
স্টাফ রিপোর্টারঃ
রাজধানীর সন্নিকটে উত্তরা আব্দুল্লাহপুর 8 নং সেক্টর কফিল উদ্দিন এর চাঁদাবাজির অত্যাচারে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী। ফ্যাসিবাদ আওয়ামী দোসর৫ ই আগস্ট ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে সিরাজ শিকদারের ছেলে কফিল উদ্দিন সিকদার তার চাঁদাবাজ দল নিয়ে নেমে যায় আব্দুল্লাহপুর বেরিবাদের ফুটপাতের অবৈধ দোকান থেকে চাদা নেওয়ার মহোৎসব।
একাধিক অভিযোগ উঠেছে কফিল উদ্দিন ও তার সহযোগী ও ইউনুস, ইউসুফ সাজু, নয়ন আলী, বিল্লু সহ আরো একাধিক জন।
ভুক্তভোগী জানতে চাইলে তারা জানান, কফিল উদ্দিন ইউনুস, সাজু কে দিয়ে আমাদের কাছ থেকে টাকা নেন জনপ্রতি দোকান থেকে ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা করে।উক্ত টাকা যারা দেয় তারা দোকান করে। আর যারা চাঁদা না দিতে পারে তাদের ভয় দেখায়মামলা দিয়ে চালান দিব মামলা দিয়ে চালান দিব। গত চার দিন আগে এ রকমই ঘটনা ঘটেছে লস্করের মেয়ে নুরজাহানের উপর । দীর্ঘ বছর যাবত লস্কর ও তার পরিবার আব্দুল্লাহপুর বেরিবাদের উপর দীর্ঘ বছর যাবত লস্কর ও তার পরিবার আব্দুল্লাহপুর বেরিবাদের উপর দোকান করে জীবিকা নির্বাহ করে।
কফিল তার বাহিনী নয়ন কে পাঠায় চাঁদার টাকা নিতে। দাবিকৃত চাদার টাকা না দেওয়াই নয়নকে দিয়ে মিথ্যা অভিযোগ সাজিয়ে উত্তরা পূর্ব থানার পুলিশ দিয়ে ভয় দেখাচ্ছে মামলা করে দিবে পুলিশ দিয়ে ভয় দেখাচ্ছে মামলা করে দিবে।
উত্তরা পূর্ব থানার এসআই মেহেদির কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, মারামারি ঘটনা ঘটেছে,চিকিৎসা পত্র চিকিৎসা পত্র এখনো আসেনি। চাঁদাবাজি মূল ঘটনা, চাঁদাবাজির বিষয় অস্বীকার করেন এসআই মেহেদী। তিনি মুঠোফোনে জানান, আমি ঘটনাস্থলে যায়নি আসলে ঘটনা কি জানব।
নুরজাহানের মত আরো অনেক দোকানেই জানান,বিএনপি’র পরিচয়ে কফিলের চাঁদাবাজির লাগাম ধরার মতো কেউ নেই এখানে। বিএনপি’র পরিচয় কফিলের চাঁদাবাজির লাগাম ধরার মতো কেউ নেই এখানে। প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে সকলে এই চাঁদাবাজদের কে অচিরে আইনের আওতা এনে শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক। প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে সকলে এই চাঁদাবাজদের কে অচিরে আইনে রাখতে এনে শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক।