ণ চুরি ও ঘুষের মিথ্যা অভিযোগ; অনুসন্ধানে মিলল ভিন্ন চিত্র এক আলোকিত জনপ্রতিনিধি-গোপদীঘি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সফল চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট শরফুদ্দীন ভূঁইয়া সবুজ ফিরে পেলো আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের লাইসেন্স কিশোরগঞ্জে জমি-সংক্রান্ত বিরোধে হামলা, আহত ১ সংসদের সাউন্ড সিস্টেম প্রতিস্থাপনে উচ্চ পর্যায়ের সভায় প্রধানমন্ত্রী মায়ের দান করা স্কুলে সভাপতি নির্বাচিত ছেলে খায়রুল আলম খান,পিএসসি বৃত্তিতে উপজেলায় শ্রেষ্ঠ উত্তর গোপদীঘি সপ্রাবি গোপদিঘীর সেই সন্ধ্যা –কবি খাইরুল আলম খান উদ্ধার অভিযানে গিয়ে নিজের সন্তানের লাশ পেলেন পুলিশ সদস্য যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে তারেক রহমানের অভিনন্দন গুম ও বিচারবহির্ভূত খুনকে প্রশ্রয় দেবে না সরকার : ডা. জাহেদ

ময়লা আবর্জনাতে ভরপুর কক্সবাজার সুগন্ধা পয়েন্ট 

আজকের দুর্নীতি ডেস্ক:
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৮ জুন, ২০২৫
  • ১৮৪ বার পঠিত

মো: জাহিদুর রহমান রবিনঃ স্টাফ রিপোর্টার 

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের সুগন্ধা থেকে কলাতলী পয়েন্ট পর্যন্ত পর্যটকদের সবচেয়ে পছন্দের জায়গার একটি। অথচ সৈকতের এই দুই কিলোমিটার এলাকায় উৎকট দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। সৈকত দিয়ে পর্যটকদের হাঁটাচলা করাও কঠিন হয়ে উঠেছে। এক সপ্তাহ ধরে ময়লা পানি থেকে দুর্গন্ধ ছড়ালেও কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ফলে পরিবেশ বিপর্যয়ের পাশাপাশি হুমকিতে পড়েছে বিশ্বের বৃহত্তম এ সৈকতের পর্যটন নিরাপত্তা, সৌন্দর্য ও দীর্ঘমেয়াদি টেকসই ভবিষ্যৎ। 

পরিবেশবাদীরা বলছেন, হোটেল-মোটেলের বর্জ্য ও দূষিত পানি সমুদ্রে যাওয়ার কারণে সেই পানি থেকে উৎকট দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। এতে যেমন দূষিত হচ্ছে প্রকৃতি, তেমনি পর্যটকদের জন্য তৈরি হচ্ছে প্রাণঘাতী ফাঁদ। 

শনিবার বিকেলে সৈকতের কলাতলী পয়েন্টে গিয়ে দেখা যায়, সৈকতের ডিভাইন ইকো রিসোর্টের পাশ ঘেঁষে হোটেল-মোটেল জোনের ময়লা পানি সরাসরি সমুদ্রে চলে যাচ্ছে। স্থানীয়রা বলছেন, কয়েক বছর আগেও এই এলাকায় পানি প্রবাহিত হতো পাশের একটি ছড়ার মাধ্যমে। সেটি প্যাসিফিক বিচ লাউঞ্জ ক্যাফের সামনে দিয়ে মিশত সাগরে। সম্প্রতি ছড়াটিতে বালুর বস্তা দিয়েছে ক্যাফে কর্তৃপক্ষ। এর পর সেই পানি নিষ্কাশনে বালিয়াড়ি কেটে তৈরি করা হয়েছে নালা। ফলে বৃষ্টির পানি জোয়ার-ভাটা এবং ঢলের সময় এটি রূপ নেয় প্রবল স্রোতের এক বিপজ্জনক পথে। কয়েক দিনেই নালাটি হয়ে উঠেছে আরও চওড়া ও গভীর। 

 ফলে পর্যটকদের চলাচলে সমস্যা হয় ডিভাইন ইকো রিসোর্টের স্বত্বাধিকারী মোয়াজ্জেম হোসেন শাওন বলেন, কক্সবাজার সৈকতের এসব সমস্যা পর্যটনের স্বার্থে দ্রুতই সমাধান করা প্রয়োজন। 

পর্যটক ও স্থানীয়রা জানান, বিভিন্ন আবাসিক ও কলকারখানার পানি এসে সমুদ্রে মিশছে। ফলে সমুদ্রের পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। 

নালার পানি সমুদ্রে পড়ে দূষণ তৈরি করছে। এ ছাড়া সেই নালাগুলোর কারণে তীরে গুপ্তখাল সৃষ্টি হচ্ছে, যা পানির নিচে দেখা যায় না। পর্যটকরা এটা না জেনে ওই জায়গায় গোসল করছে। ফলে তাদের জীবন ঝুঁকিতে পড়ছে। 

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর